যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেছেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে তুলে নেওয়ার মতো কোনো সামরিক বা গোপন অভিযানের প্রয়োজন যুক্তরাষ্ট্রের নেই। তার দাবি, পুতিন যুক্তরাষ্ট্রকে ভয় পান, তবে ইউরোপকে নয়।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “পুতিন যুক্তরাষ্ট্রকে ভয় পান। ইউরোপকে তিনি ভয় পান না। তাই যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে তাকে তুলে নেওয়ার মতো কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন নেই।”
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ প্রসঙ্গে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, রাশিয়া যদি যুদ্ধবিরতিতে রাজি না হয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার অর্থনীতির ওপর কঠোর চাপ সৃষ্টি করবে। তিনি জানান, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও কূটনৈতিক চাপই হবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান হাতিয়ার।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে আলোচনার কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, একটি শান্তি চুক্তি “খুব কাছাকাছি” থাকলেও এখনো কিছু “কাঁটাযুক্ত বিষয়” অমীমাংসিত রয়ে গেছে। সেগুলো সমাধান না হলে চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হবে না বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।
ট্রাম্পের মতে, সামরিক পদক্ষেপ নয়, বরং অর্থনৈতিক চাপ ও কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমেই রাশিয়াকে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। তিনি বারবারই যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বের সক্ষমতার কথা তুলে ধরে বলেন, এই পথেই সংকটের সমাধান আসবে।
তবে বিশ্লেষকদের একটি অংশ মনে করছেন, ট্রাম্পের বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রকে শক্তিশালী হিসেবে তুলে ধরা হলেও ইউরোপকে দুর্বল হিসেবে চিহ্নিত করার বিষয়টি ন্যাটোভুক্ত ইউরোপীয় মিত্রদের জন্য অস্বস্তিকর হতে পারে। তাদের মতে, ট্রাম্প মূলত বৈশ্বিক রাজনীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বকে আরও জোরালোভাবে উপস্থাপন করতেই এমন বক্তব্য দিয়েছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জানুয়ারি ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেছেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে তুলে নেওয়ার মতো কোনো সামরিক বা গোপন অভিযানের প্রয়োজন যুক্তরাষ্ট্রের নেই। তার দাবি, পুতিন যুক্তরাষ্ট্রকে ভয় পান, তবে ইউরোপকে নয়।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “পুতিন যুক্তরাষ্ট্রকে ভয় পান। ইউরোপকে তিনি ভয় পান না। তাই যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে তাকে তুলে নেওয়ার মতো কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন নেই।”
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ প্রসঙ্গে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, রাশিয়া যদি যুদ্ধবিরতিতে রাজি না হয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার অর্থনীতির ওপর কঠোর চাপ সৃষ্টি করবে। তিনি জানান, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও কূটনৈতিক চাপই হবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান হাতিয়ার।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে আলোচনার কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, একটি শান্তি চুক্তি “খুব কাছাকাছি” থাকলেও এখনো কিছু “কাঁটাযুক্ত বিষয়” অমীমাংসিত রয়ে গেছে। সেগুলো সমাধান না হলে চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হবে না বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।
ট্রাম্পের মতে, সামরিক পদক্ষেপ নয়, বরং অর্থনৈতিক চাপ ও কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমেই রাশিয়াকে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। তিনি বারবারই যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বের সক্ষমতার কথা তুলে ধরে বলেন, এই পথেই সংকটের সমাধান আসবে।
তবে বিশ্লেষকদের একটি অংশ মনে করছেন, ট্রাম্পের বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রকে শক্তিশালী হিসেবে তুলে ধরা হলেও ইউরোপকে দুর্বল হিসেবে চিহ্নিত করার বিষয়টি ন্যাটোভুক্ত ইউরোপীয় মিত্রদের জন্য অস্বস্তিকর হতে পারে। তাদের মতে, ট্রাম্প মূলত বৈশ্বিক রাজনীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বকে আরও জোরালোভাবে উপস্থাপন করতেই এমন বক্তব্য দিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন