বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশের জনগণ পরিবর্তন চায়, গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পেতে চায় এবং তাই দেশের পক্ষের শক্তি আসন্ন নির্বাচনে বিএনপিকে বিজয়ী করবে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, মানুষের মধ্যে আজ যে অসন্তোষ ও আগ্রহ তৈরি হয়েছে, তা স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত করছে যে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণ বিএনপিকে তাদের পছন্দের শক্তি হিসেবে বেছে নেবে। তিনি দাবি করেন, নির্বাচনের মাঠে জনগণের সমর্থন বিএনপির পক্ষে ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা দেশের গণতন্ত্রপন্থী ও জাতীয়তাবাদী শক্তিগুলোর ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের ফল।
মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের মানুষ অতীতের ভুল, দুর্নীতি, অর্থনৈতিক সংকট এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা থেকে মুক্তি চায়। তারা একটি সুষ্ঠু নির্বাচন এবং একটি জবাবদিহিমূলক সরকার আশা করছে। বিএনপি মহাসচিবের ভাষায়, দেশের প্রকৃত শক্তি হলো জনগণ, আর জনগণ গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও স্বাধীনতার সপক্ষে। জনগণের এই শক্তিই বিএনপিকে সামনে এগিয়ে দেওয়া এবং আসন্ন নির্বাচনে বিজয় নিশ্চিত করার প্রধান চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করবে। তিনি মনে করেন, দেশের সাধারণ মানুষ আজ খালেদা জিয়ার প্রতি সহানুভূতিশীল এবং তার নেতৃত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, যা বিএনপির প্রতি জনসমর্থন আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটকে তুলে ধরে ফখরুল বলেন, দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, বেকারত্ব এবং নিত্যদিনের নানা সংকটে মানুষ অতিষ্ঠ। এসব বাস্তবতায় তারা বিকল্প নেতৃত্ব খুঁজছে, যা তারা বিএনপি ও জাতীয়তাবাদী পরিবারের মধ্যে দেখতে পাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে দলীয় প্রতীকে নয়, বরং দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা ও বিশ্বাসের ভিত্তিতেই জনগণ বিএনপিকে বিজয়ী করবে। এ সময় তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই দেশের ইতিহাস বলছে—অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে জনগণ সবসময় গণতান্ত্রিক শক্তির পক্ষে রায় দেয়। তাই এবারও দেশের মানুষ দেশের স্বার্থে, গণতন্ত্রের স্বার্থে বিএনপিকেই ভোট দেবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি আরও দাবি করেন, আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশ এখন যে সংকটের মুখে রয়েছে, তা কাটিয়ে উঠতে একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক নেতৃত্ব প্রয়োজন, আর সেই নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা বিএনপির আছে। তার মন্তব্যে তিনি দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সমর্থকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান এবং বলেন, জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে বিএনপি প্রস্তুত। সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও জানান, বিএনপি ইতোমধ্যে নির্বাচনী প্রস্তুতি জোরদার করেছে এবং মাঠপর্যায়ে ব্যাপক গণসংযোগ শুরু করেছে, যেটা নির্বাচনী পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জানুয়ারি ২০২৬
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশের জনগণ পরিবর্তন চায়, গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পেতে চায় এবং তাই দেশের পক্ষের শক্তি আসন্ন নির্বাচনে বিএনপিকে বিজয়ী করবে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, মানুষের মধ্যে আজ যে অসন্তোষ ও আগ্রহ তৈরি হয়েছে, তা স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত করছে যে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণ বিএনপিকে তাদের পছন্দের শক্তি হিসেবে বেছে নেবে। তিনি দাবি করেন, নির্বাচনের মাঠে জনগণের সমর্থন বিএনপির পক্ষে ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা দেশের গণতন্ত্রপন্থী ও জাতীয়তাবাদী শক্তিগুলোর ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের ফল।
মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের মানুষ অতীতের ভুল, দুর্নীতি, অর্থনৈতিক সংকট এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা থেকে মুক্তি চায়। তারা একটি সুষ্ঠু নির্বাচন এবং একটি জবাবদিহিমূলক সরকার আশা করছে। বিএনপি মহাসচিবের ভাষায়, দেশের প্রকৃত শক্তি হলো জনগণ, আর জনগণ গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও স্বাধীনতার সপক্ষে। জনগণের এই শক্তিই বিএনপিকে সামনে এগিয়ে দেওয়া এবং আসন্ন নির্বাচনে বিজয় নিশ্চিত করার প্রধান চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করবে। তিনি মনে করেন, দেশের সাধারণ মানুষ আজ খালেদা জিয়ার প্রতি সহানুভূতিশীল এবং তার নেতৃত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, যা বিএনপির প্রতি জনসমর্থন আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটকে তুলে ধরে ফখরুল বলেন, দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, বেকারত্ব এবং নিত্যদিনের নানা সংকটে মানুষ অতিষ্ঠ। এসব বাস্তবতায় তারা বিকল্প নেতৃত্ব খুঁজছে, যা তারা বিএনপি ও জাতীয়তাবাদী পরিবারের মধ্যে দেখতে পাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে দলীয় প্রতীকে নয়, বরং দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা ও বিশ্বাসের ভিত্তিতেই জনগণ বিএনপিকে বিজয়ী করবে। এ সময় তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই দেশের ইতিহাস বলছে—অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে জনগণ সবসময় গণতান্ত্রিক শক্তির পক্ষে রায় দেয়। তাই এবারও দেশের মানুষ দেশের স্বার্থে, গণতন্ত্রের স্বার্থে বিএনপিকেই ভোট দেবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি আরও দাবি করেন, আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশ এখন যে সংকটের মুখে রয়েছে, তা কাটিয়ে উঠতে একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক নেতৃত্ব প্রয়োজন, আর সেই নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা বিএনপির আছে। তার মন্তব্যে তিনি দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সমর্থকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান এবং বলেন, জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে বিএনপি প্রস্তুত। সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও জানান, বিএনপি ইতোমধ্যে নির্বাচনী প্রস্তুতি জোরদার করেছে এবং মাঠপর্যায়ে ব্যাপক গণসংযোগ শুরু করেছে, যেটা নির্বাচনী পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।

আপনার মতামত লিখুন