দুবাই (স্পোর্টস ডেস্ক) – ৫২ বছর আগের ঐতিহাসিক লড়াইয়ের স্মৃতি আবারও টেনিস কোর্টে ফিরে এসেছে। তবে এবারের গল্পটি একটু ভিন্ন রূপ নিয়েছে। নারী টেনিসের নাম্বার ওয়ান তারকা আরিনা সাবালেঙ্কা এবং অস্ট্রেলিয়ার নিক কিরিওস ‘ব্যাটল অব দ্য সেক্সেস’ প্রদর্শনী ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছেন।
রবিবার অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে কিরিওস ৬-৩, ৬-৩ সেটে জয় লাভ করেন, আর সাবালেঙ্কা হেরে যান। যদিও ফলাফল প্রত্যাশিত ছিল, ম্যাচটি দর্শক ও মিডিয়ার মধ্যে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করেছে।
‘ব্যাটল অব দ্য সেক্সেস’ সাধারণত নারী ও পুরুষের মধ্যে প্রদর্শনী ম্যাচ হিসেবে পরিচিত। লক্ষ্য থাকে লিঙ্গের সমতা এবং টেনিসে সমতার গুরুত্ব তুলে ধরা। এই ধরনের প্রদর্শনী ম্যাচের প্রথম উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল ১৮৮৮ সালে, যখন উইম্বলডন চ্যাম্পিয়ন আর্নেস্ট রেনশো ও নারীদের চ্যাম্পিয়ন লোটি ডড একে অপরের সঙ্গে খেলেছিলেন।
১৯৭৩ সালে সবচেয়ে আলোচিত ম্যাচটি হয়েছিল নারী তারকা বিলি জিন কিং ও অবসরপ্রাপ্ত পুরুষ খেলোয়াড় ববি রিগসের মধ্যে। তৎকালীন ২৯ বছর বয়সী কিং ৫৫ বছর বয়সী রিগসকে হারিয়ে ঐতিহাসিক জয় নিশ্চিত করেছিলেন।
এবার সাবালেঙ্কা-কিরিওসের ম্যাচটি যদিও ইতিহাসের সঙ্গে তুলনা করা কঠিন। সাবালেঙ্কার জন্য এটি প্রোফাইল বাড়ানোর সুযোগ, আর কিরিওসের জন্য ক্যারিয়ার পুনরুজ্জীবনের মঞ্চ। তবে সমালোচকেরা বলছেন, বর্তমানে নারী ও পুরুষ টেনিসে সমতা বিদ্যমান থাকায় অতীতে যেভাবে লিঙ্গের বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই হয়েছে, তার সঙ্গে এই ম্যাচের তুলনা করা যুক্তিসঙ্গত নয়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
দুবাই (স্পোর্টস ডেস্ক) – ৫২ বছর আগের ঐতিহাসিক লড়াইয়ের স্মৃতি আবারও টেনিস কোর্টে ফিরে এসেছে। তবে এবারের গল্পটি একটু ভিন্ন রূপ নিয়েছে। নারী টেনিসের নাম্বার ওয়ান তারকা আরিনা সাবালেঙ্কা এবং অস্ট্রেলিয়ার নিক কিরিওস ‘ব্যাটল অব দ্য সেক্সেস’ প্রদর্শনী ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছেন।
রবিবার অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে কিরিওস ৬-৩, ৬-৩ সেটে জয় লাভ করেন, আর সাবালেঙ্কা হেরে যান। যদিও ফলাফল প্রত্যাশিত ছিল, ম্যাচটি দর্শক ও মিডিয়ার মধ্যে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করেছে।
‘ব্যাটল অব দ্য সেক্সেস’ সাধারণত নারী ও পুরুষের মধ্যে প্রদর্শনী ম্যাচ হিসেবে পরিচিত। লক্ষ্য থাকে লিঙ্গের সমতা এবং টেনিসে সমতার গুরুত্ব তুলে ধরা। এই ধরনের প্রদর্শনী ম্যাচের প্রথম উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল ১৮৮৮ সালে, যখন উইম্বলডন চ্যাম্পিয়ন আর্নেস্ট রেনশো ও নারীদের চ্যাম্পিয়ন লোটি ডড একে অপরের সঙ্গে খেলেছিলেন।
১৯৭৩ সালে সবচেয়ে আলোচিত ম্যাচটি হয়েছিল নারী তারকা বিলি জিন কিং ও অবসরপ্রাপ্ত পুরুষ খেলোয়াড় ববি রিগসের মধ্যে। তৎকালীন ২৯ বছর বয়সী কিং ৫৫ বছর বয়সী রিগসকে হারিয়ে ঐতিহাসিক জয় নিশ্চিত করেছিলেন।
এবার সাবালেঙ্কা-কিরিওসের ম্যাচটি যদিও ইতিহাসের সঙ্গে তুলনা করা কঠিন। সাবালেঙ্কার জন্য এটি প্রোফাইল বাড়ানোর সুযোগ, আর কিরিওসের জন্য ক্যারিয়ার পুনরুজ্জীবনের মঞ্চ। তবে সমালোচকেরা বলছেন, বর্তমানে নারী ও পুরুষ টেনিসে সমতা বিদ্যমান থাকায় অতীতে যেভাবে লিঙ্গের বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই হয়েছে, তার সঙ্গে এই ম্যাচের তুলনা করা যুক্তিসঙ্গত নয়।

আপনার মতামত লিখুন