জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট থেকে বেরিয়ে ইসলামের স্বার্থে একক পথচলার সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) ময়মনসিংহ-৬ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী মুফতি নুরে আলম সিদ্দিকীর সমর্থনে ফুলবাড়িয়ায় অনুষ্ঠিত নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
চরমোনাই পীর উপস্থিত জনতার উদ্দেশে বলেন, তিনি হাতপাখার পক্ষে ভোট চাইতে এসেছেন। ইসলামের পক্ষে ঐক্য গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে অনেক আশা নিয়ে ইসলামপন্থীদের ঐক্যের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে দেখা যায়, জামায়াতে ইসলামী ইসলামের নীতি ও আদর্শ বাস্তবায়নের প্রতিজ্ঞা থেকে সরে আসছে। এমন পরিস্থিতিতে ইসলামের স্বার্থেই এককভাবে পথচলার সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। তিনি বলেন, আল্লাহর রহমতে তারা একা নন; দেশের সর্বস্তরের জনগণ ও উলামায়ে কেরাম তাদের সঙ্গে রয়েছেন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, অতীতে বিএনপি ও জামায়াত সরকার পরিচালনা করলেও সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। বরং সেই সময় দুর্নীতিতে দেশ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। আল্লাহর রহমতে যদি জনগণ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দেয়, তবে দুর্নীতির মূলোৎপাটন করা হবে এবং জনগণের প্রত্যাশার বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে।
চরমোনাই পীর আরও বলেন, অনেক প্রার্থী নানান উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিলেও নীতির উন্নয়নের কথা বলেন না। সংসদ সদস্যরা যদি সংসদে সঠিক নীতি প্রণয়ন করেন এবং সেই নীতির বাস্তবায়নে শাসন বিভাগকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে পারেন, তাহলে উন্নয়ন স্বাভাবিকভাবেই দেশের সব নাগরিকের কাছে পৌঁছাবে। তাই কেবল বস্তুগত উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি নয়, নীতির উন্নয়নের কথাই সবচেয়ে জরুরি।
তিনি বলেন, গত ৫৪ বছরে জাতি বহু উন্নয়নের কথা শুনেছে, কিন্তু সেই উন্নয়নের আড়ালে ছিল দুর্নীতির উৎসব। খুন, গুম ও অর্থ পাচারের মাধ্যমে দেশকে পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ অবস্থার পরিবর্তনে দেশের কাঠামোগত উন্নয়ন ও নীতি উন্নয়নের দিকে গুরুত্ব দিতে হবে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ব্যক্তি বা নেতাকেন্দ্রিক রাজনীতির পরিবর্তে নীতির পরিবর্তনের জন্য কাজ করে যাচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এ সময় জনসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা নুরুল করীম আকরাম, ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি হোসাইন আহমদসহ দলটির স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতারা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট থেকে বেরিয়ে ইসলামের স্বার্থে একক পথচলার সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) ময়মনসিংহ-৬ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী মুফতি নুরে আলম সিদ্দিকীর সমর্থনে ফুলবাড়িয়ায় অনুষ্ঠিত নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
চরমোনাই পীর উপস্থিত জনতার উদ্দেশে বলেন, তিনি হাতপাখার পক্ষে ভোট চাইতে এসেছেন। ইসলামের পক্ষে ঐক্য গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে অনেক আশা নিয়ে ইসলামপন্থীদের ঐক্যের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে দেখা যায়, জামায়াতে ইসলামী ইসলামের নীতি ও আদর্শ বাস্তবায়নের প্রতিজ্ঞা থেকে সরে আসছে। এমন পরিস্থিতিতে ইসলামের স্বার্থেই এককভাবে পথচলার সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। তিনি বলেন, আল্লাহর রহমতে তারা একা নন; দেশের সর্বস্তরের জনগণ ও উলামায়ে কেরাম তাদের সঙ্গে রয়েছেন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, অতীতে বিএনপি ও জামায়াত সরকার পরিচালনা করলেও সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। বরং সেই সময় দুর্নীতিতে দেশ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। আল্লাহর রহমতে যদি জনগণ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দেয়, তবে দুর্নীতির মূলোৎপাটন করা হবে এবং জনগণের প্রত্যাশার বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে।
চরমোনাই পীর আরও বলেন, অনেক প্রার্থী নানান উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিলেও নীতির উন্নয়নের কথা বলেন না। সংসদ সদস্যরা যদি সংসদে সঠিক নীতি প্রণয়ন করেন এবং সেই নীতির বাস্তবায়নে শাসন বিভাগকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে পারেন, তাহলে উন্নয়ন স্বাভাবিকভাবেই দেশের সব নাগরিকের কাছে পৌঁছাবে। তাই কেবল বস্তুগত উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি নয়, নীতির উন্নয়নের কথাই সবচেয়ে জরুরি।
তিনি বলেন, গত ৫৪ বছরে জাতি বহু উন্নয়নের কথা শুনেছে, কিন্তু সেই উন্নয়নের আড়ালে ছিল দুর্নীতির উৎসব। খুন, গুম ও অর্থ পাচারের মাধ্যমে দেশকে পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ অবস্থার পরিবর্তনে দেশের কাঠামোগত উন্নয়ন ও নীতি উন্নয়নের দিকে গুরুত্ব দিতে হবে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ব্যক্তি বা নেতাকেন্দ্রিক রাজনীতির পরিবর্তে নীতির পরিবর্তনের জন্য কাজ করে যাচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এ সময় জনসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা নুরুল করীম আকরাম, ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি হোসাইন আহমদসহ দলটির স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতারা।

আপনার মতামত লিখুন