থালাপতি বিজয়ের অভিনয় জীবনের শেষ সিনেমা হিসেবে আলোচিত ‘জননায়গন’ মুক্তির আগেই সেন্সর জটিলতা ও আইনি প্রক্রিয়ায় পড়ে বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে এসেছে। দক্ষিণী গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, সিনেমাটির সেন্সর ছাড়পত্র সংক্রান্ত মামলায় মাদ্রাজ হাইকোর্টে শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে আগামীকাল।
সেন্ট্রাল বোর্ড অব ফিল্ম সার্টিফিকেশন (সিবিএফসি) সিনেমাটির প্রাথমিক পর্যালোচনায় একাধিক দৃশ্য নিয়ে আপত্তি তোলে। অভিযোগ রয়েছে, প্রায় ২৭টি দৃশ্য সংশোধন ও ছাঁটাই করার পরও সেন্সর বোর্ড পুরোপুরি সন্তুষ্ট হয়নি। এর পর সিনেমাটিকে পুনরায় রিভাইজিং কমিটির কাছে পাঠানো হয়, যা মুক্তি প্রক্রিয়াকে আরও বিলম্বিত করে।
প্রযোজনা পক্ষের দাবি, সেন্সর বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাটছাঁট সম্পন্ন করার পরও ছাড়পত্রে বিলম্ব অযৌক্তিক। এ নিয়ে আদালতের শরণাপন্ন হলে মাদ্রাজ হাইকোর্ট বিষয়টি শুনানি শেষে রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখে। দক্ষিণী মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরে বলা হচ্ছে, এই রায়ের ওপরই সিনেমাটির মুক্তির ভবিষ্যৎ অনেকটাই নির্ভর করছে।
বিজয়ের ভক্ত ও চলচ্চিত্র অঙ্গনের একটি বড় অংশ মনে করছেন, একজন জনপ্রিয় তারকার শেষ সিনেমা হিসেবে ‘জননায়গন’ কোনো বিতর্ক ছাড়াই মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। তবে সেন্সর বোর্ডের আপত্তি, আইনি জটিলতা এবং বিলম্বিত সিদ্ধান্ত ছবিটিকে আলোচনার পাশাপাশি অনিশ্চয়তার দিকেও ঠেলে দিয়েছে। এখন সবার দৃষ্টি আদালতের রায়ের দিকে, যা নির্ধারণ করবে ‘জননায়গন’ কবে এবং কীভাবে প্রেক্ষাগৃহে আসবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জানুয়ারি ২০২৬
থালাপতি বিজয়ের অভিনয় জীবনের শেষ সিনেমা হিসেবে আলোচিত ‘জননায়গন’ মুক্তির আগেই সেন্সর জটিলতা ও আইনি প্রক্রিয়ায় পড়ে বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে এসেছে। দক্ষিণী গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, সিনেমাটির সেন্সর ছাড়পত্র সংক্রান্ত মামলায় মাদ্রাজ হাইকোর্টে শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে আগামীকাল।
সেন্ট্রাল বোর্ড অব ফিল্ম সার্টিফিকেশন (সিবিএফসি) সিনেমাটির প্রাথমিক পর্যালোচনায় একাধিক দৃশ্য নিয়ে আপত্তি তোলে। অভিযোগ রয়েছে, প্রায় ২৭টি দৃশ্য সংশোধন ও ছাঁটাই করার পরও সেন্সর বোর্ড পুরোপুরি সন্তুষ্ট হয়নি। এর পর সিনেমাটিকে পুনরায় রিভাইজিং কমিটির কাছে পাঠানো হয়, যা মুক্তি প্রক্রিয়াকে আরও বিলম্বিত করে।
প্রযোজনা পক্ষের দাবি, সেন্সর বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাটছাঁট সম্পন্ন করার পরও ছাড়পত্রে বিলম্ব অযৌক্তিক। এ নিয়ে আদালতের শরণাপন্ন হলে মাদ্রাজ হাইকোর্ট বিষয়টি শুনানি শেষে রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখে। দক্ষিণী মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরে বলা হচ্ছে, এই রায়ের ওপরই সিনেমাটির মুক্তির ভবিষ্যৎ অনেকটাই নির্ভর করছে।
বিজয়ের ভক্ত ও চলচ্চিত্র অঙ্গনের একটি বড় অংশ মনে করছেন, একজন জনপ্রিয় তারকার শেষ সিনেমা হিসেবে ‘জননায়গন’ কোনো বিতর্ক ছাড়াই মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। তবে সেন্সর বোর্ডের আপত্তি, আইনি জটিলতা এবং বিলম্বিত সিদ্ধান্ত ছবিটিকে আলোচনার পাশাপাশি অনিশ্চয়তার দিকেও ঠেলে দিয়েছে। এখন সবার দৃষ্টি আদালতের রায়ের দিকে, যা নির্ধারণ করবে ‘জননায়গন’ কবে এবং কীভাবে প্রেক্ষাগৃহে আসবে।

আপনার মতামত লিখুন