এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে দায়ের করা মামলার প্রেক্ষিতে সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ ১৪ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্তের স্বার্থে আদালতে আবেদন করে জানায়, মামলার বেশ কয়েকজন আসামি সপরিবারে বিদেশে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং তাঁরা দেশত্যাগ করলে তদন্ত প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হতে পারে। আদালত দুদকের এই যুক্তি বিবেচনায় নিয়ে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন।
নিষেধাজ্ঞার আওতায় এসেছেন সাবেক মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের পাশাপাশি সেতু বিভাগ, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ, ভূমি মন্ত্রণালয়, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, জ্বালানি বিভাগ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন দপ্তরের একাধিক সাবেক সচিব ও উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক সিনিয়র সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, সাবেক সচিব নজরুল ইসলাম, মোস্তাফা কামাল উদ্দীন, ড. আহমদ কায়কাউস, আবদুল জলিল, ড. জাফর আহমেদ খান, সাবেক মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএএজি) মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী, সাবেক সচিব মোহাম্মদ শহিদুল হক, সাবেক প্রধান সমন্বয়ক জুয়েনা আজিজ, সাবেক সচিব মোফাজ্জেল হোসেন, কাজী শফিকুল আযম, আখতার হোসেন ভূঁইয়া এবং ড. আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম।
দুদকের মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে যে, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রকল্পের ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের জন্য অধিগ্রহণকৃত ৪০ একর জমি পরবর্তীতে যথাযথ অনুমোদন ছাড়া সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য আবাসন নির্মাণে ব্যবহার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এতে নীতিমালা লঙ্ঘন, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে বলে দুদক জানিয়েছে। জমির পুনর্বিন্যাস, প্রক্রিয়াগত অনুমোদন, গেজেট প্রকাশ ছাড়াই প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন করার অভিযোগও এ মামলার অন্তর্ভুক্ত।
এই মামলায় উচ্চপর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এ ধরনের কঠোর পদক্ষেপ রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। দুর্নীতি দমন ও সরকারি প্রকল্পে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে অনেকেই মনে করছেন। তদন্ত এখনো চলমান থাকায় ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ আদালতের নির্দেশনা এবং দুদকের অগ্রগতির ওপর নির্ভর করবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জানুয়ারি ২০২৬
এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে দায়ের করা মামলার প্রেক্ষিতে সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ ১৪ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্তের স্বার্থে আদালতে আবেদন করে জানায়, মামলার বেশ কয়েকজন আসামি সপরিবারে বিদেশে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং তাঁরা দেশত্যাগ করলে তদন্ত প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হতে পারে। আদালত দুদকের এই যুক্তি বিবেচনায় নিয়ে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন।
নিষেধাজ্ঞার আওতায় এসেছেন সাবেক মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের পাশাপাশি সেতু বিভাগ, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ, ভূমি মন্ত্রণালয়, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, জ্বালানি বিভাগ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন দপ্তরের একাধিক সাবেক সচিব ও উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক সিনিয়র সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, সাবেক সচিব নজরুল ইসলাম, মোস্তাফা কামাল উদ্দীন, ড. আহমদ কায়কাউস, আবদুল জলিল, ড. জাফর আহমেদ খান, সাবেক মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএএজি) মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী, সাবেক সচিব মোহাম্মদ শহিদুল হক, সাবেক প্রধান সমন্বয়ক জুয়েনা আজিজ, সাবেক সচিব মোফাজ্জেল হোসেন, কাজী শফিকুল আযম, আখতার হোসেন ভূঁইয়া এবং ড. আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম।
দুদকের মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে যে, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রকল্পের ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের জন্য অধিগ্রহণকৃত ৪০ একর জমি পরবর্তীতে যথাযথ অনুমোদন ছাড়া সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য আবাসন নির্মাণে ব্যবহার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এতে নীতিমালা লঙ্ঘন, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে বলে দুদক জানিয়েছে। জমির পুনর্বিন্যাস, প্রক্রিয়াগত অনুমোদন, গেজেট প্রকাশ ছাড়াই প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন করার অভিযোগও এ মামলার অন্তর্ভুক্ত।
এই মামলায় উচ্চপর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এ ধরনের কঠোর পদক্ষেপ রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। দুর্নীতি দমন ও সরকারি প্রকল্পে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে অনেকেই মনে করছেন। তদন্ত এখনো চলমান থাকায় ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ আদালতের নির্দেশনা এবং দুদকের অগ্রগতির ওপর নির্ভর করবে।

আপনার মতামত লিখুন