দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক শোকাবহ মুহূর্ত সৃষ্টি করে ইন্তেকাল করেছেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসান। আজ বুধবার বিকেল ৩টার দিকে রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসভবনে বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল প্রায় ৯০ বছর।
মরহুম মাহমুদুল হাসান দীর্ঘদিন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে দায়িত্ব পালনের পর রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে ওঠেন। তিনি টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসন থেকে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে স্থানীয় উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামো নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তাঁর রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় ছিল বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন, যেখানে তিনি দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক সংস্কারে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে যান।
বিএনপির কেন্দ্রীয় পর্যায়ে তিনি ছিলেন একজন অভিজ্ঞ, পরামর্শদাতা-সুলভ এবং দলীয় নীতি নির্ধারণে প্রভাবশালী নেতা। দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, তাঁর মতো সংযত, অভিজ্ঞ ও নীতিবান রাজনীতিক আজকের সময়েও বিরল। বিএনপি নেতারা তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং বলেছেন, তার মৃত্যুতে দল ও দেশের রাজনীতিতে একটি শূন্যতা তৈরি হলো, যা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি। আজ বিকেলে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ে, নাতি-নাতনি এবং অসংখ্য স্বজন, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন। পরিবার তাঁর আত্মার শান্তির জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছে।
জানাজা ও দাফন সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, মরহুমের প্রথম জানাজা আগামী ১ জানুয়ারি ২০২৬, বৃহস্পতিবার জোহর নামাজের পর অনুষ্ঠিত হবে টাঙ্গাইল শহরের ঐতিহাসিক বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে। এরপর পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে তাঁর দীর্ঘ কর্মজীবন স্মরণ করে বিভিন্ন সংগঠন শোকবার্তা প্রকাশ করেছে। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম পিন্টু, প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুসহ কেন্দ্রীয় নেতারা তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। তারা জানান, সেনাবাহিনী, প্রশাসন এবং রাজনীতির তিন অঙ্গনেই তাঁর ভূমিকা বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে দায়িত্বশীল, অভিজ্ঞ ও জনগণের প্রতি নিবেদিত একজন নেতার বিদায়ে জাতি আজ গভীরভাবে শোকাহত। তাঁর আদর্শ, কর্ম ও নীতিবোধ আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক শোকাবহ মুহূর্ত সৃষ্টি করে ইন্তেকাল করেছেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসান। আজ বুধবার বিকেল ৩টার দিকে রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসভবনে বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল প্রায় ৯০ বছর।
মরহুম মাহমুদুল হাসান দীর্ঘদিন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে দায়িত্ব পালনের পর রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে ওঠেন। তিনি টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসন থেকে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে স্থানীয় উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামো নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তাঁর রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় ছিল বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন, যেখানে তিনি দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক সংস্কারে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে যান।
বিএনপির কেন্দ্রীয় পর্যায়ে তিনি ছিলেন একজন অভিজ্ঞ, পরামর্শদাতা-সুলভ এবং দলীয় নীতি নির্ধারণে প্রভাবশালী নেতা। দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, তাঁর মতো সংযত, অভিজ্ঞ ও নীতিবান রাজনীতিক আজকের সময়েও বিরল। বিএনপি নেতারা তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং বলেছেন, তার মৃত্যুতে দল ও দেশের রাজনীতিতে একটি শূন্যতা তৈরি হলো, যা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি। আজ বিকেলে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ে, নাতি-নাতনি এবং অসংখ্য স্বজন, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন। পরিবার তাঁর আত্মার শান্তির জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছে।
জানাজা ও দাফন সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, মরহুমের প্রথম জানাজা আগামী ১ জানুয়ারি ২০২৬, বৃহস্পতিবার জোহর নামাজের পর অনুষ্ঠিত হবে টাঙ্গাইল শহরের ঐতিহাসিক বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে। এরপর পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে তাঁর দীর্ঘ কর্মজীবন স্মরণ করে বিভিন্ন সংগঠন শোকবার্তা প্রকাশ করেছে। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম পিন্টু, প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুসহ কেন্দ্রীয় নেতারা তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। তারা জানান, সেনাবাহিনী, প্রশাসন এবং রাজনীতির তিন অঙ্গনেই তাঁর ভূমিকা বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে দায়িত্বশীল, অভিজ্ঞ ও জনগণের প্রতি নিবেদিত একজন নেতার বিদায়ে জাতি আজ গভীরভাবে শোকাহত। তাঁর আদর্শ, কর্ম ও নীতিবোধ আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন