আজ (রোববার) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, “এবারের আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কোনও গোঁজামিলের নির্বাচন হবে না” এবং তা সুষ্ঠু ও অবাধভাবে সম্পন্ন হবে বলে দৃষ্টি আকর্ষণযোগ্য আশ্বাস দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, এই বৈঠকটি ছিল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী‑এর একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে, যেখানে দলটির শীর্ষ নেতৃত্বরা অংশগ্রহণ করেন। জামায়াতের প্রতিনিধিদলকে নেতৃত্ব দেন জামায়াত‑এ‑ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, এবং দলের অন্যান্য প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের, মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং রফিকুল ইসলাম খান।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনুস নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ঘোষণা করেন যে অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রকে CCTV ক্যামেরা আওতায় আনা হবে, এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বডি ক্যামেরা রাখা হবে, যাতে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিক নজর রাখা ও ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
এছাড়া তিনি বলেন, ভোট ও গণভোট সফলভাবে করতে হলে রাজনৈতিক দলগুলোকে সহযোগিতা করতে হবে এবং যে কোনো অভিযোগ বা জরুরি তথ্য জানানো হলে তা দ্রুত নির্বাচন কমিশনের নজরে আনি। অভিযোগ পেয়েই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।
বৈঠক শেষে জামায়াত নেতারা জানান যে তারা আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবেন এবং একই সময়ে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে পাশাপাশি নিজ নিজ দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে সমান্তরাল প্রচারণা চালাবেন।
এতে অংশগ্রহণকারী দলগুলো সরকারের এই সহিংস‑বিচ্ছিন্ন পরিস্থিতিতে ভোটকে ব্যালান্স ও শান্তিপূর্ণ ভাবে সম্পন্ন করার প্রতিশ্রুতিকে স্বাগত জানিয়ে নিজেদের অংশগ্রহণের প্রস্তুতি জানায়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
আজ (রোববার) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, “এবারের আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কোনও গোঁজামিলের নির্বাচন হবে না” এবং তা সুষ্ঠু ও অবাধভাবে সম্পন্ন হবে বলে দৃষ্টি আকর্ষণযোগ্য আশ্বাস দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, এই বৈঠকটি ছিল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী‑এর একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে, যেখানে দলটির শীর্ষ নেতৃত্বরা অংশগ্রহণ করেন। জামায়াতের প্রতিনিধিদলকে নেতৃত্ব দেন জামায়াত‑এ‑ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, এবং দলের অন্যান্য প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের, মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং রফিকুল ইসলাম খান।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনুস নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ঘোষণা করেন যে অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রকে CCTV ক্যামেরা আওতায় আনা হবে, এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বডি ক্যামেরা রাখা হবে, যাতে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিক নজর রাখা ও ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
এছাড়া তিনি বলেন, ভোট ও গণভোট সফলভাবে করতে হলে রাজনৈতিক দলগুলোকে সহযোগিতা করতে হবে এবং যে কোনো অভিযোগ বা জরুরি তথ্য জানানো হলে তা দ্রুত নির্বাচন কমিশনের নজরে আনি। অভিযোগ পেয়েই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।
বৈঠক শেষে জামায়াত নেতারা জানান যে তারা আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবেন এবং একই সময়ে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে পাশাপাশি নিজ নিজ দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে সমান্তরাল প্রচারণা চালাবেন।
এতে অংশগ্রহণকারী দলগুলো সরকারের এই সহিংস‑বিচ্ছিন্ন পরিস্থিতিতে ভোটকে ব্যালান্স ও শান্তিপূর্ণ ভাবে সম্পন্ন করার প্রতিশ্রুতিকে স্বাগত জানিয়ে নিজেদের অংশগ্রহণের প্রস্তুতি জানায়।

আপনার মতামত লিখুন