দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসসহ বিভিন্ন অঞ্চলে শনিবার ভোরে বিস্ফোরণ ও সামরিক কর্মকাণ্ডের রিপোর্ট এসেছে, এবং দেশটির সরকার যুক্তরাষ্ট্রকে সরাসরি হামলার দায়ি করে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে।
সরকারি সূত্রে দাবি করা হয়েছে, কারাকাসে অন্তত সাতটি বিস্ফোরণ ঘটেছে এবং শহরের বিভিন্ন স্থানে উচ্চ শব্দের বিস্ফোরণ ও ধোঁয়ার আমাকে দেখা গেছে, যা সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত করেছে। স্থানীয়দের অনেকেই বিস্ফোরণের সময় নিচু করে উড়োজাহাজও লক্ষ্য করেছেন।
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো সরকারীয় বিবৃতিতে বলেন, এটা একটি “সর্মথিত সামরিক আগ্রাসন”, এবং যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্য তাদের দেশের তেল, খনিজ সম্পদ দখল করা ও রাজনৈতিক স্বাধীনতা ধ্বংস করা। তিনি জনগণকে সতর্ক থাকার ও দেশজুড়ে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করার নির্দেশ দিয়েছেন।
সরকারি বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে যে হামলা শুধু কারাকাসেই সীমাবদ্ধ ছিল না—এটি মিরান্ডা, আরাগুয়া ও লা গুয়াইরা রাজ্যেও ঘটেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ভেনেজুয়েলা সরকার এই ঘটনাকে আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে বর্ণনা করেছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে এটি নিন্দার দাবিও তুলেছে।
এই সুযোগে দেশটিতে জাতীয় জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এবং মাদুরো বলছেন, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে।
অপরদিকে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়েছে এবং সেখানে উদ্দেশ্যমূলক লক্ষ্যবস্তুর ওপর বিমান হামলা চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বলে মার্কিন কর্মকর্তারা স্বেচ্ছায় বিবৃতি দিয়েছেন।
এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি হাতে না এলেও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রিপোর্ট করেছে যে ট্রাম্প প্রশাসন এই হামলার ব্যাপারে জড়িত, এমন তথ্য রয়েছে।
কারাকাস ও অন্যান্য স্থানে বিস্ফোরণের পর সামরিক এলাকায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতাসহ সাময়িকভাবে যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় নাগরিক এবং সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে এই পরিস্থিতি প্রতিদিন সরাসরি পর্যবেক্ষণ করছেন।
এ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহল থেকে মধ্যস্থতা, শান্তি রক্ষা ও পরিস্থিতি শীতল করার আহ্বান পাওয়া গেছে। তবে পরিস্থিতি এখনও উন্নয়নশীল, এবং আরও তথ্য হাতে এলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো তা আপডেট করছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জানুয়ারি ২০২৬
দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসসহ বিভিন্ন অঞ্চলে শনিবার ভোরে বিস্ফোরণ ও সামরিক কর্মকাণ্ডের রিপোর্ট এসেছে, এবং দেশটির সরকার যুক্তরাষ্ট্রকে সরাসরি হামলার দায়ি করে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে।
সরকারি সূত্রে দাবি করা হয়েছে, কারাকাসে অন্তত সাতটি বিস্ফোরণ ঘটেছে এবং শহরের বিভিন্ন স্থানে উচ্চ শব্দের বিস্ফোরণ ও ধোঁয়ার আমাকে দেখা গেছে, যা সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত করেছে। স্থানীয়দের অনেকেই বিস্ফোরণের সময় নিচু করে উড়োজাহাজও লক্ষ্য করেছেন।
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো সরকারীয় বিবৃতিতে বলেন, এটা একটি “সর্মথিত সামরিক আগ্রাসন”, এবং যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্য তাদের দেশের তেল, খনিজ সম্পদ দখল করা ও রাজনৈতিক স্বাধীনতা ধ্বংস করা। তিনি জনগণকে সতর্ক থাকার ও দেশজুড়ে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করার নির্দেশ দিয়েছেন।
সরকারি বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে যে হামলা শুধু কারাকাসেই সীমাবদ্ধ ছিল না—এটি মিরান্ডা, আরাগুয়া ও লা গুয়াইরা রাজ্যেও ঘটেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ভেনেজুয়েলা সরকার এই ঘটনাকে আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে বর্ণনা করেছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে এটি নিন্দার দাবিও তুলেছে।
এই সুযোগে দেশটিতে জাতীয় জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এবং মাদুরো বলছেন, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে।
অপরদিকে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়েছে এবং সেখানে উদ্দেশ্যমূলক লক্ষ্যবস্তুর ওপর বিমান হামলা চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বলে মার্কিন কর্মকর্তারা স্বেচ্ছায় বিবৃতি দিয়েছেন।
এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি হাতে না এলেও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রিপোর্ট করেছে যে ট্রাম্প প্রশাসন এই হামলার ব্যাপারে জড়িত, এমন তথ্য রয়েছে।
কারাকাস ও অন্যান্য স্থানে বিস্ফোরণের পর সামরিক এলাকায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতাসহ সাময়িকভাবে যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় নাগরিক এবং সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে এই পরিস্থিতি প্রতিদিন সরাসরি পর্যবেক্ষণ করছেন।
এ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহল থেকে মধ্যস্থতা, শান্তি রক্ষা ও পরিস্থিতি শীতল করার আহ্বান পাওয়া গেছে। তবে পরিস্থিতি এখনও উন্নয়নশীল, এবং আরও তথ্য হাতে এলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো তা আপডেট করছে।

আপনার মতামত লিখুন