ফুটবল ইতিহাসের সর্বকালের সেরা দুই তারকা লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর অবসরের আলোচনা যতই জোরালো হোক, বিশ্বজুড়ে বিশ্লেষক ও সমর্থকদের বড় একটি অংশ মনে করেন—এ দুই কিংবদন্তির এখনই অবসর নেওয়া উচিত নয়। বয়স পেরোলেও তাঁদের মাঠের পারফরম্যান্স, ফিটনেস এবং জনপ্রিয়তা আজও ফুটবল জগতের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ।
সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে রোনালদো জানান, তিনি এখনও ফুটবল ছাড়ার কথা ভাবছেন না। বরং ১,০০০ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করার লক্ষ্য নিয়ে তিনি এগিয়ে যেতে চান। ৪০ বছর বয়সেও শারীরিক ফিটনেস ধরে রেখে নিয়মিত গোল করে প্রমাণ করছেন যে বয়স তার কাছে শুধুই একটি সংখ্যা। অপরদিকে মেসি জানিয়েছেন, খেলাটা উপভোগ করা এবং দলের জন্য অবদান রাখতে পারাটাই তাঁর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। যতদিন তিনি সেই সামর্থ্য ধরে রাখতে পারবেন, ততদিন মাঠে থাকার ইচ্ছা রাখেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মেসি ও রোনালদো শুধু দুই খেলোয়াড় নন; তাঁরা বিশ্ব ফুটবলের ব্র্যান্ড। ইউরোপ, আমেরিকা কিংবা এশিয়া—সবখানেই তাঁদের উপস্থিতির ওপর নির্ভর করে স্টেডিয়ামের দর্শকসংখ্যা, টিভি রেটিং এবং স্পন্সরশিপ চুক্তির মূল্য। তাঁদের প্রতিটি ম্যাচ বিশ্ব ফুটবলের বাজারমূল্য বাড়িয়ে তোলে, যা অন্য কোনো খেলোয়াড় বর্তমানে করতে পারছেন না। তাই বাণিজ্যিক দিক থেকেও ফুটবলের জন্য তাঁদের অবসর একটি ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করবে।
মেসি ও রোনালদোকে নিয়ে ‘GOAT’ বিতর্ক, ক্লাব স্তরের ক্লাসিকো লড়াই, চ্যাম্পিয়নস লিগে রেকর্ড ভাঙা, ব্যালন ডি’অরের প্রতিযোগিতা—সব মিলিয়ে গত দুই দশক ফুটবলে যে উত্তেজনা তৈরি করেছে, তার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন এ দুই তারকা। অনেক সমর্থক মনে করেন, তাঁদের অবসর মানে ফুটবলের সবচেয়ে রঙিন ও আবেগঘন যুগের সমাপ্তি।
অন্যদিকে নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড়দের জন্য মেসি ও রোনালদো রোল মডেল হিসেবে কাজ করছেন। তাঁদের কঠোর অনুশীলন, শৃঙ্খলা, পেশাদার মনোভাব এবং সাফল্যের প্রতি অদম্য ক্ষুধা তরুণ ফুটবলারদের অনুপ্রাণিত করছে। ফুটবল কোচরাও মনে করেন, এই দুই মহাতারকার মাঠে থাকা নতুন প্রজন্মের শেখার সুযোগ আরও বাড়ায়।
যদিও অনেকেই মনে করেন ২০২৬ বিশ্বকাপ সম্ভবত তাঁদের শেষ বড় টুর্নামেন্ট হতে পারে, তবুও মাঠে তাদের পারফরম্যান্স কমতির কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। ফলে সমর্থকরা চায়, যতদিন সম্ভব মেসি ও রোনালদো ফুটবলে আলো ছড়াতে থাকুক।
বিশ্বজুড়ে যখন নতুন তারকারা উঠে আসছে, তখনও মেসি-রোনালদোর আগমন, খেলা, গোল এবং শো এখনও ফুটবলকে জীবন্ত রাখে। তাই ভক্ত, বিশ্লেষক ও ফুটবল সংশ্লিষ্টদের একটাই দাবি—
“ফুটবল আরও কিছু বছর মেসি এবং রোনালদোকে চাই। এখনই তাঁদের অবসর নেওয়া উচিত নয়।”

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জানুয়ারি ২০২৬
ফুটবল ইতিহাসের সর্বকালের সেরা দুই তারকা লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর অবসরের আলোচনা যতই জোরালো হোক, বিশ্বজুড়ে বিশ্লেষক ও সমর্থকদের বড় একটি অংশ মনে করেন—এ দুই কিংবদন্তির এখনই অবসর নেওয়া উচিত নয়। বয়স পেরোলেও তাঁদের মাঠের পারফরম্যান্স, ফিটনেস এবং জনপ্রিয়তা আজও ফুটবল জগতের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ।
সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে রোনালদো জানান, তিনি এখনও ফুটবল ছাড়ার কথা ভাবছেন না। বরং ১,০০০ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করার লক্ষ্য নিয়ে তিনি এগিয়ে যেতে চান। ৪০ বছর বয়সেও শারীরিক ফিটনেস ধরে রেখে নিয়মিত গোল করে প্রমাণ করছেন যে বয়স তার কাছে শুধুই একটি সংখ্যা। অপরদিকে মেসি জানিয়েছেন, খেলাটা উপভোগ করা এবং দলের জন্য অবদান রাখতে পারাটাই তাঁর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। যতদিন তিনি সেই সামর্থ্য ধরে রাখতে পারবেন, ততদিন মাঠে থাকার ইচ্ছা রাখেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মেসি ও রোনালদো শুধু দুই খেলোয়াড় নন; তাঁরা বিশ্ব ফুটবলের ব্র্যান্ড। ইউরোপ, আমেরিকা কিংবা এশিয়া—সবখানেই তাঁদের উপস্থিতির ওপর নির্ভর করে স্টেডিয়ামের দর্শকসংখ্যা, টিভি রেটিং এবং স্পন্সরশিপ চুক্তির মূল্য। তাঁদের প্রতিটি ম্যাচ বিশ্ব ফুটবলের বাজারমূল্য বাড়িয়ে তোলে, যা অন্য কোনো খেলোয়াড় বর্তমানে করতে পারছেন না। তাই বাণিজ্যিক দিক থেকেও ফুটবলের জন্য তাঁদের অবসর একটি ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করবে।
মেসি ও রোনালদোকে নিয়ে ‘GOAT’ বিতর্ক, ক্লাব স্তরের ক্লাসিকো লড়াই, চ্যাম্পিয়নস লিগে রেকর্ড ভাঙা, ব্যালন ডি’অরের প্রতিযোগিতা—সব মিলিয়ে গত দুই দশক ফুটবলে যে উত্তেজনা তৈরি করেছে, তার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন এ দুই তারকা। অনেক সমর্থক মনে করেন, তাঁদের অবসর মানে ফুটবলের সবচেয়ে রঙিন ও আবেগঘন যুগের সমাপ্তি।
অন্যদিকে নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড়দের জন্য মেসি ও রোনালদো রোল মডেল হিসেবে কাজ করছেন। তাঁদের কঠোর অনুশীলন, শৃঙ্খলা, পেশাদার মনোভাব এবং সাফল্যের প্রতি অদম্য ক্ষুধা তরুণ ফুটবলারদের অনুপ্রাণিত করছে। ফুটবল কোচরাও মনে করেন, এই দুই মহাতারকার মাঠে থাকা নতুন প্রজন্মের শেখার সুযোগ আরও বাড়ায়।
যদিও অনেকেই মনে করেন ২০২৬ বিশ্বকাপ সম্ভবত তাঁদের শেষ বড় টুর্নামেন্ট হতে পারে, তবুও মাঠে তাদের পারফরম্যান্স কমতির কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। ফলে সমর্থকরা চায়, যতদিন সম্ভব মেসি ও রোনালদো ফুটবলে আলো ছড়াতে থাকুক।
বিশ্বজুড়ে যখন নতুন তারকারা উঠে আসছে, তখনও মেসি-রোনালদোর আগমন, খেলা, গোল এবং শো এখনও ফুটবলকে জীবন্ত রাখে। তাই ভক্ত, বিশ্লেষক ও ফুটবল সংশ্লিষ্টদের একটাই দাবি—
“ফুটবল আরও কিছু বছর মেসি এবং রোনালদোকে চাই। এখনই তাঁদের অবসর নেওয়া উচিত নয়।”

আপনার মতামত লিখুন