ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

দেশবাসী এতো বড় জানাজা কোনদিন দেখেনি!


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫

দেশবাসী এতো বড় জানাজা কোনদিন দেখেনি!

 বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অনন্য ও নজিরবিহীন দৃশ্যে পরিণত হয়েছে। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় আয়োজিত নামাজে জানাজার জন্য রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউজাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা এলাকা সকাল থেকেই মানুষের ঢলে ভরপুর ছিল, এমনকি নির্ধারিত স্থান ছাড়িয়ে আশপাশের সড়কেও হাজার হাজার মানুষ দাঁড়িয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে দেখা গেছে। 

সকাল থেকেই ঢাকা–নারায়ণগঞ্জ, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা সহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে সাধারণ মানুষ, রাজনৈতিক কর্মী ও নেতারা দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে রাজধানীতে পৌঁছেছেন এবং বিকল্পভাবে ওভারব্রিজ, ফুটপাথ ও রাস্তার ধারে জড়ো হয়ে আছেন। জনসমাগম এতটাই ব্যাপক ছিল যে অনেক জায়গায় মানুষের ঢল নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আন্তরিক প্রচেষ্টা চালাতে হয়েছে। 

জানাজার নামাজ বাদ জোহর দুপুর ২টাতে শুরু হলেও, সকাল সাড়ে ১১টার দিকে থেকেই মানুষের ভিড় গড়ে ওঠে। বহু মানুষ মেট্রো রেল স্টেশনে ভিড় করেছে এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। অনেক যাত্রীই অপেক্ষা করেন, যাতে তারা জানাজায় উপস্থিত হতে পারেন। 

নিজস্ব মর্যাদায় আয়োজিত এ নামাজে বড় সংখ্যক রাজনৈতিক দল ও সাধারণ নাগরিক ছাড়াও বিদেশি কূটনীতিক, অন্যান্য দেশের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। পশ্চিম ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর প্রতিনিধি দলগুলোকে দেখা গেছে শোকযাত্রায় অংশ নিতে আসতে। 

মহানগরীর বিভিন্ন এলাকা, বিশেষ করে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউবিজয় সরণি–র মতো প্রধান সড়কগুলো মানুষের সাগর হয়ে দাঁড়িয়েছে, বহু সংবাদমাধ্যমের বর্ণনায় তা এক “অভূতপূর্ব জনসমাগম” যেখানে হাজার হাজার লোক একত্রিত হয়ে খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন। 

অনেক অংশগ্রহণকারী জানাচ্ছেন, এটি তাঁদের জীবনে দেখা সবচেয়ে বড় জানাজা, যেখানে মানুষের ঢল ও আবেগের গভীরতা চোখে পরিস্কারভাবে ধরা পড়েছে। জায়গা না পেয়ে অনেকে পার্শ্ববর্তী সড়ক ও ফুটপাথে দাঁড়িয়ে নামাজে শরিক হয়েছেন। 

জানাজার পর সরকার ঘোষিত তিনদিনের শোকাবহ কর্মসূচির অংশ হিসেবে শ্রদ্ধা নিবেদনের আয়োজন চলছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা সর্বোচ্চ স্তরে রাখা হয়েছে। এদিনের এই জনসমাগম শুধু এক নেত্রীর শেষ বিদায় নয়, বরং বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক চেতনার এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। 

সম্প্রতি বিমূর্তে পরিণত এই জনসমাগম দেশবাসীর কাছে স্মরণযোগ্য এক ঘটনা হয়ে থাকবে। সংবাদমাধ্যমগুলো উল্লেখ করেছে, স্বাধীনতা পরবর্তীকালে এমন বৃহৎ জনসমাবেশ খুব কমই দেখা গেছে, যা খালেদা জিয়ার জানাজায় দৃশ্যমান হয়েছিল। 

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


দেশবাসী এতো বড় জানাজা কোনদিন দেখেনি!

প্রকাশের তারিখ : ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫

featured Image

 বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অনন্য ও নজিরবিহীন দৃশ্যে পরিণত হয়েছে। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় আয়োজিত নামাজে জানাজার জন্য রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউজাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা এলাকা সকাল থেকেই মানুষের ঢলে ভরপুর ছিল, এমনকি নির্ধারিত স্থান ছাড়িয়ে আশপাশের সড়কেও হাজার হাজার মানুষ দাঁড়িয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে দেখা গেছে। 

সকাল থেকেই ঢাকা–নারায়ণগঞ্জ, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা সহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে সাধারণ মানুষ, রাজনৈতিক কর্মী ও নেতারা দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে রাজধানীতে পৌঁছেছেন এবং বিকল্পভাবে ওভারব্রিজ, ফুটপাথ ও রাস্তার ধারে জড়ো হয়ে আছেন। জনসমাগম এতটাই ব্যাপক ছিল যে অনেক জায়গায় মানুষের ঢল নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আন্তরিক প্রচেষ্টা চালাতে হয়েছে। 

জানাজার নামাজ বাদ জোহর দুপুর ২টাতে শুরু হলেও, সকাল সাড়ে ১১টার দিকে থেকেই মানুষের ভিড় গড়ে ওঠে। বহু মানুষ মেট্রো রেল স্টেশনে ভিড় করেছে এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। অনেক যাত্রীই অপেক্ষা করেন, যাতে তারা জানাজায় উপস্থিত হতে পারেন। 

নিজস্ব মর্যাদায় আয়োজিত এ নামাজে বড় সংখ্যক রাজনৈতিক দল ও সাধারণ নাগরিক ছাড়াও বিদেশি কূটনীতিক, অন্যান্য দেশের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। পশ্চিম ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর প্রতিনিধি দলগুলোকে দেখা গেছে শোকযাত্রায় অংশ নিতে আসতে। 

মহানগরীর বিভিন্ন এলাকা, বিশেষ করে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউবিজয় সরণি–র মতো প্রধান সড়কগুলো মানুষের সাগর হয়ে দাঁড়িয়েছে, বহু সংবাদমাধ্যমের বর্ণনায় তা এক “অভূতপূর্ব জনসমাগম” যেখানে হাজার হাজার লোক একত্রিত হয়ে খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন। 

অনেক অংশগ্রহণকারী জানাচ্ছেন, এটি তাঁদের জীবনে দেখা সবচেয়ে বড় জানাজা, যেখানে মানুষের ঢল ও আবেগের গভীরতা চোখে পরিস্কারভাবে ধরা পড়েছে। জায়গা না পেয়ে অনেকে পার্শ্ববর্তী সড়ক ও ফুটপাথে দাঁড়িয়ে নামাজে শরিক হয়েছেন। 

জানাজার পর সরকার ঘোষিত তিনদিনের শোকাবহ কর্মসূচির অংশ হিসেবে শ্রদ্ধা নিবেদনের আয়োজন চলছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা সর্বোচ্চ স্তরে রাখা হয়েছে। এদিনের এই জনসমাগম শুধু এক নেত্রীর শেষ বিদায় নয়, বরং বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক চেতনার এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। 

সম্প্রতি বিমূর্তে পরিণত এই জনসমাগম দেশবাসীর কাছে স্মরণযোগ্য এক ঘটনা হয়ে থাকবে। সংবাদমাধ্যমগুলো উল্লেখ করেছে, স্বাধীনতা পরবর্তীকালে এমন বৃহৎ জনসমাবেশ খুব কমই দেখা গেছে, যা খালেদা জিয়ার জানাজায় দৃশ্যমান হয়েছিল। 


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ