সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক অভূতপূর্ব দৃশ্যের অবতারণা হলো। কোনো বিশেষ প্রটোকল বা ভিআইপি যানবাহনের বদলে সাধারণ যাত্রীদের জন্য নির্ধারিত বাসে চড়ে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা দিলেন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং তাঁর স্ত্রী ডাঃ জোবাইদা রহমান।
বুধবার দুপুরে সিলেট বিমানবন্দরে অবতরণের পর এই দম্পতিকে সাধারণ যাত্রীদের সাথে বাসে উঠতে দেখে উপস্থিত সবার মাঝে ব্যাপক কৌতূহল ও উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়।
সাধারণত বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে শীর্ষ নেতাদের চলাচলের সময় কড়া নিরাপত্তা এবং বিলাসবহুল গাড়িবহর দেখা যায়। সেখানে দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাকে সাধারণ মানুষের পাশে বাসে বসা দেখে অনেকেই অবাক হন। বাসে থাকা যাত্রীরা জানান, তারা ভাবতেই পারেননি তারেক রহমান এভাবে তাদের সাথে যাত্রা করবেন।
বাসের ভেতরে থাকা এক যাত্রী উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, "আমরা তাকে টেলিভিশনে দেখি, কিন্তু আজ তিনি আমাদের পাশের সিটে বসে আছেন—এটা বিশ্বাস করা কঠিন ছিল। তার এই সাধারণ জীবনযাপন আমাদের মুগ্ধ করেছে।
তারেক রহমান ও ডাঃ জোবাইদা রহমান বাসে ওঠার পর যাত্রীদের সাথে কুশল বিনিময় করেন। এ সময় বিমানবন্দরে থাকা অন্যান্য সাধারণ মানুষ এবং দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসব-উদ্দীপনা দেখা যায়। অনেকেই মুঠোফোনে এই মুহূর্তটি ফ্রেমবন্দি করার চেষ্টা করেন।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সাধারণ মানুষের সাথে মিশে যাওয়ার এই উদ্যোগ জনগণের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত হওয়ার একটি বড় বার্তা। বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এ ধরনের ঘটনা বিরল, যা সাধারণ মানুষের মনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জানুয়ারি ২০২৬
সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক অভূতপূর্ব দৃশ্যের অবতারণা হলো। কোনো বিশেষ প্রটোকল বা ভিআইপি যানবাহনের বদলে সাধারণ যাত্রীদের জন্য নির্ধারিত বাসে চড়ে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা দিলেন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং তাঁর স্ত্রী ডাঃ জোবাইদা রহমান।
বুধবার দুপুরে সিলেট বিমানবন্দরে অবতরণের পর এই দম্পতিকে সাধারণ যাত্রীদের সাথে বাসে উঠতে দেখে উপস্থিত সবার মাঝে ব্যাপক কৌতূহল ও উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়।
সাধারণত বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে শীর্ষ নেতাদের চলাচলের সময় কড়া নিরাপত্তা এবং বিলাসবহুল গাড়িবহর দেখা যায়। সেখানে দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাকে সাধারণ মানুষের পাশে বাসে বসা দেখে অনেকেই অবাক হন। বাসে থাকা যাত্রীরা জানান, তারা ভাবতেই পারেননি তারেক রহমান এভাবে তাদের সাথে যাত্রা করবেন।
বাসের ভেতরে থাকা এক যাত্রী উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, "আমরা তাকে টেলিভিশনে দেখি, কিন্তু আজ তিনি আমাদের পাশের সিটে বসে আছেন—এটা বিশ্বাস করা কঠিন ছিল। তার এই সাধারণ জীবনযাপন আমাদের মুগ্ধ করেছে।
তারেক রহমান ও ডাঃ জোবাইদা রহমান বাসে ওঠার পর যাত্রীদের সাথে কুশল বিনিময় করেন। এ সময় বিমানবন্দরে থাকা অন্যান্য সাধারণ মানুষ এবং দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসব-উদ্দীপনা দেখা যায়। অনেকেই মুঠোফোনে এই মুহূর্তটি ফ্রেমবন্দি করার চেষ্টা করেন।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সাধারণ মানুষের সাথে মিশে যাওয়ার এই উদ্যোগ জনগণের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত হওয়ার একটি বড় বার্তা। বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এ ধরনের ঘটনা বিরল, যা সাধারণ মানুষের মনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

আপনার মতামত লিখুন