আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়ার সাতটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল থেকে বগুড়া জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়।
জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং অফিসার তৌফিকুর রহমান প্রার্থী ও তাদের প্রতিনিধিদের হাতে প্রতীক তুলে দেন। এর আগে প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি নির্বাচন আচরণবিধি কঠোরভাবে মেনে চলার নির্দেশ দেন। দুপুর পর্যন্ত চলা এই কার্যক্রম শেষে প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারণায় মাঠে নামেন।
নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বগুড়ার সাতটি আসনে মোট ৩৪ জন প্রার্থী চূড়ান্তভাবে প্রতীক পেয়েছেন। তাদের মধ্যে বিএনপির ৭ জন, জামায়াতে ইসলামীর ৭ জন, ইসলামী আন্দোলনের ৭ জন, জাতীয় পার্টির ৩ জন, সিপিবি, বাংলাদেশ কংগ্রেস, বাসদ, গণফোরাম, নাগরিক ঐক্য, গণ অধিকার পরিষদ, জেএসডি, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ ও এলডিপির একজন করে প্রার্থী এবং একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন।
প্রতীক বরাদ্দের সময় বগুড়া-৬ (সদর) আসনে বিএনপি চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের পক্ষে ধানের শীষ প্রতীক গ্রহণ করেন জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা। এছাড়া বগুড়া-২ আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার পক্ষে কেটলি প্রতীক গ্রহণ করেন তার প্রতিনিধিরা। নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, শুরুতে সাতটি আসনে মোট ৩৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। এর মধ্যে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর কারণে তার প্রার্থিতা বাতিল হয়, তিনজন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন এবং একটি আসনে বিএনপির দুই প্রার্থী থাকায় চূড়ান্ত প্রার্থী নির্ধারণের পর প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। আসনভিত্তিক প্রার্থী ও প্রতীক- বগুড়া-১ ইসলামী আন্দোলন এবিএম মোস্তফা কামাল পাশা (হাতপাখা),
বিএনপি কাজী রফিকুল ইসলাম (ধানের শীষ), বাংলাদেশ কংগ্রেস মো. আসাদুল হক (ডাব), গণফোরাম মো. জুলফিকার আলী (উদীয়মান সূর্য), জামায়াত মো. শাহাবুদ্দিন (দাঁড়িপাল্লা)।
বগুড়া-২ ইসলামী আন্দোলন মো. জামাল উদ্দিন (হাতপাখা),
বিএনপি মীর শাহে আলম (ধানের শীষ), নাগরিক ঐক্য মাহমুদুর রহমান মান্না (কেটলি), জামায়াত আবুল আজাদ মোহাম্মদ শাহাদুজ্জামান (দাঁড়িপাল্লা),
স্বতন্ত্র মো. রেজাউল করিম তালু (সিড়ি), গণ অধিকার পরিষদ সেলিম সরকার (ট্রাক), জাতীয় পার্টি শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ (লাঙ্গল)। বগুড়া-৩ ইসলামী আন্দোলন মো. শাহজাহান আলী তালুকদার (হাতপাখা), বিএনপি মো. আব্দুল মহিত তালুকদার (ধানের শীষ), জামায়াত নূর মোহাম্মাদ (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টি মো. শাহিনুল ইসলাম (লাঙ্গল)। বগুড়া-৪ ইসলামী আন্দোলন মুহাম্মদ ইদ্রিস আলী (হাতপাখা), বিএনপি মোশারফ হোসেন (ধানের শীষ), জামায়াত মো. মোস্তফা ফয়সাল শাহাদুজ্জামান (দাঁড়িপাল্লা),
জাতীয় পার্টি শাহিন মোস্তফা কামাল (লাঙ্গল)। বগুড়া-৫ ইসলামী আন্দোলন মীর মো. মাহমুদুর রহমান (হাতপাখা),
বিএনপি গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ (ধানের শীষ), এলডিপি খান কুদরত ই সাকলায়েন (ছাতা),
জামায়াত মো. দবিবুর রহমান (দাঁড়িপাল্লা), সিপিবি সিপন কুমার রবিদাস (কাস্তে)। বগুড়া-৬ ইসলামী আন্দোলন আবু নোমান মো. মামুনূর রশিদ (হাতপাখা),
বিএনপি তারেক রহমান (ধানের শীষ), জামায়াত মো. আবিদুর রহমান (দাঁড়িপাল্লা), জেএসডি আব্দুল্লাহ আল ওয়াকি (তারা),
বাসদ দিলরুবা (মই)। বগুড়া-৭
ইসলামী আন্দোলন মো. শফিকুল ইসলাম (হাতপাখা), বিএনপি মোরশেদ মিলটন (ধানের শীষ),
জামায়াত মো. গোলাম রব্বানী (দাঁড়িপাল্লা), বাংলাদেশ মুসলিম লীগ মো. আনছার আলী (হারিকেন)। উল্লেখ্য বগুড়ার ১২টি উপজেলা নিয়ে গঠিত সাতটি সংসদীয় আসনে প্রতীক বরাদ্দের মধ্য দিয়ে বৃহস্পতিবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জানুয়ারি ২০২৬
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়ার সাতটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল থেকে বগুড়া জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়।
জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং অফিসার তৌফিকুর রহমান প্রার্থী ও তাদের প্রতিনিধিদের হাতে প্রতীক তুলে দেন। এর আগে প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি নির্বাচন আচরণবিধি কঠোরভাবে মেনে চলার নির্দেশ দেন। দুপুর পর্যন্ত চলা এই কার্যক্রম শেষে প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারণায় মাঠে নামেন।
নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বগুড়ার সাতটি আসনে মোট ৩৪ জন প্রার্থী চূড়ান্তভাবে প্রতীক পেয়েছেন। তাদের মধ্যে বিএনপির ৭ জন, জামায়াতে ইসলামীর ৭ জন, ইসলামী আন্দোলনের ৭ জন, জাতীয় পার্টির ৩ জন, সিপিবি, বাংলাদেশ কংগ্রেস, বাসদ, গণফোরাম, নাগরিক ঐক্য, গণ অধিকার পরিষদ, জেএসডি, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ ও এলডিপির একজন করে প্রার্থী এবং একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন।
প্রতীক বরাদ্দের সময় বগুড়া-৬ (সদর) আসনে বিএনপি চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের পক্ষে ধানের শীষ প্রতীক গ্রহণ করেন জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা। এছাড়া বগুড়া-২ আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার পক্ষে কেটলি প্রতীক গ্রহণ করেন তার প্রতিনিধিরা। নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, শুরুতে সাতটি আসনে মোট ৩৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। এর মধ্যে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর কারণে তার প্রার্থিতা বাতিল হয়, তিনজন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন এবং একটি আসনে বিএনপির দুই প্রার্থী থাকায় চূড়ান্ত প্রার্থী নির্ধারণের পর প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। আসনভিত্তিক প্রার্থী ও প্রতীক- বগুড়া-১ ইসলামী আন্দোলন এবিএম মোস্তফা কামাল পাশা (হাতপাখা),
বিএনপি কাজী রফিকুল ইসলাম (ধানের শীষ), বাংলাদেশ কংগ্রেস মো. আসাদুল হক (ডাব), গণফোরাম মো. জুলফিকার আলী (উদীয়মান সূর্য), জামায়াত মো. শাহাবুদ্দিন (দাঁড়িপাল্লা)।
বগুড়া-২ ইসলামী আন্দোলন মো. জামাল উদ্দিন (হাতপাখা),
বিএনপি মীর শাহে আলম (ধানের শীষ), নাগরিক ঐক্য মাহমুদুর রহমান মান্না (কেটলি), জামায়াত আবুল আজাদ মোহাম্মদ শাহাদুজ্জামান (দাঁড়িপাল্লা),
স্বতন্ত্র মো. রেজাউল করিম তালু (সিড়ি), গণ অধিকার পরিষদ সেলিম সরকার (ট্রাক), জাতীয় পার্টি শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ (লাঙ্গল)। বগুড়া-৩ ইসলামী আন্দোলন মো. শাহজাহান আলী তালুকদার (হাতপাখা), বিএনপি মো. আব্দুল মহিত তালুকদার (ধানের শীষ), জামায়াত নূর মোহাম্মাদ (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টি মো. শাহিনুল ইসলাম (লাঙ্গল)। বগুড়া-৪ ইসলামী আন্দোলন মুহাম্মদ ইদ্রিস আলী (হাতপাখা), বিএনপি মোশারফ হোসেন (ধানের শীষ), জামায়াত মো. মোস্তফা ফয়সাল শাহাদুজ্জামান (দাঁড়িপাল্লা),
জাতীয় পার্টি শাহিন মোস্তফা কামাল (লাঙ্গল)। বগুড়া-৫ ইসলামী আন্দোলন মীর মো. মাহমুদুর রহমান (হাতপাখা),
বিএনপি গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ (ধানের শীষ), এলডিপি খান কুদরত ই সাকলায়েন (ছাতা),
জামায়াত মো. দবিবুর রহমান (দাঁড়িপাল্লা), সিপিবি সিপন কুমার রবিদাস (কাস্তে)। বগুড়া-৬ ইসলামী আন্দোলন আবু নোমান মো. মামুনূর রশিদ (হাতপাখা),
বিএনপি তারেক রহমান (ধানের শীষ), জামায়াত মো. আবিদুর রহমান (দাঁড়িপাল্লা), জেএসডি আব্দুল্লাহ আল ওয়াকি (তারা),
বাসদ দিলরুবা (মই)। বগুড়া-৭
ইসলামী আন্দোলন মো. শফিকুল ইসলাম (হাতপাখা), বিএনপি মোরশেদ মিলটন (ধানের শীষ),
জামায়াত মো. গোলাম রব্বানী (দাঁড়িপাল্লা), বাংলাদেশ মুসলিম লীগ মো. আনছার আলী (হারিকেন)। উল্লেখ্য বগুড়ার ১২টি উপজেলা নিয়ে গঠিত সাতটি সংসদীয় আসনে প্রতীক বরাদ্দের মধ্য দিয়ে বৃহস্পতিবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন