জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুনা খান জানিয়েছেন যে তিনি মাসে পাঁচ দিনের বেশি কাজ করেন না। সাম্প্রতিক এক সংক্ষিপ্ত ভিডিও সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, গত ১৫ বছর ধরেই তিনি এমন কাজের রুটিন অনুসরণ করছেন এবং এখনো সেই নিয়ম পরিবর্তনের কোনো পরিকল্পনা নেই। তাঁর এই মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
ভিডিওতে রুনা খান বলেন, তিনি সবসময়ই নির্বাচিত কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। বছরের পর বছর ধরেই কোনো ব্যস্ত সময়সূচির মধ্যে নিজেকে আবদ্ধ করেননি। তাঁর মন্তব্য, “আমি কখনোই বেশি কাজ করতে পছন্দ করি না। মাসে পাঁচ দিনের মতো কাজ করলেই আমার হয়ে যায়। এতে আমি নিজেকে সময় দিতে পারি, আবার কাজেও মনোযোগ ধরে রাখতে পারি।”
অভিনেত্রী আরও জানান, কাজের গল্প, চরিত্র এবং নির্মাণ গুরুত্বপূর্ণ না হলে তিনি কোনোভাবেই তাতে অংশ নেন না। তাই অনেক প্রস্তাব থাকা সত্ত্বেও কেবলমাত্র মানসম্মত এবং নিজের পছন্দের কাজই তিনি গ্রহণ করেন। এতে তাঁর পেশাগত চাপ কম থাকে এবং শারীরিক-মানসিক ভারসাম্য বজায় থাকে।
অভিনয়ের পাশাপাশি রুনা খান সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন সামাজিক ইস্যু নিয়েও সোচ্চার। বিশেষ করে নারীর নিরাপত্তা, অনলাইন হয়রানি ও সাইবার সহিংসতা বিষয়ে তিনি বিভিন্ন সময়ে মতামত দিয়েছেন এবং সচেতনতা তৈরিতে ভূমিকা রেখেছেন।
যদিও তাঁর এ বক্তব্যটি প্রথমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও থেকেই ছড়িয়ে পড়ে এবং পূর্ণাঙ্গ সাক্ষাৎকার এখনো কোনো বড় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়নি, তবে তাঁর দীর্ঘদিনের কাজের ধরন বিবেচনায় এটি বাস্তবসম্মত বলে মনে করছেন তাঁর ভক্ত-অনুরাগী ও গণমাধ্যমকর্মীরা।
রুনা খানের এই মন্তব্য আবারও প্রমাণ করেছে, তিনি ক্যারিয়ারে গুণগত মান, ব্যক্তিগত সময় এবং মানসিক স্বস্তিকেই গুরুত্ব দেন, তাই তাঁর মাসে পাঁচ দিনের বেশি কাজ করার প্রয়োজন হয় না।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জানুয়ারি ২০২৬
জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুনা খান জানিয়েছেন যে তিনি মাসে পাঁচ দিনের বেশি কাজ করেন না। সাম্প্রতিক এক সংক্ষিপ্ত ভিডিও সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, গত ১৫ বছর ধরেই তিনি এমন কাজের রুটিন অনুসরণ করছেন এবং এখনো সেই নিয়ম পরিবর্তনের কোনো পরিকল্পনা নেই। তাঁর এই মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
ভিডিওতে রুনা খান বলেন, তিনি সবসময়ই নির্বাচিত কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। বছরের পর বছর ধরেই কোনো ব্যস্ত সময়সূচির মধ্যে নিজেকে আবদ্ধ করেননি। তাঁর মন্তব্য, “আমি কখনোই বেশি কাজ করতে পছন্দ করি না। মাসে পাঁচ দিনের মতো কাজ করলেই আমার হয়ে যায়। এতে আমি নিজেকে সময় দিতে পারি, আবার কাজেও মনোযোগ ধরে রাখতে পারি।”
অভিনেত্রী আরও জানান, কাজের গল্প, চরিত্র এবং নির্মাণ গুরুত্বপূর্ণ না হলে তিনি কোনোভাবেই তাতে অংশ নেন না। তাই অনেক প্রস্তাব থাকা সত্ত্বেও কেবলমাত্র মানসম্মত এবং নিজের পছন্দের কাজই তিনি গ্রহণ করেন। এতে তাঁর পেশাগত চাপ কম থাকে এবং শারীরিক-মানসিক ভারসাম্য বজায় থাকে।
অভিনয়ের পাশাপাশি রুনা খান সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন সামাজিক ইস্যু নিয়েও সোচ্চার। বিশেষ করে নারীর নিরাপত্তা, অনলাইন হয়রানি ও সাইবার সহিংসতা বিষয়ে তিনি বিভিন্ন সময়ে মতামত দিয়েছেন এবং সচেতনতা তৈরিতে ভূমিকা রেখেছেন।
যদিও তাঁর এ বক্তব্যটি প্রথমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও থেকেই ছড়িয়ে পড়ে এবং পূর্ণাঙ্গ সাক্ষাৎকার এখনো কোনো বড় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়নি, তবে তাঁর দীর্ঘদিনের কাজের ধরন বিবেচনায় এটি বাস্তবসম্মত বলে মনে করছেন তাঁর ভক্ত-অনুরাগী ও গণমাধ্যমকর্মীরা।
রুনা খানের এই মন্তব্য আবারও প্রমাণ করেছে, তিনি ক্যারিয়ারে গুণগত মান, ব্যক্তিগত সময় এবং মানসিক স্বস্তিকেই গুরুত্ব দেন, তাই তাঁর মাসে পাঁচ দিনের বেশি কাজ করার প্রয়োজন হয় না।

আপনার মতামত লিখুন