বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় পারিবারিক চলচ্চিত্র ‘কভি খুশি কাভি গাম’–এর সিক্যুয়েল নিয়ে নতুন করে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে ভারতীয় বিনোদন অঙ্গনে। প্রায় ২৫ বছর পর এই ক্লাসিক ছবির দ্বিতীয় পর্ব নির্মাণের প্রস্তুতি চলছে—এমন খবর প্রকাশ করেছে একাধিক ভারতীয় ও আন্তর্জাতিক বিনোদনমাধ্যম। ফলে দীর্ঘদিনের ভক্তদের মধ্যে আবারও দেখা যাচ্ছে তীব্র উত্তেজনা ও নস্ট্যালজিয়া।
২০০১ সালে মুক্তির পর শাহরুখ খান, কাজল, অমিতাভ বচ্চন, জয়া বচ্চন, হৃতিক রোশন ও কারিনা কাপুর অভিনীত এই ছবিটি বলিউডের ইতিহাসে একটি মাইলফলক হয়ে ওঠে। সেই ছবির পরিচালক করণ জোহর বর্তমানে যে নতুন পরিবারকেন্দ্রিক বড় বাজেটের চলচ্চিত্রে কাজ করছেন, সেটিকেই অনেকেই ‘কভি খুশি কাভি গাম ২’ হিসেবে বিবেচনা করছেন। যদিও এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি, তবে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম এই সম্ভাবনাকে প্রায় নিশ্চিত বলেই ধারনা করছে।
করণ জোহর ইতোমধ্যেই স্ক্রিপ্ট চূড়ান্ত করেছেন এবং ছবিটির প্রি-প্রোডাকশন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ইন্ডাস্ট্রি সূত্রের দাবি, সিক্যুয়েলের শুটিং শুরু হতে পারে ২০২৬ সালের শেষের দিকে। এই প্রকল্পকে করণ জোহরের ক্যারিয়ারের অন্যতম বৃহৎ চলচ্চিত্র হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—পুরনো তারকারা কি ফিরবেন? ইন্ডিয়া ফোরামস জানায়, শাহরুখ খান, কাজল, অমিতাভ-জয়াকে আবারও একই পর্দায় আনার বিষয়ে আলোচনার ইঙ্গিত পাওয়া গেলেও এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নিশ্চিত নয়। একই সঙ্গে হৃতিক রোশন ও কারিনা কাপুরের অংশগ্রহণ নিয়েও স্পষ্ট তথ্য নেই। তবে ভক্তদের আশা—আগের ছবির মূল চরিত্ররা আবারও ফিরলে তা হবে বলিউডে বছরের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ।
সিক্যুয়েলের সম্ভাব্য খবর প্রকাশের পর টাইমস অব ইন্ডিয়াসহ একাধিক সংবাদমাধ্যম জানায়, ভারতীয় দর্শকদের প্রতিক্রিয়া এখন মিশ্র। একদিকে ভক্তরা আনন্দে আপ্লুত, কারণ তাদের প্রিয় ক্লাসিক ছবি আবার বড় পর্দায় ফিরতে পারে। অন্যদিকে কেউ কেউ ‘ক্লাসিকের ঐতিহ্য নষ্ট হওয়ার’ আশঙ্কাও প্রকাশ করছেন। তবে অধিকাংশ দর্শকই বিশ্বাস করেন—করণ জোহর যদি আগের ছবির আবেগ, সম্পর্কের টানাপোড়েন ও পারিবারিক বন্ধনের শক্তিকে ধরে রাখতে পারেন, তবে এই সিক্যুয়েল আবারও ব্লকবাস্টার হতে পারে।
সবকিছু মিলিয়ে বলা যায়, ‘কভি খুশি কাভি গাম’-এর সিক্যুয়েল এখন আর শুধুই গুঞ্জন নয়; বরং বাস্তবায়নের পথে থাকা একটি বড় বলিউড প্রকল্প। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এলেই শুরু হবে নতুন উত্তেজনা, আর ভক্তরাও ফিরে পাবেন সেই পঁচিশ বছর পুরনো আবেগের প্রতিধ্বনি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জানুয়ারি ২০২৬
বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় পারিবারিক চলচ্চিত্র ‘কভি খুশি কাভি গাম’–এর সিক্যুয়েল নিয়ে নতুন করে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে ভারতীয় বিনোদন অঙ্গনে। প্রায় ২৫ বছর পর এই ক্লাসিক ছবির দ্বিতীয় পর্ব নির্মাণের প্রস্তুতি চলছে—এমন খবর প্রকাশ করেছে একাধিক ভারতীয় ও আন্তর্জাতিক বিনোদনমাধ্যম। ফলে দীর্ঘদিনের ভক্তদের মধ্যে আবারও দেখা যাচ্ছে তীব্র উত্তেজনা ও নস্ট্যালজিয়া।
২০০১ সালে মুক্তির পর শাহরুখ খান, কাজল, অমিতাভ বচ্চন, জয়া বচ্চন, হৃতিক রোশন ও কারিনা কাপুর অভিনীত এই ছবিটি বলিউডের ইতিহাসে একটি মাইলফলক হয়ে ওঠে। সেই ছবির পরিচালক করণ জোহর বর্তমানে যে নতুন পরিবারকেন্দ্রিক বড় বাজেটের চলচ্চিত্রে কাজ করছেন, সেটিকেই অনেকেই ‘কভি খুশি কাভি গাম ২’ হিসেবে বিবেচনা করছেন। যদিও এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি, তবে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম এই সম্ভাবনাকে প্রায় নিশ্চিত বলেই ধারনা করছে।
করণ জোহর ইতোমধ্যেই স্ক্রিপ্ট চূড়ান্ত করেছেন এবং ছবিটির প্রি-প্রোডাকশন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ইন্ডাস্ট্রি সূত্রের দাবি, সিক্যুয়েলের শুটিং শুরু হতে পারে ২০২৬ সালের শেষের দিকে। এই প্রকল্পকে করণ জোহরের ক্যারিয়ারের অন্যতম বৃহৎ চলচ্চিত্র হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—পুরনো তারকারা কি ফিরবেন? ইন্ডিয়া ফোরামস জানায়, শাহরুখ খান, কাজল, অমিতাভ-জয়াকে আবারও একই পর্দায় আনার বিষয়ে আলোচনার ইঙ্গিত পাওয়া গেলেও এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নিশ্চিত নয়। একই সঙ্গে হৃতিক রোশন ও কারিনা কাপুরের অংশগ্রহণ নিয়েও স্পষ্ট তথ্য নেই। তবে ভক্তদের আশা—আগের ছবির মূল চরিত্ররা আবারও ফিরলে তা হবে বলিউডে বছরের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ।
সিক্যুয়েলের সম্ভাব্য খবর প্রকাশের পর টাইমস অব ইন্ডিয়াসহ একাধিক সংবাদমাধ্যম জানায়, ভারতীয় দর্শকদের প্রতিক্রিয়া এখন মিশ্র। একদিকে ভক্তরা আনন্দে আপ্লুত, কারণ তাদের প্রিয় ক্লাসিক ছবি আবার বড় পর্দায় ফিরতে পারে। অন্যদিকে কেউ কেউ ‘ক্লাসিকের ঐতিহ্য নষ্ট হওয়ার’ আশঙ্কাও প্রকাশ করছেন। তবে অধিকাংশ দর্শকই বিশ্বাস করেন—করণ জোহর যদি আগের ছবির আবেগ, সম্পর্কের টানাপোড়েন ও পারিবারিক বন্ধনের শক্তিকে ধরে রাখতে পারেন, তবে এই সিক্যুয়েল আবারও ব্লকবাস্টার হতে পারে।
সবকিছু মিলিয়ে বলা যায়, ‘কভি খুশি কাভি গাম’-এর সিক্যুয়েল এখন আর শুধুই গুঞ্জন নয়; বরং বাস্তবায়নের পথে থাকা একটি বড় বলিউড প্রকল্প। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এলেই শুরু হবে নতুন উত্তেজনা, আর ভক্তরাও ফিরে পাবেন সেই পঁচিশ বছর পুরনো আবেগের প্রতিধ্বনি।

আপনার মতামত লিখুন