আগামী ২০২৬ ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপকে সামনে রেখে টিকিট বরাদ্দ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে দেশের ফুটবল অঙ্গনে। ফিফার নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) এবার সর্বোচ্চ ৩৩০টি টিকিট কেনার সুযোগ পাবে।
বাফুফে সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ যেহেতু বিশ্বকাপের মূল পর্বে অংশগ্রহণকারী দেশ নয়, তাই নন-প্লেয়িং কান্ট্রি হিসেবে এই সীমিত সংখ্যক টিকিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। টিকিটগুলো ফিফা কর্তৃক নির্ধারিত বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পাওয়া যাবে এবং বাফুফে নিজস্ব নীতিমালার ভিত্তিতে এগুলোর বণ্টন করবে।
সূত্র জানায়, টিকিটের জন্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন গ্রহণ করা হবে। সাবেক ফুটবলার, ক্রীড়া সংগঠক, ক্লাব কর্মকর্তা, পৃষ্ঠপোষক এবং সীমিতসংখ্যক সাধারণ ফুটবলপ্রেমী এই টিকিটের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদন ও বণ্টন প্রক্রিয়ার বিস্তারিত তথ্য পরবর্তীতে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।
স্বল্পসংখ্যক টিকিট বরাদ্দ হওয়ায় ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই এই সংখ্যাকে অপ্রতুল মনে করলেও বাফুফে কর্মকর্তারা বলছেন, এটি ফিফার নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত এবং এখানে ফেডারেশনের নিজস্ব সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ নেই।
বিশ্বকাপের মতো মর্যাদাপূর্ণ আসরে সীমিত সংখ্যক টিকিট পাওয়া বাংলাদেশের ফুটবলের বর্তমান অবস্থানকেই তুলে ধরে। বিশ্লেষকদের মতে, ভবিষ্যতে জাতীয় দল যদি বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে পারে, তাহলে টিকিট বরাদ্দসহ আন্তর্জাতিক মর্যাদাও বাড়বে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
আগামী ২০২৬ ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপকে সামনে রেখে টিকিট বরাদ্দ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে দেশের ফুটবল অঙ্গনে। ফিফার নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) এবার সর্বোচ্চ ৩৩০টি টিকিট কেনার সুযোগ পাবে।
বাফুফে সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ যেহেতু বিশ্বকাপের মূল পর্বে অংশগ্রহণকারী দেশ নয়, তাই নন-প্লেয়িং কান্ট্রি হিসেবে এই সীমিত সংখ্যক টিকিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। টিকিটগুলো ফিফা কর্তৃক নির্ধারিত বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পাওয়া যাবে এবং বাফুফে নিজস্ব নীতিমালার ভিত্তিতে এগুলোর বণ্টন করবে।
সূত্র জানায়, টিকিটের জন্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন গ্রহণ করা হবে। সাবেক ফুটবলার, ক্রীড়া সংগঠক, ক্লাব কর্মকর্তা, পৃষ্ঠপোষক এবং সীমিতসংখ্যক সাধারণ ফুটবলপ্রেমী এই টিকিটের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদন ও বণ্টন প্রক্রিয়ার বিস্তারিত তথ্য পরবর্তীতে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।
স্বল্পসংখ্যক টিকিট বরাদ্দ হওয়ায় ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই এই সংখ্যাকে অপ্রতুল মনে করলেও বাফুফে কর্মকর্তারা বলছেন, এটি ফিফার নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত এবং এখানে ফেডারেশনের নিজস্ব সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ নেই।
বিশ্বকাপের মতো মর্যাদাপূর্ণ আসরে সীমিত সংখ্যক টিকিট পাওয়া বাংলাদেশের ফুটবলের বর্তমান অবস্থানকেই তুলে ধরে। বিশ্লেষকদের মতে, ভবিষ্যতে জাতীয় দল যদি বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে পারে, তাহলে টিকিট বরাদ্দসহ আন্তর্জাতিক মর্যাদাও বাড়বে।

আপনার মতামত লিখুন