বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিক শোকবার্তা পাঠিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। চিঠিতে তিনি বাংলাদেশের এই বর্ষীয়ান নেত্রীর প্রয়াণকে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের অবসান বলে উল্লেখ করেছেন।
রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন তাঁর চিঠিতে লিখেছেন, খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার এক দৃঢ় প্রতীক, যিনি বিপর্যয় ও প্রতিকূলতা অতিক্রম করে মানুষের অধিকার ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণে অবদান রেখে গেছেন। তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার মৃত্যু শুধু বিএনপি নয়, বাংলাদেশের রাজনীতিতেও এক গভীর শূন্যতা সৃষ্টি করেছে। চীনের দৃষ্টিতে তিনি শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন, বরং চীনা জনগণের এক পরীক্ষিত বন্ধু।
রাষ্ট্রদূত আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের ক্ষেত্রে খালেদা জিয়ার ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য। তাঁর নেতৃত্বে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নতুন উচ্চতা পায়, যা আজও বহাল। ইয়াও ওয়েন চিঠিতে বলেন, “চীনের সরকার ও জনগণ তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা বহন করে। তাঁর প্রয়াণে আমরা সত্যিই মর্মাহত।”
এছাড়া চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইও পৃথক শোকবার্তায় খালেদা জিয়ার অবদানকে স্মরণ করে তারেক রহমান ও বিএনপি নেতাদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। তারা বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে খালেদা জিয়ার নাম শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয় থাকবে এবং দুই দেশের সম্পর্ক বজায় রাখতে তাঁর ভূমিকা চিরস্মরণীয়।
উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতাজনিত সমস্যায় ভুগতে থাকা খালেদা জিয়া ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে মারা যান। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তাঁর মৃত্যুতে দেশের রাজনীতি ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও শোকের ঢেউ ছড়িয়ে পড়েছে।
চীনা রাষ্ট্রদূতের এই শোকচিঠি শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়—এটি দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক, কূটনৈতিক ঐতিহ্য এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে। তাঁর ভাষায়, “খালেদা জিয়া ছিলেন সত্যিকারের নেতা—বাংলাদেশের বন্ধু, চীনেরও বন্ধু।”

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিক শোকবার্তা পাঠিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। চিঠিতে তিনি বাংলাদেশের এই বর্ষীয়ান নেত্রীর প্রয়াণকে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের অবসান বলে উল্লেখ করেছেন।
রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন তাঁর চিঠিতে লিখেছেন, খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার এক দৃঢ় প্রতীক, যিনি বিপর্যয় ও প্রতিকূলতা অতিক্রম করে মানুষের অধিকার ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণে অবদান রেখে গেছেন। তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার মৃত্যু শুধু বিএনপি নয়, বাংলাদেশের রাজনীতিতেও এক গভীর শূন্যতা সৃষ্টি করেছে। চীনের দৃষ্টিতে তিনি শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন, বরং চীনা জনগণের এক পরীক্ষিত বন্ধু।
রাষ্ট্রদূত আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের ক্ষেত্রে খালেদা জিয়ার ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য। তাঁর নেতৃত্বে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নতুন উচ্চতা পায়, যা আজও বহাল। ইয়াও ওয়েন চিঠিতে বলেন, “চীনের সরকার ও জনগণ তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা বহন করে। তাঁর প্রয়াণে আমরা সত্যিই মর্মাহত।”
এছাড়া চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইও পৃথক শোকবার্তায় খালেদা জিয়ার অবদানকে স্মরণ করে তারেক রহমান ও বিএনপি নেতাদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। তারা বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে খালেদা জিয়ার নাম শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয় থাকবে এবং দুই দেশের সম্পর্ক বজায় রাখতে তাঁর ভূমিকা চিরস্মরণীয়।
উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতাজনিত সমস্যায় ভুগতে থাকা খালেদা জিয়া ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে মারা যান। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তাঁর মৃত্যুতে দেশের রাজনীতি ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও শোকের ঢেউ ছড়িয়ে পড়েছে।
চীনা রাষ্ট্রদূতের এই শোকচিঠি শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়—এটি দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক, কূটনৈতিক ঐতিহ্য এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে। তাঁর ভাষায়, “খালেদা জিয়া ছিলেন সত্যিকারের নেতা—বাংলাদেশের বন্ধু, চীনেরও বন্ধু।”

আপনার মতামত লিখুন