সাধারণত স্ট্রোককে বয়স্ক মানুষের রোগ হিসেবে ধরা হয়। তবে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, শিশুদেরও স্ট্রোক হতে পারে। শিশুদের স্ট্রোক বিরল হলেও ঘটলে তা সময়মতো শনাক্ত না হলে দীর্ঘমেয়াদী শারীরিক ও মানসিক প্রভাব ফেলতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতি ১০ লাখ শিশুর মধ্যে প্রায় ২.৫–১৩ জন স্ট্রোকের শিকার হতে পারে। শিশুদের স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়াতে পারে জন্মগত হৃদরোগ, রক্তের সমস্যা যেমন সিকল সেল ডিজিজ, রক্তনালির অস্বাভাবিক গঠন, মাথায় আঘাত বা সংক্রমণ। বয়সভিত্তিকভাবে এটি দুই ভাগে ভাগ করা যায় — জন্মের সময় বা প্রথম মাসে হওয়া ‘পেরিনেটাল স্ট্রোক’ এবং এক মাস থেকে ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত ‘চাইল্ডহুড স্ট্রোক’।
শিশুদের স্ট্রোকের লক্ষণ বড়দের মতো নয়। তবে কিছু সাধারণ লক্ষণ সতর্কতার সংকেত দিতে পারে। এর মধ্যে আছে শরীরের এক পাশে দুর্বলতা, হাত-পায়ের চলাচলে সমস্যা, মুখের এক পাশে ঝুলে যাওয়া, হঠাৎ কথা বলার অসুবিধা, ভারসাম্য হারানো বা দৃষ্টি ঝাপসা হওয়া এবং আচরণে পরিবর্তন বা নতুন খিঁচুনি দেখা দেওয়া।
চিকিৎসকরা সতর্ক করেছেন, স্ট্রোক হলে যত দ্রুত সঠিক চিকিৎসা শুরু করা যায়, ততই পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা বেশি। ফিজিওথেরাপি, ওষুধ এবং অন্যান্য পুনর্বাসন কার্যক্রম শিশুর জীবন রক্ষা ও স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসায় সহায়ক। তবে স্ট্রোকের প্রভাব শুধুমাত্র শারীরিক নয়; অনেক সময় মানসিক ও আচরণগত সমস্যা যেমন উদ্বেগ ও ডিপ্রেশনও দেখা দেয়।
বিশেষজ্ঞরা অভিভাবকদের আহ্বান জানিয়েছেন, শিশুদের মধ্যে স্ট্রোকের কোনো লক্ষণ দেখা দিলে তা অবিলম্বে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া জরুরি। সচেতনতা, সঠিক তথ্য এবং দ্রুত চিকিৎসা শিশুর জীবন রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জানুয়ারি ২০২৬
সাধারণত স্ট্রোককে বয়স্ক মানুষের রোগ হিসেবে ধরা হয়। তবে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, শিশুদেরও স্ট্রোক হতে পারে। শিশুদের স্ট্রোক বিরল হলেও ঘটলে তা সময়মতো শনাক্ত না হলে দীর্ঘমেয়াদী শারীরিক ও মানসিক প্রভাব ফেলতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতি ১০ লাখ শিশুর মধ্যে প্রায় ২.৫–১৩ জন স্ট্রোকের শিকার হতে পারে। শিশুদের স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়াতে পারে জন্মগত হৃদরোগ, রক্তের সমস্যা যেমন সিকল সেল ডিজিজ, রক্তনালির অস্বাভাবিক গঠন, মাথায় আঘাত বা সংক্রমণ। বয়সভিত্তিকভাবে এটি দুই ভাগে ভাগ করা যায় — জন্মের সময় বা প্রথম মাসে হওয়া ‘পেরিনেটাল স্ট্রোক’ এবং এক মাস থেকে ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত ‘চাইল্ডহুড স্ট্রোক’।
শিশুদের স্ট্রোকের লক্ষণ বড়দের মতো নয়। তবে কিছু সাধারণ লক্ষণ সতর্কতার সংকেত দিতে পারে। এর মধ্যে আছে শরীরের এক পাশে দুর্বলতা, হাত-পায়ের চলাচলে সমস্যা, মুখের এক পাশে ঝুলে যাওয়া, হঠাৎ কথা বলার অসুবিধা, ভারসাম্য হারানো বা দৃষ্টি ঝাপসা হওয়া এবং আচরণে পরিবর্তন বা নতুন খিঁচুনি দেখা দেওয়া।
চিকিৎসকরা সতর্ক করেছেন, স্ট্রোক হলে যত দ্রুত সঠিক চিকিৎসা শুরু করা যায়, ততই পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা বেশি। ফিজিওথেরাপি, ওষুধ এবং অন্যান্য পুনর্বাসন কার্যক্রম শিশুর জীবন রক্ষা ও স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসায় সহায়ক। তবে স্ট্রোকের প্রভাব শুধুমাত্র শারীরিক নয়; অনেক সময় মানসিক ও আচরণগত সমস্যা যেমন উদ্বেগ ও ডিপ্রেশনও দেখা দেয়।
বিশেষজ্ঞরা অভিভাবকদের আহ্বান জানিয়েছেন, শিশুদের মধ্যে স্ট্রোকের কোনো লক্ষণ দেখা দিলে তা অবিলম্বে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া জরুরি। সচেতনতা, সঠিক তথ্য এবং দ্রুত চিকিৎসা শিশুর জীবন রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আপনার মতামত লিখুন