বরগুনা-২ (বামনা, পাথরঘাটা, বেতাগী) আসনে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটেছে। এখানে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী প্রার্থীর মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় পাথরঘাটা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই সহিংসতায় উভয়পক্ষের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়।
মামলায় জামায়াতের চার নেতা, যার মধ্যে পৌর আমির বজলুর রহমানও রয়েছেন, আদালতের আদেশে জামিন নামঞ্জুর হয়ে বরগুনা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। একই মামলায় বিএনপির তিন নেতার জামিন মঞ্জুর করা হয়েছে। আদালতের এই আদেশ পাথরঘাটা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পনির শেখ দিয়েছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গভীর রাতে যৌথবাহিনীর অভিযান চালিয়ে জামায়াত ও বিএনপির ছয় নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। এদের মধ্যে ছিলেন আবুল কালাম আজাদ, ওমর সানী, নাসির চৌধুরী, আব্দুর রহমান, নাসির শেখ ও মোস্তফা হাওলাদার।
ঘটনার মূল সূচনা ঘটে গত ১৩ জানুয়ারি, চরদুয়ানী ইউনিয়নের খলিফারহাট চৌরাস্তা এলাকায় জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ফলে দুইজন গুরুতর আহত হন। এর পর পাথরঘাটা থানায় ৫৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।
পাথরঘাটা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: শাহেদ আহমেদ চৌধুরী জানিয়েছেন, আসন্ন সংসদীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এলাকায় একাধিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে পুলিশ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে এবং আটক ব্যক্তিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
বরগুনা-২ (বামনা, পাথরঘাটা, বেতাগী) আসনে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটেছে। এখানে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী প্রার্থীর মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় পাথরঘাটা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই সহিংসতায় উভয়পক্ষের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়।
মামলায় জামায়াতের চার নেতা, যার মধ্যে পৌর আমির বজলুর রহমানও রয়েছেন, আদালতের আদেশে জামিন নামঞ্জুর হয়ে বরগুনা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। একই মামলায় বিএনপির তিন নেতার জামিন মঞ্জুর করা হয়েছে। আদালতের এই আদেশ পাথরঘাটা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পনির শেখ দিয়েছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গভীর রাতে যৌথবাহিনীর অভিযান চালিয়ে জামায়াত ও বিএনপির ছয় নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। এদের মধ্যে ছিলেন আবুল কালাম আজাদ, ওমর সানী, নাসির চৌধুরী, আব্দুর রহমান, নাসির শেখ ও মোস্তফা হাওলাদার।
ঘটনার মূল সূচনা ঘটে গত ১৩ জানুয়ারি, চরদুয়ানী ইউনিয়নের খলিফারহাট চৌরাস্তা এলাকায় জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ফলে দুইজন গুরুতর আহত হন। এর পর পাথরঘাটা থানায় ৫৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।
পাথরঘাটা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: শাহেদ আহমেদ চৌধুরী জানিয়েছেন, আসন্ন সংসদীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এলাকায় একাধিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে পুলিশ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে এবং আটক ব্যক্তিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন