যশোর সদর উপজেলার রাজারহাট এলাকায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) এক বিশেষ অভিযানে ১৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই রোহিঙ্গা নারী মাদককারবারিকে আটক করা হয়েছে।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকালে রাজারহাট মোড় সংলগ্ন বি. কে. সিটি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট এলাকায় ডিএনসি যশোর জেলা কার্যালয়ের একটি বিশেষ আভিযানিক দল এই তল্লাশি চালায়। আটককৃতরা কক্সবাজারের উখিয়া থানাধীন কুতুপালং রেজিস্টার্ড ক্যাম্পের বাসিন্দা বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
ডিএনসি সূত্র জানিয়েছে, কক্সবাজার থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান যশোরে পৌঁছাবে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সংস্থাটির গোয়েন্দা দল বেশ কিছুদিন ধরে নজরদারি চালাচ্ছিল। বুধবার সকালে রাজারহাট এলাকায় ওই দুই নারীর গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে নারী কর্মকর্তাদের সহায়তায় তাদের দেহ তল্লাশি করা হয়। এসময় একজনের কাছ থেকে ৮ হাজার এবং অপরজনের কাছ থেকে ৬ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
ডিএনসি যশোর জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক পারভীন আখতার জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা স্বীকার করেছেন যে তারা রোহিঙ্গা নাগরিক এবং কুতুপালং ক্যাম্প থেকে এই মাদক নিয়ে যশোরে এসেছিলেন। স্থানীয় কিছু মাদক ব্যবসায়ীর কাছে এই বড় চালানটি পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাদের।
পারভীন আখতার আরও উল্লেখ করেন, এই পাচার চক্রের পেছনে একটি শক্তিশালী সংঘবদ্ধ গোষ্ঠী সক্রিয় রয়েছে। আটককৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এই চক্রের মূল হোতা ও অন্য সদস্যদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।
অভিযানটি কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আটক নারীদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের যশোর সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জানুয়ারি ২০২৬
যশোর সদর উপজেলার রাজারহাট এলাকায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) এক বিশেষ অভিযানে ১৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই রোহিঙ্গা নারী মাদককারবারিকে আটক করা হয়েছে।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকালে রাজারহাট মোড় সংলগ্ন বি. কে. সিটি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট এলাকায় ডিএনসি যশোর জেলা কার্যালয়ের একটি বিশেষ আভিযানিক দল এই তল্লাশি চালায়। আটককৃতরা কক্সবাজারের উখিয়া থানাধীন কুতুপালং রেজিস্টার্ড ক্যাম্পের বাসিন্দা বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
ডিএনসি সূত্র জানিয়েছে, কক্সবাজার থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান যশোরে পৌঁছাবে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সংস্থাটির গোয়েন্দা দল বেশ কিছুদিন ধরে নজরদারি চালাচ্ছিল। বুধবার সকালে রাজারহাট এলাকায় ওই দুই নারীর গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে নারী কর্মকর্তাদের সহায়তায় তাদের দেহ তল্লাশি করা হয়। এসময় একজনের কাছ থেকে ৮ হাজার এবং অপরজনের কাছ থেকে ৬ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
ডিএনসি যশোর জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক পারভীন আখতার জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা স্বীকার করেছেন যে তারা রোহিঙ্গা নাগরিক এবং কুতুপালং ক্যাম্প থেকে এই মাদক নিয়ে যশোরে এসেছিলেন। স্থানীয় কিছু মাদক ব্যবসায়ীর কাছে এই বড় চালানটি পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাদের।
পারভীন আখতার আরও উল্লেখ করেন, এই পাচার চক্রের পেছনে একটি শক্তিশালী সংঘবদ্ধ গোষ্ঠী সক্রিয় রয়েছে। আটককৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এই চক্রের মূল হোতা ও অন্য সদস্যদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।
অভিযানটি কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আটক নারীদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের যশোর সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন