বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেছেন, তিনি দল ছেড়ে যাননি এবং তার এলাকার মানুষকেও ছাড়েননি। সম্প্রতি প্রতিপক্ষের মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রার্থীতা দেওয়া ও দলীয় সিদ্ধান্তের বিপরীতে কাজ করার কারণে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হলেও রুমিন এ কথা স্পষ্ট করেছেন।
এদিন তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর এলাকায় স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন এবং প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া পরিচালনা করেন। সেখানে তিনি বলেন, “আমি দল ছেড়ে যাইনি। আমি এলাকার মানুষকেও ছাড়িনি। দেশনেত্রী খালেদা জিয়া আমার ওপর লড়াইয়ের যে দায়িত্ব দিয়ে গেছেন, সেটা শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত পালন করব।”
রুমিন ফারহানা আরও বলেন যে, নেত্রীর লাশ দাফনও শেষ না করে তার বিরুদ্ধে বহিষ্কারাদেশ এসেছে, এবং যদি তার ওপর কোনো অন্যায় হয়ে থাকে তাহলে তার বিচার আল্লাহর হাতে ছেড়ে দিয়েছেন। তিনি নিজের নির্বাচনী লড়াইকে মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতার ফল হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
এর আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল ও আশুগঞ্জ) আসনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন, যেটি বিএনপি থেকে মনোনয়ন না পেলে করার কথা তিনি দলীয় হাইকমান্ডকে আগেই জানিয়েছিলেন। ভোটের আসনটি জোট অংশীদার জামিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ-কে দেওয়া হওয়ায় তিনি দলবিরোধী সিদ্ধান্ত নেননি বরং স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের অনুরোধে স্বতন্ত্রভাবে লড়াইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এই প্রেক্ষাপটে বিএনপি সম্প্রতি রুমিন ফারহানা সহ আরও নেতাদের দলীয় শৃঙ্খলা লঙ্ঘনের অভিযোগে বহিষ্কার করেছে। দলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তারা দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সংগঠনিক কার্যক্রম চালাচ্ছেন, যার জন্য তাদের প্রাথমিক সদস্যপদ ও সব স্তরের পদ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া নির্বাচনে তার আফিডেভিট অনুযায়ী মোট সম্পদ Tk 65 লাখের মতো, যার মধ্যে তিনি ঢাকা শহরে উত্তরাধিকারে বিভিন্ন জমি ও ফ্ল্যাটের মালিক — এই তথ্যও নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হয়।
রুমিন ফারহানা বলেন, তিনি দল ত্যাগ করেননি বরং তার রাজনৈতিক লড়াই মানুষের জন্য অব্যাহত রাখবেন, এবং দলীয় পরিচয় না থাকলেও মানুষের জন্য কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জানুয়ারি ২০২৬
বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেছেন, তিনি দল ছেড়ে যাননি এবং তার এলাকার মানুষকেও ছাড়েননি। সম্প্রতি প্রতিপক্ষের মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রার্থীতা দেওয়া ও দলীয় সিদ্ধান্তের বিপরীতে কাজ করার কারণে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হলেও রুমিন এ কথা স্পষ্ট করেছেন।
এদিন তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর এলাকায় স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন এবং প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া পরিচালনা করেন। সেখানে তিনি বলেন, “আমি দল ছেড়ে যাইনি। আমি এলাকার মানুষকেও ছাড়িনি। দেশনেত্রী খালেদা জিয়া আমার ওপর লড়াইয়ের যে দায়িত্ব দিয়ে গেছেন, সেটা শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত পালন করব।”
রুমিন ফারহানা আরও বলেন যে, নেত্রীর লাশ দাফনও শেষ না করে তার বিরুদ্ধে বহিষ্কারাদেশ এসেছে, এবং যদি তার ওপর কোনো অন্যায় হয়ে থাকে তাহলে তার বিচার আল্লাহর হাতে ছেড়ে দিয়েছেন। তিনি নিজের নির্বাচনী লড়াইকে মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতার ফল হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
এর আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল ও আশুগঞ্জ) আসনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন, যেটি বিএনপি থেকে মনোনয়ন না পেলে করার কথা তিনি দলীয় হাইকমান্ডকে আগেই জানিয়েছিলেন। ভোটের আসনটি জোট অংশীদার জামিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ-কে দেওয়া হওয়ায় তিনি দলবিরোধী সিদ্ধান্ত নেননি বরং স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের অনুরোধে স্বতন্ত্রভাবে লড়াইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এই প্রেক্ষাপটে বিএনপি সম্প্রতি রুমিন ফারহানা সহ আরও নেতাদের দলীয় শৃঙ্খলা লঙ্ঘনের অভিযোগে বহিষ্কার করেছে। দলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তারা দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সংগঠনিক কার্যক্রম চালাচ্ছেন, যার জন্য তাদের প্রাথমিক সদস্যপদ ও সব স্তরের পদ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া নির্বাচনে তার আফিডেভিট অনুযায়ী মোট সম্পদ Tk 65 লাখের মতো, যার মধ্যে তিনি ঢাকা শহরে উত্তরাধিকারে বিভিন্ন জমি ও ফ্ল্যাটের মালিক — এই তথ্যও নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হয়।
রুমিন ফারহানা বলেন, তিনি দল ত্যাগ করেননি বরং তার রাজনৈতিক লড়াই মানুষের জন্য অব্যাহত রাখবেন, এবং দলীয় পরিচয় না থাকলেও মানুষের জন্য কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন