বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া গত ৩০ ডিসেম্বর মারা যাওয়ার পরেও দলের নির্বাচনী প্রস্তুতি তৎপর রেখে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পর্কে নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যদিও তিনি তিনটি আসন — ফেনী-১, বগুড়া-৭ ও দিনাজপুর-৩ — থেকে লড়াই করার জন্য নিজে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন, তার অসুস্থতা ও পরবর্তীতে মৃত্যু হওয়ায় দল মাঠে প্রস্তুত অতিরিক্ত প্রার্থীদের রাখা হয়েছে ও তাদেরকেই এবার প্রার্থী হিসেবে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।
বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের জানান, খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে যাঁরা বিকল্প হিসেবে ওই তিনটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা করেছেন, তিনিই এবার দলীয় প্রার্থী হবেন, যদি নির্বাচন কমিশন তাদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে। এর ফলে খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র যে পর্যায়ে ছিল, সেই জন্য ভোট প্রক্রিয়া স্থগিত হবে না — নির্বাচন আগের মতো চলবে এবং প্রতীক বরাদ্দসহ ভোটের প্রস্তুতি সম্পন্ন হবে।
নির্বাচন কমিশনের রিটার্নিং কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মনোনয়নপত্র যাচাইয়ের আগেই খালেদা জিয়ার মৃত্যু হলেও ভোট প্রক্রিয়া থেমে যায় না। তফসিল অনুযায়ী নির্ধারিত সময়েই মনোনয়ন যাচাই অনুষ্ঠিত হবে এবং বিকল্প প্রার্থীদের মনোনয়নপত্রও সেই প্রক্রিয়ায় বিবেচনা করা হবে।
ফেনী-১ আসনে বিএনপি থেকে বিকল্প হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন রফিকুল আলম মজনু। তিনি দলীয়ভাবে প্রস্তুত রয়েছেন এবং মনোনয়ন পাস হলে এই আসন থেকে বিএনপি’র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে সংশ্লিষ্ট সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে।
বগুড়া-৭ (শাহজাহানপুর-গাবতলী) আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন মোর্শেদ মিল্টন আলম — গাবতলী উপজেলা বিএনপি সভাপতি। তার মনোনয়ন যাচাই শেষে বিএনপি’র প্রার্থী হিসেবে তালিকায় স্থান পাবে বলে রিপোর্ট এসেছে।
দিনাজপুর-৩ আসনে মনোনয়নপত্র দিয়েছেন সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম — বিএনপি রংপুর বিভাগীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক। তাঁর মনোনয়নপত্রও যাচাই হতে রয়েছে এবং সফল হলে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
এই গুরুত্বপূর্ন পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন যে বিএনপি নেতাদের পরিকল্পনায় খালেদা জিয়াকে কেন্দ্র করে ভোট প্রচারণার ভাবনা থাকলেও বাস্তবে ভোট প্রক্রিয়া চলবে বিকল্প প্রস্তুত প্রার্থীদের মাধ্যমে, এবং দলীয় মনোনয়ন অনুযায়ী আসনগুলোতে প্রতিদ্বন্দ্বিতাই অব্যাহত থাকবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জানুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া গত ৩০ ডিসেম্বর মারা যাওয়ার পরেও দলের নির্বাচনী প্রস্তুতি তৎপর রেখে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পর্কে নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যদিও তিনি তিনটি আসন — ফেনী-১, বগুড়া-৭ ও দিনাজপুর-৩ — থেকে লড়াই করার জন্য নিজে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন, তার অসুস্থতা ও পরবর্তীতে মৃত্যু হওয়ায় দল মাঠে প্রস্তুত অতিরিক্ত প্রার্থীদের রাখা হয়েছে ও তাদেরকেই এবার প্রার্থী হিসেবে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।
বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের জানান, খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে যাঁরা বিকল্প হিসেবে ওই তিনটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা করেছেন, তিনিই এবার দলীয় প্রার্থী হবেন, যদি নির্বাচন কমিশন তাদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে। এর ফলে খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র যে পর্যায়ে ছিল, সেই জন্য ভোট প্রক্রিয়া স্থগিত হবে না — নির্বাচন আগের মতো চলবে এবং প্রতীক বরাদ্দসহ ভোটের প্রস্তুতি সম্পন্ন হবে।
নির্বাচন কমিশনের রিটার্নিং কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মনোনয়নপত্র যাচাইয়ের আগেই খালেদা জিয়ার মৃত্যু হলেও ভোট প্রক্রিয়া থেমে যায় না। তফসিল অনুযায়ী নির্ধারিত সময়েই মনোনয়ন যাচাই অনুষ্ঠিত হবে এবং বিকল্প প্রার্থীদের মনোনয়নপত্রও সেই প্রক্রিয়ায় বিবেচনা করা হবে।
ফেনী-১ আসনে বিএনপি থেকে বিকল্প হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন রফিকুল আলম মজনু। তিনি দলীয়ভাবে প্রস্তুত রয়েছেন এবং মনোনয়ন পাস হলে এই আসন থেকে বিএনপি’র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে সংশ্লিষ্ট সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে।
বগুড়া-৭ (শাহজাহানপুর-গাবতলী) আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন মোর্শেদ মিল্টন আলম — গাবতলী উপজেলা বিএনপি সভাপতি। তার মনোনয়ন যাচাই শেষে বিএনপি’র প্রার্থী হিসেবে তালিকায় স্থান পাবে বলে রিপোর্ট এসেছে।
দিনাজপুর-৩ আসনে মনোনয়নপত্র দিয়েছেন সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম — বিএনপি রংপুর বিভাগীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক। তাঁর মনোনয়নপত্রও যাচাই হতে রয়েছে এবং সফল হলে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
এই গুরুত্বপূর্ন পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন যে বিএনপি নেতাদের পরিকল্পনায় খালেদা জিয়াকে কেন্দ্র করে ভোট প্রচারণার ভাবনা থাকলেও বাস্তবে ভোট প্রক্রিয়া চলবে বিকল্প প্রস্তুত প্রার্থীদের মাধ্যমে, এবং দলীয় মনোনয়ন অনুযায়ী আসনগুলোতে প্রতিদ্বন্দ্বিতাই অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন