ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

তাৎক্ষণিক প্রতিকার ও চিকিৎসকের পরামর্শ

হেঁচকি কেন হয়? দ্রুত কমানোর উপায়


মাসুদ রানা :
মাসুদ রানা :
প্রকাশ : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬

হেঁচকি কেন হয়? দ্রুত কমানোর উপায়

: হেঁচকি কী এবং কেন হয়?

: হেঁচকি হলো ডায়াফ্রাম পেশির হঠাৎ ও অনিয়ন্ত্রিত সংকোচনের ফল। এই সময় কণ্ঠনালির মুখ বন্ধ হয়ে গিয়ে ‘হিক’ শব্দের সৃষ্টি হয়। খুব দ্রুত খাবার খাওয়া, একসঙ্গে বেশি খাবার বা পানি পান করা, ঝাল–মসলাযুক্ত খাবার, গ্যাস্ট্রিক ও অ্যাসিডিটির কারণে হেঁচকি হতে পারে।

: কোন কোন কারণে হেঁচকি বেশি দেখা যায়?

: চিকিৎসকদের মতে, ঠান্ডা পানীয়, কার্বনেটেড ড্রিংক, হঠাৎ তাপমাত্রা পরিবর্তন, মানসিক চাপ, ভয় বা অতিরিক্ত উত্তেজনা হেঁচকির সাধারণ কারণ। কখনো কখনো পাকস্থলীর গ্যাসও হেঁচকির জন্য দায়ী।

: হেঁচকি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কী করলে উপকার পাওয়া যায়?

: ধীরে ধীরে এক গ্লাস পানি পান করা, গভীর শ্বাস নিয়ে কয়েক সেকেন্ড ধরে রাখা, শ্বাস আটকে রাখা কিংবা এক চামচ মধু বা চিনি মুখে নেওয়া অনেক সময় হেঁচকি থামাতে সাহায্য করে। এসব পদ্ধতি ডায়াফ্রামকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনে।

: হেঁচকি কি সব সময় স্বাভাবিক?

: বেশিরভাগ ক্ষেত্রে হেঁচকি স্বাভাবিক এবং ক্ষতিকর নয়। তবে যদি হেঁচকি টানা ৪৮ ঘণ্টার বেশি স্থায়ী হয়, তাহলে সেটি স্বাভাবিক বলে ধরে নেওয়া যায় না।

: কখন অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে?

: হেঁচকির সঙ্গে যদি বুকব্যথা, বমি, মাথা ঘোরা, শ্বাসকষ্ট বা ঘুমের সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। দীর্ঘস্থায়ী হেঁচকি গ্যাস্ট্রিকের জটিলতা বা স্নায়বিক সমস্যার লক্ষণ হতে পারে।

: হেঁচকি প্রতিরোধে কী পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা?

: চিকিৎসকদের মতে, ধীরে ধীরে খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা, অতিরিক্ত ঝাল ও গ্যাস সৃষ্টি করে এমন খাবার এড়িয়ে চলা এবং মানসিক চাপ কমানো হেঁচকি প্রতিরোধে কার্যকর। নিয়মিত স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনই এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো সমাধান।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


হেঁচকি কেন হয়? দ্রুত কমানোর উপায়

প্রকাশের তারিখ : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

: হেঁচকি কী এবং কেন হয়?

: হেঁচকি হলো ডায়াফ্রাম পেশির হঠাৎ ও অনিয়ন্ত্রিত সংকোচনের ফল। এই সময় কণ্ঠনালির মুখ বন্ধ হয়ে গিয়ে ‘হিক’ শব্দের সৃষ্টি হয়। খুব দ্রুত খাবার খাওয়া, একসঙ্গে বেশি খাবার বা পানি পান করা, ঝাল–মসলাযুক্ত খাবার, গ্যাস্ট্রিক ও অ্যাসিডিটির কারণে হেঁচকি হতে পারে।


: কোন কোন কারণে হেঁচকি বেশি দেখা যায়?

: চিকিৎসকদের মতে, ঠান্ডা পানীয়, কার্বনেটেড ড্রিংক, হঠাৎ তাপমাত্রা পরিবর্তন, মানসিক চাপ, ভয় বা অতিরিক্ত উত্তেজনা হেঁচকির সাধারণ কারণ। কখনো কখনো পাকস্থলীর গ্যাসও হেঁচকির জন্য দায়ী।


: হেঁচকি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কী করলে উপকার পাওয়া যায়?

: ধীরে ধীরে এক গ্লাস পানি পান করা, গভীর শ্বাস নিয়ে কয়েক সেকেন্ড ধরে রাখা, শ্বাস আটকে রাখা কিংবা এক চামচ মধু বা চিনি মুখে নেওয়া অনেক সময় হেঁচকি থামাতে সাহায্য করে। এসব পদ্ধতি ডায়াফ্রামকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনে।


: হেঁচকি কি সব সময় স্বাভাবিক?

: বেশিরভাগ ক্ষেত্রে হেঁচকি স্বাভাবিক এবং ক্ষতিকর নয়। তবে যদি হেঁচকি টানা ৪৮ ঘণ্টার বেশি স্থায়ী হয়, তাহলে সেটি স্বাভাবিক বলে ধরে নেওয়া যায় না।


: কখন অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে?

: হেঁচকির সঙ্গে যদি বুকব্যথা, বমি, মাথা ঘোরা, শ্বাসকষ্ট বা ঘুমের সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। দীর্ঘস্থায়ী হেঁচকি গ্যাস্ট্রিকের জটিলতা বা স্নায়বিক সমস্যার লক্ষণ হতে পারে।


: হেঁচকি প্রতিরোধে কী পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা?

: চিকিৎসকদের মতে, ধীরে ধীরে খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা, অতিরিক্ত ঝাল ও গ্যাস সৃষ্টি করে এমন খাবার এড়িয়ে চলা এবং মানসিক চাপ কমানো হেঁচকি প্রতিরোধে কার্যকর। নিয়মিত স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনই এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো সমাধান।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ