পটুয়াখালীর গলাচিপায় নাসরিন আক্তার (২৮) নামে দুই সন্তানের মা তার বাসায় ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহ পাওয়া গেছে। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাত ১১টার দিকে গলাচিপা পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সামুদাবাদ রোডের একটি ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।
থানার সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘরের একটি কক্ষের দরজা ভিতর থেকে আটকে থাকা অবস্থায় পায়। দরজার ছিটকিনি ভেঙে প্রবেশ করলে নাসরিনের মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। মরদেহ পরে গলাচিপা থানায় নেয়া হয়েছে।
প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, ঘটনার সময় নিহত নারীর স্বামী রেজাউল করিম (৩৮) ও তাদের দুই সন্তান বাসার পাশের কক্ষে ছিলেন। রেজাউল করিম এনজিও ‘আশা’র গলাচিপা শাখায় মাঠকর্মী হিসেবে কর্মরত। তার পরিবারের সঙ্গে তিনি সামুদাবাদ রোডে ভাড়া বাসায় থাকতেন।
গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ জিল্লুর রহমান জানান, মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয়ের জন্য মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
পটুয়াখালীর গলাচিপায় নাসরিন আক্তার (২৮) নামে দুই সন্তানের মা তার বাসায় ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহ পাওয়া গেছে। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাত ১১টার দিকে গলাচিপা পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সামুদাবাদ রোডের একটি ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।
থানার সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘরের একটি কক্ষের দরজা ভিতর থেকে আটকে থাকা অবস্থায় পায়। দরজার ছিটকিনি ভেঙে প্রবেশ করলে নাসরিনের মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। মরদেহ পরে গলাচিপা থানায় নেয়া হয়েছে।
প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, ঘটনার সময় নিহত নারীর স্বামী রেজাউল করিম (৩৮) ও তাদের দুই সন্তান বাসার পাশের কক্ষে ছিলেন। রেজাউল করিম এনজিও ‘আশা’র গলাচিপা শাখায় মাঠকর্মী হিসেবে কর্মরত। তার পরিবারের সঙ্গে তিনি সামুদাবাদ রোডে ভাড়া বাসায় থাকতেন।
গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ জিল্লুর রহমান জানান, মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয়ের জন্য মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন