কুড়িগ্রাম-৩ (উলিপুর) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী তার প্রার্থিতা পুনর্বহাল করে ফের ফিরে পেয়েছেন, যা নির্বাচন কমিশনের আপিল শুনানিতে বৈধ ঘোষণা করার মাধ্যমে নিশ্চিত হয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি রবিবার (১৮ জানুয়ারি ২০২৬) সন্ধ্যায় রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত আপিল শুনানির পর নেওয়া হয়।
শুনানিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন এবং সালেহীর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে তা বৈধ ঘোষণা করা হয়। ফলে তিনি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের যোগ্যতা ফিরে পেয়েছেন।
এর আগে প্রাথমিক পর্যায়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা সালেহীর মনোনয়নপত্রকে অবৈধ ঘোষণা করেছিলেন। তিনি যুক্তরাজ্যের (UK) সঙ্গে দ্বৈত নাগরিকত্বধারী বলে দাবি করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না দেখানো এবং সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে অসঙ্গতির কারণে মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল। এতে উলিপুরসহ কুড়িগ্রাম-৩ আসনে রাজনৈতিক উত্তেজনা দেখা দেয় এবং সমালোচনাও সৃষ্টি হয়।
মনোনয়ন বাতিলের পর সালেহী নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন, যেখানে তিনি নিজেকেই প্রার্থী হিসেবে বৈধ দাবি করার জন্য প্রয়োজনীয় নথি ও ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন। আজকের শুনানিতে কমিশন তার যুক্তি বিবেচনা করে এবং তাকে নির্বাচনী লড়াইয়ে অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, কুড়িগ্রাম-৩ আসনে বিএনপি, জামায়াতসহ অন্যান্য দলের প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে রেখেছেন, যেখানে মোট ৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। এই প্রেক্ষাপটে জামায়াত প্রার্থীর প্রার্থিতা ফিরে পাওয়া আসনটিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও তীব্র করবে বলে মত প্রকাশ করেছেন রাজনীতিক ও স্থানীয় পর্যায়ের বিশ্লেষকরা।
নির্বাচন কমিশনের আপিল শুনানি কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশব্যাপী কয়েকশ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র পুনর্বহাল করা হয়েছে, যেখানে প্রায় ৪০০ জনের মনোনয়নপত্র বিভিন্ন পর্যায়ে বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, আপিল প্রক্রিয়া কমিশনের নীতিগত দিকগুলোকে পুনরায় যাচাই করে অনেকে পুনরায় নির্বাচনে খেলার সুযোগ পাচ্ছেন।
সালেহীর প্রার্থিতা পুনর্বহাল সিদ্ধান্ত নেয়া পর থেকেই কুড়িগ্রাম-৩ এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে এবং স্থানীয় নেতাকর্মীরা প্রচারণা কার্যক্রম শুরু করেছেন। এ সিদ্ধান্তের ফলে আসনটিতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে বিরোধিতা ও শাসন–প্রশাসন নিয়ে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক ও সমালোচনার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
কুড়িগ্রাম-৩ (উলিপুর) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী তার প্রার্থিতা পুনর্বহাল করে ফের ফিরে পেয়েছেন, যা নির্বাচন কমিশনের আপিল শুনানিতে বৈধ ঘোষণা করার মাধ্যমে নিশ্চিত হয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি রবিবার (১৮ জানুয়ারি ২০২৬) সন্ধ্যায় রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত আপিল শুনানির পর নেওয়া হয়।
শুনানিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন এবং সালেহীর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে তা বৈধ ঘোষণা করা হয়। ফলে তিনি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের যোগ্যতা ফিরে পেয়েছেন।
এর আগে প্রাথমিক পর্যায়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা সালেহীর মনোনয়নপত্রকে অবৈধ ঘোষণা করেছিলেন। তিনি যুক্তরাজ্যের (UK) সঙ্গে দ্বৈত নাগরিকত্বধারী বলে দাবি করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না দেখানো এবং সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে অসঙ্গতির কারণে মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল। এতে উলিপুরসহ কুড়িগ্রাম-৩ আসনে রাজনৈতিক উত্তেজনা দেখা দেয় এবং সমালোচনাও সৃষ্টি হয়।
মনোনয়ন বাতিলের পর সালেহী নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন, যেখানে তিনি নিজেকেই প্রার্থী হিসেবে বৈধ দাবি করার জন্য প্রয়োজনীয় নথি ও ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন। আজকের শুনানিতে কমিশন তার যুক্তি বিবেচনা করে এবং তাকে নির্বাচনী লড়াইয়ে অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, কুড়িগ্রাম-৩ আসনে বিএনপি, জামায়াতসহ অন্যান্য দলের প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে রেখেছেন, যেখানে মোট ৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। এই প্রেক্ষাপটে জামায়াত প্রার্থীর প্রার্থিতা ফিরে পাওয়া আসনটিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও তীব্র করবে বলে মত প্রকাশ করেছেন রাজনীতিক ও স্থানীয় পর্যায়ের বিশ্লেষকরা।
নির্বাচন কমিশনের আপিল শুনানি কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশব্যাপী কয়েকশ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র পুনর্বহাল করা হয়েছে, যেখানে প্রায় ৪০০ জনের মনোনয়নপত্র বিভিন্ন পর্যায়ে বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, আপিল প্রক্রিয়া কমিশনের নীতিগত দিকগুলোকে পুনরায় যাচাই করে অনেকে পুনরায় নির্বাচনে খেলার সুযোগ পাচ্ছেন।
সালেহীর প্রার্থিতা পুনর্বহাল সিদ্ধান্ত নেয়া পর থেকেই কুড়িগ্রাম-৩ এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে এবং স্থানীয় নেতাকর্মীরা প্রচারণা কার্যক্রম শুরু করেছেন। এ সিদ্ধান্তের ফলে আসনটিতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে বিরোধিতা ও শাসন–প্রশাসন নিয়ে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক ও সমালোচনার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন