ডায়াবেটিস রোগীদের খাদ্যাভ্যাস নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে বিশেষজ্ঞদের সতর্কতা নতুন করে আলোড়ন তৈরি করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সম্পূর্ণ ফল খাওয়া ফলের রসের চেয়ে অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর। কারণ, সম্পূর্ণ ফলের মধ্যে থাকা ফাইবার রক্তে শর্করার মাত্রা ধীরে ধীরে ছড়িয়ে দেয়, যা হঠাৎ করে রক্তে গ্লুকোজ বাড়ার ঝুঁকি কমায়।
যারা নিয়মিত সপ্তাহে পূর্ণ ফল খান, তাদের টাইপ‑২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে কম থাকে। এছাড়াও, সম্পূর্ণ ফল ভিটামিন, মিনারেল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সরবরাহ করে, যা সার্বিক স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। পুষ্টিবিদরা বিশেষভাবে সতর্ক করছেন, বাজারজাত ফলের রস বা জুসে প্রায়শই ফাইবার থাকে না এবং এতে অতিরিক্ত চিনি থাকলে তা রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়িয়ে দেয়।
ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেছেন, 100% প্রাকৃতিক ফলের রস অল্প পরিমাণে কিছু পুষ্টি দিতে পারে, তবে এটি প্রতিদিনের প্রধান খাদ্য হিসেবে নেওয়া উচিত নয়। সম্পূর্ণ ফল খেলে বেশি সন্তোষবোধ হয়, যা অতিরিক্ত খাওয়া কমায়। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা রোজ রসের পরিবর্তে পুরো ফল খাচ্ছেন, তাদের টাইপ‑২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, ডায়াবেটিস রোগীদের কম ফাইবারযুক্ত ফল যেমন আপেল, পেয়ারা, বেরি ধরনের ফল খাওয়া নিরাপদ। উচ্চ গ্লাইসেমিক ফল বা অতিরিক্ত চিনি যুক্ত জুস এড়ানো উচিত। এছাড়াও, ফল খাওয়ার সময় প্রোটিন বা আঁশযুক্ত খাবারের সঙ্গে খেলে রক্তে শর্করার স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি পায়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য পুরো ফল খাওয়া সবচেয়ে উপকারী। ফলের রস কেবলমাত্র ছোট পরিমাণে এবং 100% প্রাকৃতিক হলে গ্রহণযোগ্য। সঠিক ফল বাছাই ও নিয়মিত ফল খাওয়া ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জানুয়ারি ২০২৬
ডায়াবেটিস রোগীদের খাদ্যাভ্যাস নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে বিশেষজ্ঞদের সতর্কতা নতুন করে আলোড়ন তৈরি করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সম্পূর্ণ ফল খাওয়া ফলের রসের চেয়ে অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর। কারণ, সম্পূর্ণ ফলের মধ্যে থাকা ফাইবার রক্তে শর্করার মাত্রা ধীরে ধীরে ছড়িয়ে দেয়, যা হঠাৎ করে রক্তে গ্লুকোজ বাড়ার ঝুঁকি কমায়।
যারা নিয়মিত সপ্তাহে পূর্ণ ফল খান, তাদের টাইপ‑২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে কম থাকে। এছাড়াও, সম্পূর্ণ ফল ভিটামিন, মিনারেল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সরবরাহ করে, যা সার্বিক স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। পুষ্টিবিদরা বিশেষভাবে সতর্ক করছেন, বাজারজাত ফলের রস বা জুসে প্রায়শই ফাইবার থাকে না এবং এতে অতিরিক্ত চিনি থাকলে তা রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়িয়ে দেয়।
ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেছেন, 100% প্রাকৃতিক ফলের রস অল্প পরিমাণে কিছু পুষ্টি দিতে পারে, তবে এটি প্রতিদিনের প্রধান খাদ্য হিসেবে নেওয়া উচিত নয়। সম্পূর্ণ ফল খেলে বেশি সন্তোষবোধ হয়, যা অতিরিক্ত খাওয়া কমায়। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা রোজ রসের পরিবর্তে পুরো ফল খাচ্ছেন, তাদের টাইপ‑২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, ডায়াবেটিস রোগীদের কম ফাইবারযুক্ত ফল যেমন আপেল, পেয়ারা, বেরি ধরনের ফল খাওয়া নিরাপদ। উচ্চ গ্লাইসেমিক ফল বা অতিরিক্ত চিনি যুক্ত জুস এড়ানো উচিত। এছাড়াও, ফল খাওয়ার সময় প্রোটিন বা আঁশযুক্ত খাবারের সঙ্গে খেলে রক্তে শর্করার স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি পায়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য পুরো ফল খাওয়া সবচেয়ে উপকারী। ফলের রস কেবলমাত্র ছোট পরিমাণে এবং 100% প্রাকৃতিক হলে গ্রহণযোগ্য। সঠিক ফল বাছাই ও নিয়মিত ফল খাওয়া ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন