ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কের ত্রিশাল অংশে যাত্রী ও পথচারীদের নজর কেড়েছে দরিরামপুর বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন নবনির্মিত ও নান্দনিকভাবে সাজানো ফুট ওভারব্রিজ। একসময় পোস্টার, ব্যানার, ময়লা-আবর্জনা ও অবৈধ দখলের কারণে অবহেলিত এই ওভারব্রিজটি এখন ত্রিশাল উপজেলার অন্যতম ল্যান্ডমার্কে পরিণত হয়েছে।
ত্রিশাল শুধু একটি উপজেলা নয়, বৃহত্তর ময়মনসিংহ বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার হিসেবেও পরিচিত। নেত্রকোনা, জামালপুর ও শেরপুর জেলার লাখো মানুষ প্রতিদিন এই সড়ক ব্যবহার করে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাতায়াত করেন। দূরপাল্লার বাস, পণ্যবাহী যান ও ব্যক্তিগত গাড়ির যাত্রীরা ত্রিশাল অতিক্রমের সময় দৃষ্টিনন্দন এই ফুট ওভারব্রিজের মাধ্যমে এক ধরনের ইতিবাচক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও নিয়মিত যাত্রীরা জানান, আগে ওভারব্রিজটি ব্যবহার করতে ভয় ও বিরক্তি কাজ করত। ময়লা, পোস্টার আর অবৈধ দোকানপাটের কারণে চলাচল ছিল ঝুঁকিপূর্ণ। বর্তমানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও সৌন্দর্যবর্ধনের ফলে মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে ও নিরাপদে ওভারব্রিজটি ব্যবহার করতে পারছেন। এতে সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকিও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরাফাত সিদ্দিকী বলেন, “কাজটি আকারে ছোট হলেও স্বপ্নটা ছিল বড়। ত্রিশালে যোগদানের পরপরই এই জীর্ণ ও অবহেলিত ফুট ওভারব্রিজটি আমার নজরে আসে। তখন এটি আবর্জনা, পোস্টার ও অবৈধ দখলে ভরে ছিল। প্রথমে উচ্ছেদ অভিযান ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করি। পরে ধাপে ধাপে সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ সম্পন্ন করা হয়। এখন এই সুন্দর পরিবেশ রক্ষা করার দায়িত্ব সবার।”
সচেতন মহলের মতে, এই উদ্যোগ শুধু একটি ফুট ওভারব্রিজের চেহারা বদলায়নি, বরং ত্রিশালের সামগ্রিক ভাবমূর্তিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। তারা আশা করছেন, জনগণের সহযোগিতায় এই সৌন্দর্য দীর্ঘদিন ধরে বজায় থাকবে এবং ভবিষ্যতে উপজেলার অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাতেও এমন উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এখন এই ফুট ওভারব্রিজ শুধু যাতায়াতের মাধ্যম নয়, ত্রিশালের পরিচয় ও গর্বের প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কের ত্রিশাল অংশে যাত্রী ও পথচারীদের নজর কেড়েছে দরিরামপুর বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন নবনির্মিত ও নান্দনিকভাবে সাজানো ফুট ওভারব্রিজ। একসময় পোস্টার, ব্যানার, ময়লা-আবর্জনা ও অবৈধ দখলের কারণে অবহেলিত এই ওভারব্রিজটি এখন ত্রিশাল উপজেলার অন্যতম ল্যান্ডমার্কে পরিণত হয়েছে।
ত্রিশাল শুধু একটি উপজেলা নয়, বৃহত্তর ময়মনসিংহ বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার হিসেবেও পরিচিত। নেত্রকোনা, জামালপুর ও শেরপুর জেলার লাখো মানুষ প্রতিদিন এই সড়ক ব্যবহার করে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাতায়াত করেন। দূরপাল্লার বাস, পণ্যবাহী যান ও ব্যক্তিগত গাড়ির যাত্রীরা ত্রিশাল অতিক্রমের সময় দৃষ্টিনন্দন এই ফুট ওভারব্রিজের মাধ্যমে এক ধরনের ইতিবাচক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও নিয়মিত যাত্রীরা জানান, আগে ওভারব্রিজটি ব্যবহার করতে ভয় ও বিরক্তি কাজ করত। ময়লা, পোস্টার আর অবৈধ দোকানপাটের কারণে চলাচল ছিল ঝুঁকিপূর্ণ। বর্তমানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও সৌন্দর্যবর্ধনের ফলে মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে ও নিরাপদে ওভারব্রিজটি ব্যবহার করতে পারছেন। এতে সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকিও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরাফাত সিদ্দিকী বলেন, “কাজটি আকারে ছোট হলেও স্বপ্নটা ছিল বড়। ত্রিশালে যোগদানের পরপরই এই জীর্ণ ও অবহেলিত ফুট ওভারব্রিজটি আমার নজরে আসে। তখন এটি আবর্জনা, পোস্টার ও অবৈধ দখলে ভরে ছিল। প্রথমে উচ্ছেদ অভিযান ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করি। পরে ধাপে ধাপে সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ সম্পন্ন করা হয়। এখন এই সুন্দর পরিবেশ রক্ষা করার দায়িত্ব সবার।”
সচেতন মহলের মতে, এই উদ্যোগ শুধু একটি ফুট ওভারব্রিজের চেহারা বদলায়নি, বরং ত্রিশালের সামগ্রিক ভাবমূর্তিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। তারা আশা করছেন, জনগণের সহযোগিতায় এই সৌন্দর্য দীর্ঘদিন ধরে বজায় থাকবে এবং ভবিষ্যতে উপজেলার অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাতেও এমন উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এখন এই ফুট ওভারব্রিজ শুধু যাতায়াতের মাধ্যম নয়, ত্রিশালের পরিচয় ও গর্বের প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন