রাজধানীর তেজগাঁওয়ের তেজতুরী বাজার এলাকায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে মুছাব্বিরকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার দিবাগত রাতে মানিকগঞ্জ ও গাজীপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। শনিবার সকালে ডিবি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
ডিবি সূত্র জানায়, মুছাব্বির হত্যায় শুটার জিনাত ও পরিকল্পনাকারী বিল্লালসহ এখন পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার অপর ব্যক্তি তাদের সহযোগী।
গত বুধবার রাত সাড়ে আটটার দিকে তেজগাঁওয়ের তেজতুরী বাজারে স্টার কাবাবের পেছনের একটি গলিতে মুছাব্বিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়। তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
ঘটনার সময় তার সঙ্গে থাকা আবু সুফিয়ান নামে একজন গুলিবিদ্ধ হন। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আবু সুফিয়ান কারওয়ান বাজার ভ্যান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক।
হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মুছাব্বিরের স্ত্রী বাদী হয়ে তেজগাঁও থানায় একটি মামলা করেন। ওই মামলার তদন্তে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এদিকে মুছাব্বির হত্যাকাণ্ডের পর সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণের বরাত দিয়ে তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের প্রায় ২৫ মিনিট আগে মোটরসাইকেলে করে প্রধান দুই সন্দেহভাজন ঘটনাস্থলে যান। কারওয়ান বাজারের স্টার হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের পাশের গলির মুখে আগে থেকেই অপেক্ষায় ছিল তাদের এক সহযোগী।
মোটরসাইকেলটি তার কাছে হস্তান্তর করে ওই দুজন গলির ভেতরের অন্ধকার স্থানে গিয়ে ওঁত পেতে থাকেন। হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর মোটরসাইকেল নিয়ে অপেক্ষমাণ ব্যক্তি ফার্মগেটের দিকে চলে যান।
পুলিশ জানায়, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে অন্তত চারজনের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত হওয়া গেছে। তাদের দুজনকে গুলি করার পর ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে দেখা যায়। একজন ওই গলিতে এমনভাবে হাঁটাহাঁটি করছিলেন যে প্রথমে তাকে সন্দেহ করা হয়নি। পরে অন্য একটি স্থানের ফুটেজে দেখা যায়, তিনি জড়িত অপর তিনজনের সঙ্গে শলাপরামর্শ করছেন। শনাক্ত হওয়া অপর একজন গলির মুখে অবস্থান করছিলেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জানুয়ারি ২০২৬
রাজধানীর তেজগাঁওয়ের তেজতুরী বাজার এলাকায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে মুছাব্বিরকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার দিবাগত রাতে মানিকগঞ্জ ও গাজীপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। শনিবার সকালে ডিবি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
ডিবি সূত্র জানায়, মুছাব্বির হত্যায় শুটার জিনাত ও পরিকল্পনাকারী বিল্লালসহ এখন পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার অপর ব্যক্তি তাদের সহযোগী।
গত বুধবার রাত সাড়ে আটটার দিকে তেজগাঁওয়ের তেজতুরী বাজারে স্টার কাবাবের পেছনের একটি গলিতে মুছাব্বিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়। তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
ঘটনার সময় তার সঙ্গে থাকা আবু সুফিয়ান নামে একজন গুলিবিদ্ধ হন। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আবু সুফিয়ান কারওয়ান বাজার ভ্যান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক।
হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মুছাব্বিরের স্ত্রী বাদী হয়ে তেজগাঁও থানায় একটি মামলা করেন। ওই মামলার তদন্তে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এদিকে মুছাব্বির হত্যাকাণ্ডের পর সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণের বরাত দিয়ে তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের প্রায় ২৫ মিনিট আগে মোটরসাইকেলে করে প্রধান দুই সন্দেহভাজন ঘটনাস্থলে যান। কারওয়ান বাজারের স্টার হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের পাশের গলির মুখে আগে থেকেই অপেক্ষায় ছিল তাদের এক সহযোগী।
মোটরসাইকেলটি তার কাছে হস্তান্তর করে ওই দুজন গলির ভেতরের অন্ধকার স্থানে গিয়ে ওঁত পেতে থাকেন। হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর মোটরসাইকেল নিয়ে অপেক্ষমাণ ব্যক্তি ফার্মগেটের দিকে চলে যান।
পুলিশ জানায়, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে অন্তত চারজনের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত হওয়া গেছে। তাদের দুজনকে গুলি করার পর ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে দেখা যায়। একজন ওই গলিতে এমনভাবে হাঁটাহাঁটি করছিলেন যে প্রথমে তাকে সন্দেহ করা হয়নি। পরে অন্য একটি স্থানের ফুটেজে দেখা যায়, তিনি জড়িত অপর তিনজনের সঙ্গে শলাপরামর্শ করছেন। শনাক্ত হওয়া অপর একজন গলির মুখে অবস্থান করছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন