বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) ২০২৫-২৬ মরসুমের ১৩তম ম্যাচে সিলেট টাইটান্সের বাঁ-হাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ এক নজিরবিহীন বোলিং করে ক্রিকেট ইতিহাসে নিজের নাম জোরালো করে দিয়েছেন। নোয়াখালী এক্সপ্রেসের বিপক্ষে মাত্র ৪ ওভারে ৭ রান খরচায় ৫ উইকেট নিয়েই তিনি এখন বিপিএলের ইতিহাসে স্পিনারদের মধ্যে সর্বোচ্চ বোলিং ফিগার হিসেবে রেকর্ড গড়ে ফেলেছেন।
এই দিন সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নাসুমের ভয়াবহ স্পেলে নোয়াখালীর ব্যাটিং পুরোপুরি ভেঙে পড়ে। ব্যাটিং শুরু করে নোয়াখালী দল দ্রুতই উইকেট হারাতে থাকে এবং শেষ পর্যন্ত মাত্র ৬১ রানে অলআউট হয়ে যায় — যা বিপিএলের ইতিহাসে চতুর্থ-সর্বনিম্ন দলীয় স্কোর হিসেবেও রাজনৈতিকভাবে চিহ্নিত হয়েছে।
নাসুম তার ৪ ওভার বল করেছেন এমনই নিখুঁত নিয়ন্ত্রণে যে, ২০টিরও বেশি ডট বল করেও প্রতিপক্ষ ব্যাটসম্যানদের তেমন কোন সুযোগই দেননি। তিনি মূলত শেষ ৮ বলে ৫ উইকেট তুলে নিয়ে দলের জয়ের পথ আরও সহজ করে দেন।
এদিনের এই বোলিং ফিগারটি বিপিএলের ইতিহাসে স্পিন বোলারদের মধ্যে সেরা বোলিং সংখ্যার রেকর্ড — এর আগের রেকর্ডটি ছিল বাংলাদেশের ক্রিকেটের অন্যতম তারকা সাকিব আল হাসানের ৫/১৬, যেটি তিনি ২০১৭ সালে ঢাকা ডায়নামাইটসের হয়ে রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে করেছিলেন। এখন নাসুমের ৫/৭ সেটাই টপ করেছে।
বিশেষ করে ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মতে, নাসুমের এই রেকর্ড-ভাঙ্গা পারফরম্যান্স শুধুমাত্র বিপিএলের একটি ম্যাচ নয়, বরং তার ভবিষ্যৎ আন্তর্জাতিক ইভেন্টগুলোতেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে — বিশেষত সামনে আসন্ন ICC Men’s T20 World Cup-এ তার সম্ভাব্য অবদানের দিকটি বিবেচনায় নিয়ে।
ম্যাচ শেষে কোচিং স্টাফ, ক্রিকেট বিশ্লেষক এবং সমর্থকরা একযোগে নাসুমের এই পারফরম্যান্সকে ভূয়সী প্রশংসা করেছেন এবং এটিকে ‘বিপিএল ইতিহাসে অন্যতম শ্রেষ্ঠ স্পিন বোলিং প্রদর্শনী’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। সিলেট টাইটান্সের জন্য এটি শুধুমাত্র একটি জয়ের গল্প নয়; এটি একজন ক্রিকেটারের উত্তরণের খবর—যে আইনের নতুন দিকেই দাঁড়িয়েছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) ২০২৫-২৬ মরসুমের ১৩তম ম্যাচে সিলেট টাইটান্সের বাঁ-হাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ এক নজিরবিহীন বোলিং করে ক্রিকেট ইতিহাসে নিজের নাম জোরালো করে দিয়েছেন। নোয়াখালী এক্সপ্রেসের বিপক্ষে মাত্র ৪ ওভারে ৭ রান খরচায় ৫ উইকেট নিয়েই তিনি এখন বিপিএলের ইতিহাসে স্পিনারদের মধ্যে সর্বোচ্চ বোলিং ফিগার হিসেবে রেকর্ড গড়ে ফেলেছেন।
এই দিন সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নাসুমের ভয়াবহ স্পেলে নোয়াখালীর ব্যাটিং পুরোপুরি ভেঙে পড়ে। ব্যাটিং শুরু করে নোয়াখালী দল দ্রুতই উইকেট হারাতে থাকে এবং শেষ পর্যন্ত মাত্র ৬১ রানে অলআউট হয়ে যায় — যা বিপিএলের ইতিহাসে চতুর্থ-সর্বনিম্ন দলীয় স্কোর হিসেবেও রাজনৈতিকভাবে চিহ্নিত হয়েছে।
নাসুম তার ৪ ওভার বল করেছেন এমনই নিখুঁত নিয়ন্ত্রণে যে, ২০টিরও বেশি ডট বল করেও প্রতিপক্ষ ব্যাটসম্যানদের তেমন কোন সুযোগই দেননি। তিনি মূলত শেষ ৮ বলে ৫ উইকেট তুলে নিয়ে দলের জয়ের পথ আরও সহজ করে দেন।
এদিনের এই বোলিং ফিগারটি বিপিএলের ইতিহাসে স্পিন বোলারদের মধ্যে সেরা বোলিং সংখ্যার রেকর্ড — এর আগের রেকর্ডটি ছিল বাংলাদেশের ক্রিকেটের অন্যতম তারকা সাকিব আল হাসানের ৫/১৬, যেটি তিনি ২০১৭ সালে ঢাকা ডায়নামাইটসের হয়ে রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে করেছিলেন। এখন নাসুমের ৫/৭ সেটাই টপ করেছে।
বিশেষ করে ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মতে, নাসুমের এই রেকর্ড-ভাঙ্গা পারফরম্যান্স শুধুমাত্র বিপিএলের একটি ম্যাচ নয়, বরং তার ভবিষ্যৎ আন্তর্জাতিক ইভেন্টগুলোতেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে — বিশেষত সামনে আসন্ন ICC Men’s T20 World Cup-এ তার সম্ভাব্য অবদানের দিকটি বিবেচনায় নিয়ে।
ম্যাচ শেষে কোচিং স্টাফ, ক্রিকেট বিশ্লেষক এবং সমর্থকরা একযোগে নাসুমের এই পারফরম্যান্সকে ভূয়সী প্রশংসা করেছেন এবং এটিকে ‘বিপিএল ইতিহাসে অন্যতম শ্রেষ্ঠ স্পিন বোলিং প্রদর্শনী’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। সিলেট টাইটান্সের জন্য এটি শুধুমাত্র একটি জয়ের গল্প নয়; এটি একজন ক্রিকেটারের উত্তরণের খবর—যে আইনের নতুন দিকেই দাঁড়িয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন