ইংরেজি নববর্ষ ২০২৬ উপলক্ষ্যে বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী বসবাসকারী মানুষদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। নববর্ষের প্রথম দিনে প্রকাশিত এক বিশেষ বাণীতে তিনি দেশবাসী ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি শান্তি, সুস্বাস্থ্য, সমৃদ্ধি ও কল্যাণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি বিশ্বের সকল মানুষের জন্যও তিনি নতুন বছরের শুভকামনা জানান।
প্রধান উপদেষ্টা তার বার্তায় বলেন, নতুন বছর মানেই নতুন আশা, নতুন প্রেরণা এবং নতুন সম্ভাবনার সূচনা। তিনি উল্লেখ করেন, বিগত বছর দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে নানা পরিবর্তন ও উত্তাল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে অতিবাহিত হলেও নতুন বছর সেই পরিবর্তনকে স্থিতিশীল করার সুযোগ তৈরি করবে। দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা যেন আরও সুদৃঢ় হয়—এটাই সরকারের প্রত্যাশা বলেও জানান তিনি।
ড. ইউনূস তার বাণীতে জাতীয় ঐক্য, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহমর্মিতাকে আগামী বছরের মূল চেতনা হিসেবে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সমাজে সহনশীলতা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠিত না হলে উন্নয়ন কখনোই দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না। তাই নতুন বছরে প্রত্যেক নাগরিককে দায়িত্বশীল ও শান্তিপূর্ণ আচরণের মাধ্যমে জাতির অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।
অর্থনীতি, প্রশাসন ও সামাজিক ন্যায়বিচার বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, দেশকে এগিয়ে নিতে সুশাসন, স্বচ্ছতা, দুর্নীতি প্রতিরোধ ও বৈষম্য দূরীকরণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং নাগরিক অধিকার রক্ষায় সরকার দৃঢ়ভাবে কাজ চালিয়ে যাবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
শুভেচ্ছা বার্তায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদানকে বিশেষভাবে স্বীকৃতি দেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বসবাসরত প্রবাসীরা শুধু রেমিট্যান্স নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।
বিশ্বব্যাপী যুদ্ধ, সংঘাত ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের কথাও প্রধান উপদেষ্টা তার বার্তায় উল্লেখ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন বছর বৈশ্বিক শান্তি, সহমর্মিতা ও সহযোগিতার পরিবেশ গঠনে নতুন দিগন্ত খুলে দেবে।
বাণীর শেষে তিনি দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, “২০২৬ সাল হোক শান্তি, মানবিকতা ও উন্নয়নের বছর। সামনে এগিয়ে যাক বাংলাদেশ—সবার যৌথ প্রচেষ্টায়।”

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
ইংরেজি নববর্ষ ২০২৬ উপলক্ষ্যে বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী বসবাসকারী মানুষদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। নববর্ষের প্রথম দিনে প্রকাশিত এক বিশেষ বাণীতে তিনি দেশবাসী ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি শান্তি, সুস্বাস্থ্য, সমৃদ্ধি ও কল্যাণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি বিশ্বের সকল মানুষের জন্যও তিনি নতুন বছরের শুভকামনা জানান।
প্রধান উপদেষ্টা তার বার্তায় বলেন, নতুন বছর মানেই নতুন আশা, নতুন প্রেরণা এবং নতুন সম্ভাবনার সূচনা। তিনি উল্লেখ করেন, বিগত বছর দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে নানা পরিবর্তন ও উত্তাল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে অতিবাহিত হলেও নতুন বছর সেই পরিবর্তনকে স্থিতিশীল করার সুযোগ তৈরি করবে। দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা যেন আরও সুদৃঢ় হয়—এটাই সরকারের প্রত্যাশা বলেও জানান তিনি।
ড. ইউনূস তার বাণীতে জাতীয় ঐক্য, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহমর্মিতাকে আগামী বছরের মূল চেতনা হিসেবে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সমাজে সহনশীলতা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠিত না হলে উন্নয়ন কখনোই দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না। তাই নতুন বছরে প্রত্যেক নাগরিককে দায়িত্বশীল ও শান্তিপূর্ণ আচরণের মাধ্যমে জাতির অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।
অর্থনীতি, প্রশাসন ও সামাজিক ন্যায়বিচার বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, দেশকে এগিয়ে নিতে সুশাসন, স্বচ্ছতা, দুর্নীতি প্রতিরোধ ও বৈষম্য দূরীকরণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং নাগরিক অধিকার রক্ষায় সরকার দৃঢ়ভাবে কাজ চালিয়ে যাবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
শুভেচ্ছা বার্তায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদানকে বিশেষভাবে স্বীকৃতি দেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বসবাসরত প্রবাসীরা শুধু রেমিট্যান্স নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।
বিশ্বব্যাপী যুদ্ধ, সংঘাত ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের কথাও প্রধান উপদেষ্টা তার বার্তায় উল্লেখ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন বছর বৈশ্বিক শান্তি, সহমর্মিতা ও সহযোগিতার পরিবেশ গঠনে নতুন দিগন্ত খুলে দেবে।
বাণীর শেষে তিনি দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, “২০২৬ সাল হোক শান্তি, মানবিকতা ও উন্নয়নের বছর। সামনে এগিয়ে যাক বাংলাদেশ—সবার যৌথ প্রচেষ্টায়।”

আপনার মতামত লিখুন