ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

ওসমান হাদি হত্যায় সঞ্জয় ও ফয়সালের দায় স্বীকার


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০১ জানুয়ারি ২০২৬

ওসমান হাদি হত্যায় সঞ্জয় ও ফয়সালের দায় স্বীকার
শরিফ ওসমান বিন হাদি

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার হওয়া সঞ্জয় চিসিমমো. ফয়সাল করিম মাসুদ আজ (১ জানুয়ারি) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নিজ হাতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। পূর্ণ স্বেচ্ছায় তাঁরা আদালতের সামনে নিজেদের জড়িত থাকার কথা বলেছেন, যার পর আদালত তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। 

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, ডিবি পুলিশের ইনস্পেক্টর ফয়সাল আহমেদ আজ সকালে তাদের আদালতে হাজির করে বলেন, দুই আসামিই স্বীকারোক্তি দিতে প্রস্তুত। আদালত তাদের তিন দিনের রিমান্ড শেষে স্বীকারোক্তি রেকর্ড করেন। এরপর তাদেরকে আদালত জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন। 

সঞ্জয় চিসিম ও ফয়সাল-কে ১৪ ডিসেম্বর শেরপুরের নলিতাবাড়ি সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পুলিশ অভিযোগ করে যে, তাঁরা মূল সন্দেহভাজন ফয়নাল করিম মাসুদকে সীমান্ত পার হওয়ার ক্ষেত্রে সহায়তা করেছিলেন। 

হাদির গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা গত ১২ ডিসেম্বর পল্টন এলাকায় ঘটে। চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে গুলি করে তাঁকে লক্ষ্য করা হয়, গুরুতর অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানেই তার মৃত্যু ঘটে। 

এ ঘটনায় তদন্তে ছাড়াও ফয়সাল করিম মাসুদের বাবা-মামো. হুমায়ুন কবিরমোসাম্মত হাসি বেগম — আদালতে নিজ দোষ স্বীকার করে বলেছেন যে তারা হত্যাকাণ্ডের পর ফয়সালকে পালাতে সাহায্য করেছিলেন এবং অস্ত্র লুকিয়ে রেখেছিলেন বলে স্বীকার করেছেন। এই স্বীকারোক্তি শুনে আদালত তাদেরকেও কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। 

অপর দিকে, ফয়সাল নিজে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তায় নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন এবং বলেছেন তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত নন, এখানে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। তবে গোয়েন্দা পুলিশের দাবি, তাদের কাছে পর্যাপ্ত প্রমাণ ও সাক্ষ্য রয়েছে যা তাকে হত্যাকাণ্ডে জড়িত হিসেবে স্থির করেছে। 

এই আপডেট অনুসারে, মামলার তদন্ত এখনো চলছে এবং গ্রেপ্তারকৃতদের স্বীকারোক্তি প্রমাণ ভিত্তিতে মামলাটি আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পরবর্তী সময়ে পূর্ণাঙ্গ চার্জশিট দাখিলের জন্য কাজ চলছে, এবং তদন্তে অন্য সহযোগীদের শনাক্ত করতেও তৎপরতা চলছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


ওসমান হাদি হত্যায় সঞ্জয় ও ফয়সালের দায় স্বীকার

প্রকাশের তারিখ : ০১ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার হওয়া সঞ্জয় চিসিমমো. ফয়সাল করিম মাসুদ আজ (১ জানুয়ারি) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নিজ হাতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। পূর্ণ স্বেচ্ছায় তাঁরা আদালতের সামনে নিজেদের জড়িত থাকার কথা বলেছেন, যার পর আদালত তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। 

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, ডিবি পুলিশের ইনস্পেক্টর ফয়সাল আহমেদ আজ সকালে তাদের আদালতে হাজির করে বলেন, দুই আসামিই স্বীকারোক্তি দিতে প্রস্তুত। আদালত তাদের তিন দিনের রিমান্ড শেষে স্বীকারোক্তি রেকর্ড করেন। এরপর তাদেরকে আদালত জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন। 

সঞ্জয় চিসিম ও ফয়সাল-কে ১৪ ডিসেম্বর শেরপুরের নলিতাবাড়ি সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পুলিশ অভিযোগ করে যে, তাঁরা মূল সন্দেহভাজন ফয়নাল করিম মাসুদকে সীমান্ত পার হওয়ার ক্ষেত্রে সহায়তা করেছিলেন। 

হাদির গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা গত ১২ ডিসেম্বর পল্টন এলাকায় ঘটে। চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে গুলি করে তাঁকে লক্ষ্য করা হয়, গুরুতর অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানেই তার মৃত্যু ঘটে। 

এ ঘটনায় তদন্তে ছাড়াও ফয়সাল করিম মাসুদের বাবা-মামো. হুমায়ুন কবিরমোসাম্মত হাসি বেগম — আদালতে নিজ দোষ স্বীকার করে বলেছেন যে তারা হত্যাকাণ্ডের পর ফয়সালকে পালাতে সাহায্য করেছিলেন এবং অস্ত্র লুকিয়ে রেখেছিলেন বলে স্বীকার করেছেন। এই স্বীকারোক্তি শুনে আদালত তাদেরকেও কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। 

অপর দিকে, ফয়সাল নিজে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তায় নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন এবং বলেছেন তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত নন, এখানে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। তবে গোয়েন্দা পুলিশের দাবি, তাদের কাছে পর্যাপ্ত প্রমাণ ও সাক্ষ্য রয়েছে যা তাকে হত্যাকাণ্ডে জড়িত হিসেবে স্থির করেছে। 

এই আপডেট অনুসারে, মামলার তদন্ত এখনো চলছে এবং গ্রেপ্তারকৃতদের স্বীকারোক্তি প্রমাণ ভিত্তিতে মামলাটি আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পরবর্তী সময়ে পূর্ণাঙ্গ চার্জশিট দাখিলের জন্য কাজ চলছে, এবং তদন্তে অন্য সহযোগীদের শনাক্ত করতেও তৎপরতা চলছে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ