পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার চৌদ্দশত ইউনিয়নের সুলতানপুর/ধলিয়ার চর গ্রামে প্রায় ২৫ হাজার মানুষের চলাচলের একমাত্র রাস্তায় গাছের চারা রোপণ ও বাঁশের বেড়া দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের দৈনন্দিন চলাচল চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
এলাকাবাসী জানান, গুনি প্রফেসারের বাড়ি থেকে গাবতলী বাজার পর্যন্ত সংযোগকারী প্রায় ১০০ বছরের পুরোনো এই রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তবে সম্প্রতি বুলবুল গং রাস্তার জায়গা নিজেদের দাবি করে সেখানে চারা রোপণ ও বাঁশের বেড়া দিয়ে পথ বন্ধ করে দেয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক মাস আগে দুলাল গংয়ের সঙ্গে বুলবুল গংয়ের গাছ বিক্রি নিয়ে বিরোধের সূত্রপাত হয়। গাছ কাটার সময় দুলাল পক্ষের পাশে থাকা একটি বাথরুমের ঢাকনা ভেঙে গেলে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। পূর্বসমঝোতা অনুযায়ী বুলবুল গং নতুন ঢাকনা কিনে দেওয়ার কথা থাকলেও তা না করায় বিরোধ আরও তীব্র হয়। এরই ধারাবাহিকতায় রাস্তা বন্ধের মতো চরম সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।
স্থানীয়রা জানান, দুলাল গং পেশায় অটোচালক হলেও বুলবুল গং এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় এমন ঘটনা ঘটাতে পেরেছে। অন্যদিকে বুলবুল গংয়ের দাবি, রাস্তার জায়গাটি তাদের নিজস্ব সম্পত্তি। যদিও ইউনিয়ন পরিষদের বরাদ্দ ইট দিয়ে ওই রাস্তায় আগে সলিং করা হয়েছিল।
এ বিষয়ে জানা গেছে, সার্ভেয়ার ও ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য তোতা মিয়ার উপস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে দরবার অনুষ্ঠিত হয়। তবে পরে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তোতা মিয়া জানান, দরবার শেষ হওয়ার পর রাস্তায় চারা রোপণ করে পথ বন্ধ করার বিষয়টি তিনি জানতেন না।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, প্রশাসনের হস্তক্ষেপে দ্রুত রাস্তা খুলে দিয়ে আগের মতো স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করা হোক। তা না হলে হাজার হাজার মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়বে বলে তারা আশঙ্কা করছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জানুয়ারি ২০২৬
পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার চৌদ্দশত ইউনিয়নের সুলতানপুর/ধলিয়ার চর গ্রামে প্রায় ২৫ হাজার মানুষের চলাচলের একমাত্র রাস্তায় গাছের চারা রোপণ ও বাঁশের বেড়া দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের দৈনন্দিন চলাচল চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
এলাকাবাসী জানান, গুনি প্রফেসারের বাড়ি থেকে গাবতলী বাজার পর্যন্ত সংযোগকারী প্রায় ১০০ বছরের পুরোনো এই রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তবে সম্প্রতি বুলবুল গং রাস্তার জায়গা নিজেদের দাবি করে সেখানে চারা রোপণ ও বাঁশের বেড়া দিয়ে পথ বন্ধ করে দেয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক মাস আগে দুলাল গংয়ের সঙ্গে বুলবুল গংয়ের গাছ বিক্রি নিয়ে বিরোধের সূত্রপাত হয়। গাছ কাটার সময় দুলাল পক্ষের পাশে থাকা একটি বাথরুমের ঢাকনা ভেঙে গেলে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। পূর্বসমঝোতা অনুযায়ী বুলবুল গং নতুন ঢাকনা কিনে দেওয়ার কথা থাকলেও তা না করায় বিরোধ আরও তীব্র হয়। এরই ধারাবাহিকতায় রাস্তা বন্ধের মতো চরম সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।
স্থানীয়রা জানান, দুলাল গং পেশায় অটোচালক হলেও বুলবুল গং এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় এমন ঘটনা ঘটাতে পেরেছে। অন্যদিকে বুলবুল গংয়ের দাবি, রাস্তার জায়গাটি তাদের নিজস্ব সম্পত্তি। যদিও ইউনিয়ন পরিষদের বরাদ্দ ইট দিয়ে ওই রাস্তায় আগে সলিং করা হয়েছিল।
এ বিষয়ে জানা গেছে, সার্ভেয়ার ও ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য তোতা মিয়ার উপস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে দরবার অনুষ্ঠিত হয়। তবে পরে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তোতা মিয়া জানান, দরবার শেষ হওয়ার পর রাস্তায় চারা রোপণ করে পথ বন্ধ করার বিষয়টি তিনি জানতেন না।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, প্রশাসনের হস্তক্ষেপে দ্রুত রাস্তা খুলে দিয়ে আগের মতো স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করা হোক। তা না হলে হাজার হাজার মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়বে বলে তারা আশঙ্কা করছেন।

আপনার মতামত লিখুন