ভারতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা জুবিন গার্গের স্মৃতি সংরক্ষণে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন তাঁর স্ত্রী গরিমা শাইকীয়া গার্গ। প্রখ্যাত এই শিল্পীর মৃত্যুর পর তাঁর সৃষ্টিকর্মকে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে অমর করে রাখতে পরিবার গঠন করছে একটি বিশেষ ট্রাস্ট। ইতোমধ্যে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এসেছে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ট্রাস্টটির মূল লক্ষ্য হবে জুবিন গার্গের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে সৃষ্ট গান, সুর, লেখা, চলচ্চিত্রকর্ম এবং অন্যান্য শিল্পসম্পদ সংরক্ষণ ও গবেষণার জন্য বিশেষ আর্কাইভ তৈরি করা। জুবিনের অপ্রকাশিত গান, ব্যক্তিগত নোট এবং অসমাপ্ত সৃজনশীল কাজগুলোও এই আর্কাইভে স্থান পাবে।
গরিমা শাইকীয়া জানান, জুবিন শুধু একজন শিল্পী নন, তিনি ছিলেন এক চিন্তাধারা ও মানবিক দর্শনের প্রতীক। তাঁর সমাজ, প্রকৃতি ও সংস্কৃতি নিয়ে যে গভীর ভাবনা ছিল, সেই আদর্শগুলোকে বাস্তবে রূপ দিতেই এই ট্রাস্ট গঠন করা হচ্ছে। ট্রাস্টের অধীনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন, তরুণ শিল্পীদের সহায়তা, পরিবেশ রক্ষায় উদ্যোগ এবং আসামের সংস্কৃতি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরার পরিকল্পনাও রয়েছে।
জুবিন গার্গের মৃত্যুর পর আসামসহ বিভিন্ন স্থানে ভক্তরা নানা স্মরণ অনুষ্ঠান আয়োজন করে শিল্পীকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। তাঁদের ভালোবাসা ও আবেগ থেকেই অনুপ্রাণিত হয়ে ট্রাস্টটিতে ভক্তদের অংশগ্রহণও নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন গরিমা। তিনি বলেন, “জুবিনের স্বপ্ন ছিল সমাজের জন্য কিছু করা। আমরা চাই তাঁর সেই কাজ ও দর্শন যেন সময়ের সঙ্গে হারিয়ে না যায়।”
পরিবার আরও জানায়, ভবিষ্যতে ‘জুবিন গার্গ স্মৃতি সম্মাননা’ চালু করা এবং শিল্পীর নামে মিউজিক অ্যান্ড কালচার সেন্টার প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনাও রয়েছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে জুবিন গার্গের শিল্পচর্চা, দর্শন ও মানবিকতা আগামী প্রজন্মের সামনে তুলে ধরা হবে।
জুবিন গার্গ ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সিঙ্গাপুরে মারা যান। তাঁর মৃত্যু ভারতের সংগীত জগতে এক গভীর শূন্যতা তৈরি করে। তবে স্ত্রী গরিমার সাম্প্রতিক উদ্যোগ শিল্পীর স্বপ্ন, কাজ ও সৃষ্টিকে আবার নতুনভাবে আলোয় আনবে বলে আশা করছেন ভক্তরা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জানুয়ারি ২০২৬
ভারতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা জুবিন গার্গের স্মৃতি সংরক্ষণে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন তাঁর স্ত্রী গরিমা শাইকীয়া গার্গ। প্রখ্যাত এই শিল্পীর মৃত্যুর পর তাঁর সৃষ্টিকর্মকে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে অমর করে রাখতে পরিবার গঠন করছে একটি বিশেষ ট্রাস্ট। ইতোমধ্যে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এসেছে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ট্রাস্টটির মূল লক্ষ্য হবে জুবিন গার্গের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে সৃষ্ট গান, সুর, লেখা, চলচ্চিত্রকর্ম এবং অন্যান্য শিল্পসম্পদ সংরক্ষণ ও গবেষণার জন্য বিশেষ আর্কাইভ তৈরি করা। জুবিনের অপ্রকাশিত গান, ব্যক্তিগত নোট এবং অসমাপ্ত সৃজনশীল কাজগুলোও এই আর্কাইভে স্থান পাবে।
গরিমা শাইকীয়া জানান, জুবিন শুধু একজন শিল্পী নন, তিনি ছিলেন এক চিন্তাধারা ও মানবিক দর্শনের প্রতীক। তাঁর সমাজ, প্রকৃতি ও সংস্কৃতি নিয়ে যে গভীর ভাবনা ছিল, সেই আদর্শগুলোকে বাস্তবে রূপ দিতেই এই ট্রাস্ট গঠন করা হচ্ছে। ট্রাস্টের অধীনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন, তরুণ শিল্পীদের সহায়তা, পরিবেশ রক্ষায় উদ্যোগ এবং আসামের সংস্কৃতি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরার পরিকল্পনাও রয়েছে।
জুবিন গার্গের মৃত্যুর পর আসামসহ বিভিন্ন স্থানে ভক্তরা নানা স্মরণ অনুষ্ঠান আয়োজন করে শিল্পীকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। তাঁদের ভালোবাসা ও আবেগ থেকেই অনুপ্রাণিত হয়ে ট্রাস্টটিতে ভক্তদের অংশগ্রহণও নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন গরিমা। তিনি বলেন, “জুবিনের স্বপ্ন ছিল সমাজের জন্য কিছু করা। আমরা চাই তাঁর সেই কাজ ও দর্শন যেন সময়ের সঙ্গে হারিয়ে না যায়।”
পরিবার আরও জানায়, ভবিষ্যতে ‘জুবিন গার্গ স্মৃতি সম্মাননা’ চালু করা এবং শিল্পীর নামে মিউজিক অ্যান্ড কালচার সেন্টার প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনাও রয়েছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে জুবিন গার্গের শিল্পচর্চা, দর্শন ও মানবিকতা আগামী প্রজন্মের সামনে তুলে ধরা হবে।
জুবিন গার্গ ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সিঙ্গাপুরে মারা যান। তাঁর মৃত্যু ভারতের সংগীত জগতে এক গভীর শূন্যতা তৈরি করে। তবে স্ত্রী গরিমার সাম্প্রতিক উদ্যোগ শিল্পীর স্বপ্ন, কাজ ও সৃষ্টিকে আবার নতুনভাবে আলোয় আনবে বলে আশা করছেন ভক্তরা।

আপনার মতামত লিখুন