চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই শোকবার্তায় জানিয়েছেন, খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তিনি গভীর দুঃখ প্রকাশ করছেন এবং বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক উন্নয়নে তার অবদান বিশেষভাবে স্মরণ ও মূল্যায়ন করা হবে।
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আন্তর্জাতিক মঞ্চে তাকে একাধিক শুভেচ্ছা ও শোকবার্তা জানানো হয়েছে, বিশেষত চীনের শীর্ষ রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক নেতারা তার অবদানকে স্মরণীয় হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এই মূহুর্তে বাংলাদেশ–চীন সম্পর্কের গুরুত্ব ও খালেদা জিয়ার ঐকান্তিক ভূমিকার ওপর আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোও বিশেষভাবে আলোকপাত করছে।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান বলেন, খালেদা জিয়া ছিলেন চীনা জনগণের একজন “পুরনো বন্ধু” এবং তিনি তার কর্মকালে বাংলাদেশ–চীন সম্পর্কের উন্নয়নে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন। তিনি উল্লেখ করেন, খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে Comprehensive Partnership of Cooperation (দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার সমন্বিত অংশীদারিত্ব) প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল, যা দীর্ঘমেয়াদী বন্ধুত্ব, সমান আদান-প্রদান ও পারস্পরিক স্বার্থে ভিত্তি করে গঠিত।
চীনা প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংও তার সমবেদনা বার্তায় খালেদা জিয়াকে “চীনের জনগণের একজন পুরনো বন্ধু” হিসেবে উল্লেখ করেছেন, এবং বলেন যে তার সময়কালে দুই দেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়েছে। তিনি আরও জানান যে এই সম্পর্ককে ভবিষ্যতেও আরও উন্নত করার জন্য চীন প্রস্তুত রয়েছে।
বেইজিংতে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, খালেদা জিয়া বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রত্যাশার প্রতীক ছিলেন এবং তার নেতৃত্বমূলক ভূমিকা শুধু দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসেই নয়, চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কেও স্থায়ী প্রভাব ফেলেছে। রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন, তার অবদান এই সম্পর্ককে স্থায়ীভাবে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে গভীর প্রভাব ফেলেছে এবং চীনা জনগণ তাকে উচ্চ সম্মানে স্মরণ করবে।
সংক্ষিপ্ত এই আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়াগুলোতে স্পষ্টভাবে দেখা যায় যে, খালেদা জিয়ার কূটনৈতিক কর্মকাণ্ড ও নেতৃত্ব চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের ওপর একটি স্থায়ী প্রভাব ফেলেছে, এবং তা স্মরণীয় হিসেবে রয়ে যাবে। বিশ্ব মঞ্চে তার এই অবদানকে সম্মান জানিয়ে, চীনসহ অন্যান্য দেশগুলো তার সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ককে ভবিষ্যতে আরও জোরদার করার প্রতিশ্রুতি রেখেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আন্তর্জাতিক মঞ্চে তাকে একাধিক শুভেচ্ছা ও শোকবার্তা জানানো হয়েছে, বিশেষত চীনের শীর্ষ রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক নেতারা তার অবদানকে স্মরণীয় হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এই মূহুর্তে বাংলাদেশ–চীন সম্পর্কের গুরুত্ব ও খালেদা জিয়ার ঐকান্তিক ভূমিকার ওপর আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোও বিশেষভাবে আলোকপাত করছে।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান বলেন, খালেদা জিয়া ছিলেন চীনা জনগণের একজন “পুরনো বন্ধু” এবং তিনি তার কর্মকালে বাংলাদেশ–চীন সম্পর্কের উন্নয়নে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন। তিনি উল্লেখ করেন, খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে Comprehensive Partnership of Cooperation (দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার সমন্বিত অংশীদারিত্ব) প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল, যা দীর্ঘমেয়াদী বন্ধুত্ব, সমান আদান-প্রদান ও পারস্পরিক স্বার্থে ভিত্তি করে গঠিত।
চীনা প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংও তার সমবেদনা বার্তায় খালেদা জিয়াকে “চীনের জনগণের একজন পুরনো বন্ধু” হিসেবে উল্লেখ করেছেন, এবং বলেন যে তার সময়কালে দুই দেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়েছে। তিনি আরও জানান যে এই সম্পর্ককে ভবিষ্যতেও আরও উন্নত করার জন্য চীন প্রস্তুত রয়েছে।
বেইজিংতে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, খালেদা জিয়া বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রত্যাশার প্রতীক ছিলেন এবং তার নেতৃত্বমূলক ভূমিকা শুধু দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসেই নয়, চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কেও স্থায়ী প্রভাব ফেলেছে। রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন, তার অবদান এই সম্পর্ককে স্থায়ীভাবে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে গভীর প্রভাব ফেলেছে এবং চীনা জনগণ তাকে উচ্চ সম্মানে স্মরণ করবে।
সংক্ষিপ্ত এই আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়াগুলোতে স্পষ্টভাবে দেখা যায় যে, খালেদা জিয়ার কূটনৈতিক কর্মকাণ্ড ও নেতৃত্ব চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের ওপর একটি স্থায়ী প্রভাব ফেলেছে, এবং তা স্মরণীয় হিসেবে রয়ে যাবে। বিশ্ব মঞ্চে তার এই অবদানকে সম্মান জানিয়ে, চীনসহ অন্যান্য দেশগুলো তার সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ককে ভবিষ্যতে আরও জোরদার করার প্রতিশ্রুতি রেখেছে।

আপনার মতামত লিখুন