গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দ্রুতই রাজধানী তেহরান ছাড়িয়ে ইরানের বিভিন্ন প্রদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। বিক্ষোভকারীরা রাজনৈতিক স্বাধীনতা, অর্থনৈতিক সংকট নিরসন এবং সরকারের দমননীতি বন্ধের দাবি জানিয়ে রাস্তায় নেমেছেন।
মানবাধিকার সংগঠনগুলোর হিসাব অনুযায়ী, চলমান সহিংসতায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৬৫ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে বিক্ষোভকারী, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য এবং সরকার-সংশ্লিষ্ট বেসামরিক নাগরিকও রয়েছেন। একই সময়ে প্রায় ২ হাজার ৪০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তেহরানের কয়েকটি হাসপাতালে শতাধিক মৃত্যুর নথি পাওয়া গেছে বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে। তবে দেশজুড়ে ইন্টারনেট ও যোগাযোগব্যবস্থা বন্ধ থাকায় নিহত ও আহতের প্রকৃত সংখ্যা নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না।
ডিজিটাল অধিকার সংগঠনগুলো বলছে, ইন্টারনেট বিচ্ছিন্নতা জনগণের কণ্ঠরোধের কৌশল এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে পরিস্থিতি থেকে অন্ধকারে রাখার একটি প্রচেষ্টা।
ইরানের সেনাবাহিনী ও নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশের বিরুদ্ধে “শত্রুর ষড়যন্ত্র” চলছে এবং প্রয়োজনে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি অভিযোগ করেছেন, এই বিক্ষোভে বিদেশি শক্তি—বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র—উসকানি দিচ্ছে।
এদিকে আন্তর্জাতিক মহল পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি পশ্চিমা দেশ বিক্ষোভকারীদের দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। তবে সরকারের কঠোর অবস্থান পরিস্থিতিকে আরও জটিল ও অস্থিতিশীল করে তুলছে বলে বিশ্লেষকদের মত।
বর্তমানে ইরান এক ভয়াবহ অচলাবস্থার মধ্যে রয়েছে। নিহতের সংখ্যা বাড়ছে, গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার কারণে প্রকৃত পরিস্থিতি এখনও অনেকটাই অজানা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জানুয়ারি ২০২৬
গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দ্রুতই রাজধানী তেহরান ছাড়িয়ে ইরানের বিভিন্ন প্রদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। বিক্ষোভকারীরা রাজনৈতিক স্বাধীনতা, অর্থনৈতিক সংকট নিরসন এবং সরকারের দমননীতি বন্ধের দাবি জানিয়ে রাস্তায় নেমেছেন।
মানবাধিকার সংগঠনগুলোর হিসাব অনুযায়ী, চলমান সহিংসতায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৬৫ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে বিক্ষোভকারী, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য এবং সরকার-সংশ্লিষ্ট বেসামরিক নাগরিকও রয়েছেন। একই সময়ে প্রায় ২ হাজার ৪০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তেহরানের কয়েকটি হাসপাতালে শতাধিক মৃত্যুর নথি পাওয়া গেছে বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে। তবে দেশজুড়ে ইন্টারনেট ও যোগাযোগব্যবস্থা বন্ধ থাকায় নিহত ও আহতের প্রকৃত সংখ্যা নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না।
ডিজিটাল অধিকার সংগঠনগুলো বলছে, ইন্টারনেট বিচ্ছিন্নতা জনগণের কণ্ঠরোধের কৌশল এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে পরিস্থিতি থেকে অন্ধকারে রাখার একটি প্রচেষ্টা।
ইরানের সেনাবাহিনী ও নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশের বিরুদ্ধে “শত্রুর ষড়যন্ত্র” চলছে এবং প্রয়োজনে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি অভিযোগ করেছেন, এই বিক্ষোভে বিদেশি শক্তি—বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র—উসকানি দিচ্ছে।
এদিকে আন্তর্জাতিক মহল পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি পশ্চিমা দেশ বিক্ষোভকারীদের দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। তবে সরকারের কঠোর অবস্থান পরিস্থিতিকে আরও জটিল ও অস্থিতিশীল করে তুলছে বলে বিশ্লেষকদের মত।
বর্তমানে ইরান এক ভয়াবহ অচলাবস্থার মধ্যে রয়েছে। নিহতের সংখ্যা বাড়ছে, গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার কারণে প্রকৃত পরিস্থিতি এখনও অনেকটাই অজানা।

আপনার মতামত লিখুন