নিরাপত্তা শঙ্কার কথা জানিয়ে ভারত সফরে দল পাঠাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। একই সঙ্গে বাংলাদেশের দাবি ছিল, আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তাদের ম্যাচগুলো যেন শ্রীলঙ্কায় আয়োজন করা হয়। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) সেই অনুরোধ গ্রহণ না করে বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে টুর্নামেন্টে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আইসিসি এ সিদ্ধান্তের কথা জানায়। সংস্থাটি জানায়, ভারতের মাটিতে বাংলাদেশ জাতীয় দলের জন্য কোনো বিশ্বাসযোগ্য বা যাচাইযোগ্য নিরাপত্তা হুমকির প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সে কারণে শ্রীলঙ্কায় ম্যাচ স্থানান্তরের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।
আইসিসির বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ভারত ও শ্রীলঙ্কার যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠেয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসর শুরু হবে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি। টুর্নামেন্ট শুরুর সময় খুব কাছাকাছি চলে আসায় বিসিবির অনুরোধ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি বলেও উল্লেখ করা হয়।
আইসিসির এই সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, বাংলাদেশে ও আইসিসির বিভিন্ন টুর্নামেন্টে খেলা একজন সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার হিসেবে আইসিসির আচরণে তিনি হতাশ।
আফ্রিদি তার পোস্টে উল্লেখ করেন, ২০২৫ সালে পাকিস্তান সফরে না যাওয়ার বিষয়ে ভারতের নিরাপত্তা উদ্বেগ আইসিসি মেনে নিয়েছিল। অথচ বাংলাদেশের ক্ষেত্রে একই ধরনের উদ্বেগকে ভিন্নভাবে দেখা হয়েছে, যা ন্যায্যতার প্রশ্ন তোলে।
উল্লেখ্য, গত বছর চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে অংশ নিতে ভারত পাকিস্তানে যেতে অস্বীকৃতি জানালে আইসিসি ভারতের দাবি মেনে নেয়। সে সময় ভারতের সব ম্যাচ দুবাইয়ে আয়োজন করা হয়, যদিও টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া অন্য দলগুলো পাকিস্তানেই খেলেছিল এবং ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলতে তাদের দুবাই যেতে হয়েছিল।
ভারত ও বাংলাদেশের ক্ষেত্রে আইসিসির ভিন্ন নীতি প্রয়োগের সমালোচনা করে আফ্রিদি আরও লেখেন, ক্রিকেট পরিচালনায় সবার জন্য একই নিয়ম ও ন্যায্যতা থাকা জরুরি। তার ভাষায়, বাংলাদেশের খেলোয়াড় ও কোটি কোটি সমর্থক সম্মানের দাবিদার এবং আইসিসির উচিত সম্পর্ক গড়া মিশ্র নীতিতে বিভেদ তৈরি করা নয়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
নিরাপত্তা শঙ্কার কথা জানিয়ে ভারত সফরে দল পাঠাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। একই সঙ্গে বাংলাদেশের দাবি ছিল, আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তাদের ম্যাচগুলো যেন শ্রীলঙ্কায় আয়োজন করা হয়। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) সেই অনুরোধ গ্রহণ না করে বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে টুর্নামেন্টে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আইসিসি এ সিদ্ধান্তের কথা জানায়। সংস্থাটি জানায়, ভারতের মাটিতে বাংলাদেশ জাতীয় দলের জন্য কোনো বিশ্বাসযোগ্য বা যাচাইযোগ্য নিরাপত্তা হুমকির প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সে কারণে শ্রীলঙ্কায় ম্যাচ স্থানান্তরের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।
আইসিসির বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ভারত ও শ্রীলঙ্কার যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠেয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসর শুরু হবে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি। টুর্নামেন্ট শুরুর সময় খুব কাছাকাছি চলে আসায় বিসিবির অনুরোধ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি বলেও উল্লেখ করা হয়।
আইসিসির এই সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, বাংলাদেশে ও আইসিসির বিভিন্ন টুর্নামেন্টে খেলা একজন সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার হিসেবে আইসিসির আচরণে তিনি হতাশ।
আফ্রিদি তার পোস্টে উল্লেখ করেন, ২০২৫ সালে পাকিস্তান সফরে না যাওয়ার বিষয়ে ভারতের নিরাপত্তা উদ্বেগ আইসিসি মেনে নিয়েছিল। অথচ বাংলাদেশের ক্ষেত্রে একই ধরনের উদ্বেগকে ভিন্নভাবে দেখা হয়েছে, যা ন্যায্যতার প্রশ্ন তোলে।
উল্লেখ্য, গত বছর চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে অংশ নিতে ভারত পাকিস্তানে যেতে অস্বীকৃতি জানালে আইসিসি ভারতের দাবি মেনে নেয়। সে সময় ভারতের সব ম্যাচ দুবাইয়ে আয়োজন করা হয়, যদিও টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া অন্য দলগুলো পাকিস্তানেই খেলেছিল এবং ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলতে তাদের দুবাই যেতে হয়েছিল।
ভারত ও বাংলাদেশের ক্ষেত্রে আইসিসির ভিন্ন নীতি প্রয়োগের সমালোচনা করে আফ্রিদি আরও লেখেন, ক্রিকেট পরিচালনায় সবার জন্য একই নিয়ম ও ন্যায্যতা থাকা জরুরি। তার ভাষায়, বাংলাদেশের খেলোয়াড় ও কোটি কোটি সমর্থক সম্মানের দাবিদার এবং আইসিসির উচিত সম্পর্ক গড়া মিশ্র নীতিতে বিভেদ তৈরি করা নয়।

আপনার মতামত লিখুন