আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা‑১ (সদর) আসন থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী গোলাম নবী আলমগীর তার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। সোমবার (১২ জানুয়ারী ২০২৬) বিকেলে তিনি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন করেন এবং তা গ্রহণ করা হয়েছে। এতে তিনি ওই আসনের নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের ফলে ভোলা‑১ আসনে বিএনপি‑নেতৃত্বাধীন জোটের সমর্থিত চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য আন্দালিব রহমান পার্থ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। পার্থকে জন্যই বিএনপি এই আসনটি ছাড় দিয়েছে বলে নির্বাচন প্রক্রিয়া সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।
জেলায় মোট নয়জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। যাচাই-বাছাই শেষে জাতীয় পার্টির আকবর হোসাইন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. রফিজুল হোসাইন-এর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে, এবং বাকিরা এখনো প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
আন্দালিব রহমান পার্থ পূর্বেও ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা‑১ আসন থেকে জোটের প্রার্থী হয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। বিগত নির্বাচনে তিনি এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ভূমিকা রেখেছেন, এবং এই নির্বাচনে জোটের সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে তাঁর অংশগ্রহণ সমর্থক মহলে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
স্থানীয় নির্বাচনী অফিস থেকে জানা গেছে, মনোনয়ন প্রত্যাহার করা সত্ত্বেও বর্তমান নির্বাচনী সময়সূচিতে পরিবর্তন হয়নি এবং মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত প্রার্থী অংশ নিতে পারবেন।
ভোলা‑১ আসনে বর্তমানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, গণঅধিকার পরিষদ, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) ও ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ‑এর মনোনীত প্রার্থীরা। তবে সবচেয়ে গোটা বিষয়টি এবার পার্থের অংশগ্রহণকে কেন্দ্র করে উৎসাহ‑উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে।
এটা উল্লেখযোগ্য যে, বিএনপি দীর্ঘমেয়াদি নির্বাচনী প্রস্তুতির অংশ হিসেবে কিছু নির্বাচনী আসন তাদের শরিকদের জন্য ছেড়ে দিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ভোলা‑১ আসনে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মন্তব্য করছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জানুয়ারি ২০২৬
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা‑১ (সদর) আসন থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী গোলাম নবী আলমগীর তার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। সোমবার (১২ জানুয়ারী ২০২৬) বিকেলে তিনি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন করেন এবং তা গ্রহণ করা হয়েছে। এতে তিনি ওই আসনের নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের ফলে ভোলা‑১ আসনে বিএনপি‑নেতৃত্বাধীন জোটের সমর্থিত চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য আন্দালিব রহমান পার্থ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। পার্থকে জন্যই বিএনপি এই আসনটি ছাড় দিয়েছে বলে নির্বাচন প্রক্রিয়া সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।
জেলায় মোট নয়জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। যাচাই-বাছাই শেষে জাতীয় পার্টির আকবর হোসাইন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. রফিজুল হোসাইন-এর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে, এবং বাকিরা এখনো প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
আন্দালিব রহমান পার্থ পূর্বেও ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা‑১ আসন থেকে জোটের প্রার্থী হয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। বিগত নির্বাচনে তিনি এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ভূমিকা রেখেছেন, এবং এই নির্বাচনে জোটের সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে তাঁর অংশগ্রহণ সমর্থক মহলে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
স্থানীয় নির্বাচনী অফিস থেকে জানা গেছে, মনোনয়ন প্রত্যাহার করা সত্ত্বেও বর্তমান নির্বাচনী সময়সূচিতে পরিবর্তন হয়নি এবং মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত প্রার্থী অংশ নিতে পারবেন।
ভোলা‑১ আসনে বর্তমানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, গণঅধিকার পরিষদ, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) ও ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ‑এর মনোনীত প্রার্থীরা। তবে সবচেয়ে গোটা বিষয়টি এবার পার্থের অংশগ্রহণকে কেন্দ্র করে উৎসাহ‑উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে।
এটা উল্লেখযোগ্য যে, বিএনপি দীর্ঘমেয়াদি নির্বাচনী প্রস্তুতির অংশ হিসেবে কিছু নির্বাচনী আসন তাদের শরিকদের জন্য ছেড়ে দিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ভোলা‑১ আসনে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মন্তব্য করছেন।

আপনার মতামত লিখুন