গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন তিন পুলিশ সদস্য। গতকাল রবিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে উপজেলার কাটাবাড়ি ইউনিয়নের বাগদা বাজার এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। হামলায় আহত পুলিশ কর্মকর্তাদের বর্তমান চিকিৎসা চলছে এবং এলাকায় উত্তেজনার প্রেক্ষিতে সেনাবাহিনী তল্লাশি চালিয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে যে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক এবং কাটাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জোবায়ের হাসান শফিক মাহমুদ গোলাপের বাড়িতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায় পুলিশ। সেখানে তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করলে বাড়ির ভেতরেই পুলিশ সদস্যদের অবরুদ্ধ করে ব্যাপক মারধর করা হয়। আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন গোবিন্দগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক সেলিম রেজা, মীর কায়েস ও মমিনুল। হামলার সময় পুলিশের ব্যবহৃত দুটি মোটরসাইকেলও ভাঙচুর করা হয়েছে।
ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ সুপার জসিম উদ্দীনের নির্দেশে অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী ও সেনাবাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। বর্তমানে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক জানিয়েছেন যে পুলিশের ওপর হামলার এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। তবে গতকাল মধ্যরাত পর্যন্ত এই হামলার ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করার খবর পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহল অব্যাহত রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন তিন পুলিশ সদস্য। গতকাল রবিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে উপজেলার কাটাবাড়ি ইউনিয়নের বাগদা বাজার এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। হামলায় আহত পুলিশ কর্মকর্তাদের বর্তমান চিকিৎসা চলছে এবং এলাকায় উত্তেজনার প্রেক্ষিতে সেনাবাহিনী তল্লাশি চালিয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে যে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক এবং কাটাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জোবায়ের হাসান শফিক মাহমুদ গোলাপের বাড়িতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায় পুলিশ। সেখানে তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করলে বাড়ির ভেতরেই পুলিশ সদস্যদের অবরুদ্ধ করে ব্যাপক মারধর করা হয়। আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন গোবিন্দগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক সেলিম রেজা, মীর কায়েস ও মমিনুল। হামলার সময় পুলিশের ব্যবহৃত দুটি মোটরসাইকেলও ভাঙচুর করা হয়েছে।
ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ সুপার জসিম উদ্দীনের নির্দেশে অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী ও সেনাবাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। বর্তমানে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক জানিয়েছেন যে পুলিশের ওপর হামলার এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। তবে গতকাল মধ্যরাত পর্যন্ত এই হামলার ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করার খবর পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহল অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন