বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ প্রতীক ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি বর্তমানে অবস্থান করছে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে। ২০২৬ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ফিফা ও কোকা-কোলার যৌথ উদ্যোগে শুরু হয়েছে ‘FIFA World Cup Trophy Tour 2026’। রিয়াদেই ট্যুরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয় এবং এখান থেকেই শুরু হয়েছে ৩০টি দেশজুড়ে বিস্তৃত এই গ্লোবাল সফর। ট্যুরের অংশ হিসেবে আগামী ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ এই ট্রফি প্রদর্শিত হবে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়।
৩ জানুয়ারি বিশেষ বিমানে ট্রফিটি রিয়াদে পৌঁছায়। আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশ্বকাপজয়ী ইতালিয়ান ফুটবল কিংবদন্তি আলেসান্ড্রো দেল পিয়েরো আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রফিটি উন্মোচন করেন। উদ্বোধনী আয়োজনে ফিফা এবং সৌদি আরব ফুটবল ফেডারেশনের শীর্ষ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। পরে রিয়াদের একটি বিশেষ প্রদর্শনী কেন্দ্রে জনসাধারণের জন্য ট্রফিটি উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়, যেখানে হাজারো দর্শক বিশ্বের সর্বোচ্চ সম্মানের ট্রফিটি কাছ থেকে দেখার সুযোগ পান।
ফিফা জানায়, এ বছরের ট্রফি ট্যুরটি ইতিহাসের সবচেয়ে বিস্তৃত ট্যুর হতে যাচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী এটি ৭৫টিরও বেশি স্টপ অতিক্রম করবে এবং মোট ১৫০ দিনের বেশি সময় বিশ্বজুড়ে প্রদর্শিত হবে। ফুটবলের প্রতি জনগণের আগ্রহ বৃদ্ধি, বিশ্বকাপকে ঘিরে বিশ্বব্যাপী উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি এবং ভক্তদের জন্য ট্রফি দেখার সুযোগ তৈরি করাই এই ট্যুরের মূল উদ্দেশ্য।
বিশ্বকাপ ট্রফির আগমনকে ঘিরে বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ইতোমধ্যেই উৎসাহ দেখা যাচ্ছে। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) জানিয়েছে, আগামী ১৪ জানুয়ারি ট্রফিটি ঢাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদর্শন করা হবে। ট্রফি ঢাকায় পৌঁছে কোকা-কোলা ও বাফুফের যৌথ তত্ত্বাবধানে একটি বিশেষ প্রদর্শনীতে রাখা হবে, যেখানে আমন্ত্রিত অতিথিদের পাশাপাশি সাধারণ দর্শকদের জন্যও ট্রফি দেখার সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
এটি হবে বাংলাদেশের মাটিতে বিশ্বকাপ ট্রফির আরেকটি ঐতিহাসিক প্রদর্শনী। ফুটবল বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন আয়োজন দেশের তরুণ ফুটবলপ্রেমীদের অনুপ্রাণিত করবে এবং আন্তর্জাতিক ফুটবলের সঙ্গে দেশের সংযোগ আরও জোরদার করবে।
বাংলাদেশ সফরের আগে ট্রফিটি মধ্যপ্রাচ্যসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ অতিক্রম করবে এবং পরে দক্ষিণ এশিয়া ও পূর্ব এশিয়ার অন্যান্য দেশে যাত্রা করবে। ২০২৬ বিশ্বকাপ আয়োজিত হবে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে—একে সামনে রেখে বিশ্বজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে দিতে ফিফার এই ট্যুর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জানুয়ারি ২০২৬
বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ প্রতীক ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি বর্তমানে অবস্থান করছে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে। ২০২৬ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ফিফা ও কোকা-কোলার যৌথ উদ্যোগে শুরু হয়েছে ‘FIFA World Cup Trophy Tour 2026’। রিয়াদেই ট্যুরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয় এবং এখান থেকেই শুরু হয়েছে ৩০টি দেশজুড়ে বিস্তৃত এই গ্লোবাল সফর। ট্যুরের অংশ হিসেবে আগামী ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ এই ট্রফি প্রদর্শিত হবে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়।
৩ জানুয়ারি বিশেষ বিমানে ট্রফিটি রিয়াদে পৌঁছায়। আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশ্বকাপজয়ী ইতালিয়ান ফুটবল কিংবদন্তি আলেসান্ড্রো দেল পিয়েরো আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রফিটি উন্মোচন করেন। উদ্বোধনী আয়োজনে ফিফা এবং সৌদি আরব ফুটবল ফেডারেশনের শীর্ষ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। পরে রিয়াদের একটি বিশেষ প্রদর্শনী কেন্দ্রে জনসাধারণের জন্য ট্রফিটি উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়, যেখানে হাজারো দর্শক বিশ্বের সর্বোচ্চ সম্মানের ট্রফিটি কাছ থেকে দেখার সুযোগ পান।
ফিফা জানায়, এ বছরের ট্রফি ট্যুরটি ইতিহাসের সবচেয়ে বিস্তৃত ট্যুর হতে যাচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী এটি ৭৫টিরও বেশি স্টপ অতিক্রম করবে এবং মোট ১৫০ দিনের বেশি সময় বিশ্বজুড়ে প্রদর্শিত হবে। ফুটবলের প্রতি জনগণের আগ্রহ বৃদ্ধি, বিশ্বকাপকে ঘিরে বিশ্বব্যাপী উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি এবং ভক্তদের জন্য ট্রফি দেখার সুযোগ তৈরি করাই এই ট্যুরের মূল উদ্দেশ্য।
বিশ্বকাপ ট্রফির আগমনকে ঘিরে বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ইতোমধ্যেই উৎসাহ দেখা যাচ্ছে। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) জানিয়েছে, আগামী ১৪ জানুয়ারি ট্রফিটি ঢাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদর্শন করা হবে। ট্রফি ঢাকায় পৌঁছে কোকা-কোলা ও বাফুফের যৌথ তত্ত্বাবধানে একটি বিশেষ প্রদর্শনীতে রাখা হবে, যেখানে আমন্ত্রিত অতিথিদের পাশাপাশি সাধারণ দর্শকদের জন্যও ট্রফি দেখার সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
এটি হবে বাংলাদেশের মাটিতে বিশ্বকাপ ট্রফির আরেকটি ঐতিহাসিক প্রদর্শনী। ফুটবল বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন আয়োজন দেশের তরুণ ফুটবলপ্রেমীদের অনুপ্রাণিত করবে এবং আন্তর্জাতিক ফুটবলের সঙ্গে দেশের সংযোগ আরও জোরদার করবে।
বাংলাদেশ সফরের আগে ট্রফিটি মধ্যপ্রাচ্যসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ অতিক্রম করবে এবং পরে দক্ষিণ এশিয়া ও পূর্ব এশিয়ার অন্যান্য দেশে যাত্রা করবে। ২০২৬ বিশ্বকাপ আয়োজিত হবে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে—একে সামনে রেখে বিশ্বজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে দিতে ফিফার এই ট্যুর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন