হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় ফসলি জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি ও বালু উত্তোলনকারী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করা হয়েছে। ফসলি জমি নষ্ট করা বা অবৈধভাবে মাটি বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে সরাসরি কারাদণ্ড দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
অভিযান প্রসঙ্গে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মাহবুবুল ইসলাম বলেন, মাটি ও বালু খেকো সিন্ডিকেট দমনে উপজেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এই সিন্ডিকেট পুরোপুরি নির্মূল করতে হলে সাধারণ মানুষসহ স্থানীয় সামাজিক কাঠামোর সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি। তিনি বলেন, লোভের বশে যারা নিজেদের ফসলি জমির মাটি বিক্রি করছেন, তাদের দায়ও এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। পরিবেশ ও মাটির ক্ষতি রোধে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
তিনি আরও জানান, আগে জরিমানার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করা হলেও তা অপরাধীদের নিবৃত্ত করতে ব্যর্থ হয়েছে। সে কারণেই এখন থেকে আর কোনো জরিমানা নয়, ফসলি জমি নষ্ট করার অপরাধে সরাসরি কারাদণ্ড দেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি।
উপজেলা প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থানে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় কৃষকেরা। কৃষক রফিকুল ইসলাম বলেন, আগে লোভ দেখিয়ে অনেকেই জমির মাটি কেটে নিয়ে যেত। এখন প্রশাসন সরাসরি মাঠে নেমে অভিযান চালাচ্ছে, এতে আমাদের মধ্যে নিরাপত্তার অনুভূতি ফিরে এসেছে। ফসলি জমি রক্ষা পেলে ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তাও নিশ্চিত হবে।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, মাটির উর্বরতা নষ্ট হলে শুধু বর্তমান নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তাও হুমকির মুখে পড়বে। তারা মনে করেন, প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের সক্রিয় সহযোগিতা থাকলে মাটি ও বালু খেকো সিন্ডিকেট পুরোপুরি দমন করা সম্ভব।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর নেতৃত্বে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে বুধবার জয়নাবাদ ও লামাতাসি ইউনিয়নের শিমুলিয়াম ও পুটিজুরি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। প্রশাসন জানিয়েছে, এসব এলাকায় কোনো ধরনের অবৈধ কার্যক্রম বরদাশত করা হবে না।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জানুয়ারি ২০২৬
হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় ফসলি জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি ও বালু উত্তোলনকারী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করা হয়েছে। ফসলি জমি নষ্ট করা বা অবৈধভাবে মাটি বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে সরাসরি কারাদণ্ড দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
অভিযান প্রসঙ্গে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মাহবুবুল ইসলাম বলেন, মাটি ও বালু খেকো সিন্ডিকেট দমনে উপজেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এই সিন্ডিকেট পুরোপুরি নির্মূল করতে হলে সাধারণ মানুষসহ স্থানীয় সামাজিক কাঠামোর সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি। তিনি বলেন, লোভের বশে যারা নিজেদের ফসলি জমির মাটি বিক্রি করছেন, তাদের দায়ও এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। পরিবেশ ও মাটির ক্ষতি রোধে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
তিনি আরও জানান, আগে জরিমানার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করা হলেও তা অপরাধীদের নিবৃত্ত করতে ব্যর্থ হয়েছে। সে কারণেই এখন থেকে আর কোনো জরিমানা নয়, ফসলি জমি নষ্ট করার অপরাধে সরাসরি কারাদণ্ড দেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি।
উপজেলা প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থানে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় কৃষকেরা। কৃষক রফিকুল ইসলাম বলেন, আগে লোভ দেখিয়ে অনেকেই জমির মাটি কেটে নিয়ে যেত। এখন প্রশাসন সরাসরি মাঠে নেমে অভিযান চালাচ্ছে, এতে আমাদের মধ্যে নিরাপত্তার অনুভূতি ফিরে এসেছে। ফসলি জমি রক্ষা পেলে ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তাও নিশ্চিত হবে।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, মাটির উর্বরতা নষ্ট হলে শুধু বর্তমান নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তাও হুমকির মুখে পড়বে। তারা মনে করেন, প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের সক্রিয় সহযোগিতা থাকলে মাটি ও বালু খেকো সিন্ডিকেট পুরোপুরি দমন করা সম্ভব।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর নেতৃত্বে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে বুধবার জয়নাবাদ ও লামাতাসি ইউনিয়নের শিমুলিয়াম ও পুটিজুরি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। প্রশাসন জানিয়েছে, এসব এলাকায় কোনো ধরনের অবৈধ কার্যক্রম বরদাশত করা হবে না।

আপনার মতামত লিখুন