ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

নির্বাচনি প্রচারণায় আলোকসজ্জা নিষিদ্ধ: ইসি


ইসি প্রতিবেদক :
ইসি প্রতিবেদক :
প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি ২০২৬

নির্বাচনি প্রচারণায় আলোকসজ্জা নিষিদ্ধ: ইসি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে কোনো প্রকার আলোকসজ্জা ব্যবহার করা যাবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসি জারিকৃত ‘নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধিমালা ২০২৫’-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় এ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আচরণবিধিমালার ১৩ ধারায় গেইট, তোরণ, প্যান্ডেল, ক্যাম্প স্থাপন এবং আলোকসজ্জা সংক্রান্ত বিধিনিষেধ তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, কোনো প্রার্থী গেইট বা তোরণ নির্মাণ করতে পারবেন না এবং জনসাধারণের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে এমন কোনো সামগ্রী বা স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না। প্যান্ডেল নির্মাণের ক্ষেত্রেও সর্বোচ্চ ৪০০ বর্গফুটের বেশি জায়গা ব্যবহার করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

বিধিমালায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, প্রচারণার অংশ হিসেবে কোনো ধরনের আলোকসজ্জা করা যাবে না এবং কোনো সড়ক বা জনসাধারণের চলাচল ও সাধারণ ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত স্থানে নির্বাচনি ক্যাম্প স্থাপন করা যাবে না। এছাড়া একজন প্রার্থী প্রতিটি ইউনিয়ন, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন এলাকার প্রতি ওয়ার্ডে একটির বেশি নির্বাচনি ক্যাম্প স্থাপন করতে পারবেন না এবং একটি নির্বাচনি এলাকায় একটির বেশি কেন্দ্রীয় নির্বাচনি ক্যাম্প স্থাপন নিষিদ্ধ। নির্বাচনি ক্যাম্পে ভোটারদের জন্য কোনো ধরনের কোমল পানীয়, খাদ্য পরিবেশন বা উপঢৌকন দেওয়াও আচরণবিধির পরিপন্থী।

আচরণবিধিমালার ১৪ ধারায় বিলবোর্ড ব্যবহারের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, বিলবোর্ড ব্যবহার করা গেলেও এর আয়তন সর্বোচ্চ ১৬ ফুট বাই ৯ ফুট হতে হবে এবং কোনো প্রার্থী একটি নির্বাচনি এলাকায় ২০টির বেশি বিলবোর্ড ব্যবহার করতে পারবেন না। বিলবোর্ড স্থাপনের মাধ্যমে জনসাধারণ বা যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করা যাবে না এবং পরিবেশ বা নিরাপত্তার ক্ষতি হয়—এমনভাবে কোনো বিলবোর্ড স্থাপন করা নিষিদ্ধ।

এবারের সংসদ নির্বাচনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ১ হাজার ৭৩২ জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ২৪৯ জনসহ মোট ১ হাজার ৯৮১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে ধানের শীষ প্রতীকে ২৮৮ জন, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ২২৪ জন এবং হাতপাখা প্রতীকে ২৫৩ জন প্রার্থী রয়েছেন। প্রতীক বরাদ্দের পর ইতোমধ্যে প্রার্থীরা নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করেছেন। আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত প্রচারণা চলবে এবং ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


নির্বাচনি প্রচারণায় আলোকসজ্জা নিষিদ্ধ: ইসি

প্রকাশের তারিখ : ২৫ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে কোনো প্রকার আলোকসজ্জা ব্যবহার করা যাবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসি জারিকৃত ‘নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধিমালা ২০২৫’-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় এ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।


আচরণবিধিমালার ১৩ ধারায় গেইট, তোরণ, প্যান্ডেল, ক্যাম্প স্থাপন এবং আলোকসজ্জা সংক্রান্ত বিধিনিষেধ তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, কোনো প্রার্থী গেইট বা তোরণ নির্মাণ করতে পারবেন না এবং জনসাধারণের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে এমন কোনো সামগ্রী বা স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না। প্যান্ডেল নির্মাণের ক্ষেত্রেও সর্বোচ্চ ৪০০ বর্গফুটের বেশি জায়গা ব্যবহার করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।


বিধিমালায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, প্রচারণার অংশ হিসেবে কোনো ধরনের আলোকসজ্জা করা যাবে না এবং কোনো সড়ক বা জনসাধারণের চলাচল ও সাধারণ ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত স্থানে নির্বাচনি ক্যাম্প স্থাপন করা যাবে না। এছাড়া একজন প্রার্থী প্রতিটি ইউনিয়ন, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন এলাকার প্রতি ওয়ার্ডে একটির বেশি নির্বাচনি ক্যাম্প স্থাপন করতে পারবেন না এবং একটি নির্বাচনি এলাকায় একটির বেশি কেন্দ্রীয় নির্বাচনি ক্যাম্প স্থাপন নিষিদ্ধ। নির্বাচনি ক্যাম্পে ভোটারদের জন্য কোনো ধরনের কোমল পানীয়, খাদ্য পরিবেশন বা উপঢৌকন দেওয়াও আচরণবিধির পরিপন্থী।


আচরণবিধিমালার ১৪ ধারায় বিলবোর্ড ব্যবহারের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, বিলবোর্ড ব্যবহার করা গেলেও এর আয়তন সর্বোচ্চ ১৬ ফুট বাই ৯ ফুট হতে হবে এবং কোনো প্রার্থী একটি নির্বাচনি এলাকায় ২০টির বেশি বিলবোর্ড ব্যবহার করতে পারবেন না। বিলবোর্ড স্থাপনের মাধ্যমে জনসাধারণ বা যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করা যাবে না এবং পরিবেশ বা নিরাপত্তার ক্ষতি হয়—এমনভাবে কোনো বিলবোর্ড স্থাপন করা নিষিদ্ধ।


এবারের সংসদ নির্বাচনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ১ হাজার ৭৩২ জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ২৪৯ জনসহ মোট ১ হাজার ৯৮১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে ধানের শীষ প্রতীকে ২৮৮ জন, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ২২৪ জন এবং হাতপাখা প্রতীকে ২৫৩ জন প্রার্থী রয়েছেন। প্রতীক বরাদ্দের পর ইতোমধ্যে প্রার্থীরা নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করেছেন। আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত প্রচারণা চলবে এবং ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ