দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকায় ঠান্ডাজনিত রোগের প্রকোপ উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। ঘন কুয়াশা, কম তাপমাত্রা ও শীতল বাতাসের প্রভাবে জনজীবন ব্যাহত হচ্ছে; একই সঙ্গে হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে বাড়ছে সর্দি-কাশি, জ্বর, শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। চিকিৎসকরা বলছেন, শীতের এই পরিস্থিতিতে শিশু ও বয়স্করা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন, কারণ তাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা তুলনামূলকভাবে দুর্বল।
স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, শীতে ভাইরাসজনিত শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে ব্রঙ্কিওলাইটিস ও নিউমোনিয়ার ঝুঁকি বাড়ছে, যা সময়মতো চিকিৎসা না পেলে জটিল আকার ধারণ করতে পারে। অপরদিকে বয়স্কদের ক্ষেত্রে হাঁপানি, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসের মতো দীর্ঘমেয়াদি রোগ শীতে আরও তীব্র হয়ে ওঠার আশঙ্কা থাকে, ফলে সামান্য সর্দি-কাশিও গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রূপ নিতে পারে।
চিকিৎসকদের মতে, ঠান্ডা আবহাওয়ায় শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে এবং শুষ্ক বাতাস শ্বাসনালিকে সংবেদনশীল করে তোলে। ফলে দীর্ঘস্থায়ী কাশি, শ্বাস নিতে কষ্ট, বুক ধড়ফড় করা কিংবা হঠাৎ জ্বর দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া জরুরি। পাশাপাশি শিশুদের ক্ষেত্রে খাবারে অনীহা, অতিরিক্ত কান্না বা শ্বাসপ্রশ্বাসের গতি বেড়ে যাওয়াকে সতর্ক সংকেত হিসেবে বিবেচনা করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা শীতজনিত রোগ প্রতিরোধে উষ্ণ পোশাক পরা, মাথা ও পা ঢেকে রাখা, পর্যাপ্ত পানি পান, পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ এবং অপ্রয়োজনে ভিড় এড়িয়ে চলার ওপর জোর দিয়েছেন। একই সঙ্গে শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ঘরের ভেতরে উষ্ণ পরিবেশ বজায় রাখা এবং দীর্ঘদিনের রোগে আক্রান্তদের নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। শীতের এই সময়ে সচেতনতা ও সময়োচিত চিকিৎসাই ঠান্ডাজনিত রোগ থেকে সুরক্ষার প্রধান উপায় বলে মনে করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জানুয়ারি ২০২৬
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকায় ঠান্ডাজনিত রোগের প্রকোপ উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। ঘন কুয়াশা, কম তাপমাত্রা ও শীতল বাতাসের প্রভাবে জনজীবন ব্যাহত হচ্ছে; একই সঙ্গে হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে বাড়ছে সর্দি-কাশি, জ্বর, শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। চিকিৎসকরা বলছেন, শীতের এই পরিস্থিতিতে শিশু ও বয়স্করা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন, কারণ তাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা তুলনামূলকভাবে দুর্বল।
স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, শীতে ভাইরাসজনিত শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে ব্রঙ্কিওলাইটিস ও নিউমোনিয়ার ঝুঁকি বাড়ছে, যা সময়মতো চিকিৎসা না পেলে জটিল আকার ধারণ করতে পারে। অপরদিকে বয়স্কদের ক্ষেত্রে হাঁপানি, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসের মতো দীর্ঘমেয়াদি রোগ শীতে আরও তীব্র হয়ে ওঠার আশঙ্কা থাকে, ফলে সামান্য সর্দি-কাশিও গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রূপ নিতে পারে।
চিকিৎসকদের মতে, ঠান্ডা আবহাওয়ায় শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে এবং শুষ্ক বাতাস শ্বাসনালিকে সংবেদনশীল করে তোলে। ফলে দীর্ঘস্থায়ী কাশি, শ্বাস নিতে কষ্ট, বুক ধড়ফড় করা কিংবা হঠাৎ জ্বর দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া জরুরি। পাশাপাশি শিশুদের ক্ষেত্রে খাবারে অনীহা, অতিরিক্ত কান্না বা শ্বাসপ্রশ্বাসের গতি বেড়ে যাওয়াকে সতর্ক সংকেত হিসেবে বিবেচনা করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা শীতজনিত রোগ প্রতিরোধে উষ্ণ পোশাক পরা, মাথা ও পা ঢেকে রাখা, পর্যাপ্ত পানি পান, পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ এবং অপ্রয়োজনে ভিড় এড়িয়ে চলার ওপর জোর দিয়েছেন। একই সঙ্গে শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ঘরের ভেতরে উষ্ণ পরিবেশ বজায় রাখা এবং দীর্ঘদিনের রোগে আক্রান্তদের নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। শীতের এই সময়ে সচেতনতা ও সময়োচিত চিকিৎসাই ঠান্ডাজনিত রোগ থেকে সুরক্ষার প্রধান উপায় বলে মনে করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

আপনার মতামত লিখুন