জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদ ও সংসদ সদস্য প্রার্থিতা থেকে সরে দাঁড়ালেন ফেনী-৩ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আবুল কাশেম।
রোববার (২৮ ডিসেম্বর) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক ঘোষণায় তিনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।
ঘোষণায় আবুল কাশেম বলেন, নীতিগত কারণে তিনি এনসিপি থেকে পদত্যাগ এবং আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ফেনী-৩ আসনের জনগণের উদ্দেশে তিনি সালাম জানিয়ে বলেন, তিনি আর জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না এবং একই সঙ্গে দল থেকেও সরে দাঁড়াচ্ছেন।
তিনি জানান, ব্যক্তিগত ও নীতিগত বিবেচনা থেকেই এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। সাম্প্রতিক সময়ে এনসিপি যে রাজনৈতিক সমঝোতায় যুক্ত হয়েছে, তা তার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি ও নীতিগত অবস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। সে কারণেই পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
আবুল কাশেম আরও বলেন, এই সিদ্ধান্ত কোনো ব্যক্তি বা দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ নয় এবং কোনো দ্বন্দ্বের ফলও নয়। মতাদর্শগত ভিন্নতার কারণে আলাদা হওয়াকেই তিনি দায়িত্বশীল ও সঠিক পথ বলে মনে করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এনসিপির ফেনী জেলা সদস্য সচিব শাহ ওয়ালি উল্লাহ মানিক বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি এখনো অবগত নন। লিখিত কোনো পদত্যাগপত্রও দল এখনো হাতে পায়নি। এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোটের আলোচনা সামনে আসার পর থেকেই এনসিপিতে একের পর এক পদত্যাগের ঘটনা ঘটছে। গত ২৫ ডিসেম্বর প্রতিবাদ জানিয়ে দলটির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব ও নির্বাহী কাউন্সিলের সদস্য মীর আরশাদুল হক পদত্যাগ করেন। তিনি মনোনয়ন পেলেও নির্বাচনে অংশ নেবেন না বলে জানান। এরপর ২৭ ডিসেম্বর পদত্যাগ করেন সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা। রোববার একই দিনে পদত্যাগের ঘোষণা দেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক তাসনুভা জাবীন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদ ও সংসদ সদস্য প্রার্থিতা থেকে সরে দাঁড়ালেন ফেনী-৩ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আবুল কাশেম।
রোববার (২৮ ডিসেম্বর) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক ঘোষণায় তিনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।
ঘোষণায় আবুল কাশেম বলেন, নীতিগত কারণে তিনি এনসিপি থেকে পদত্যাগ এবং আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ফেনী-৩ আসনের জনগণের উদ্দেশে তিনি সালাম জানিয়ে বলেন, তিনি আর জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না এবং একই সঙ্গে দল থেকেও সরে দাঁড়াচ্ছেন।
তিনি জানান, ব্যক্তিগত ও নীতিগত বিবেচনা থেকেই এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। সাম্প্রতিক সময়ে এনসিপি যে রাজনৈতিক সমঝোতায় যুক্ত হয়েছে, তা তার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি ও নীতিগত অবস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। সে কারণেই পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
আবুল কাশেম আরও বলেন, এই সিদ্ধান্ত কোনো ব্যক্তি বা দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ নয় এবং কোনো দ্বন্দ্বের ফলও নয়। মতাদর্শগত ভিন্নতার কারণে আলাদা হওয়াকেই তিনি দায়িত্বশীল ও সঠিক পথ বলে মনে করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এনসিপির ফেনী জেলা সদস্য সচিব শাহ ওয়ালি উল্লাহ মানিক বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি এখনো অবগত নন। লিখিত কোনো পদত্যাগপত্রও দল এখনো হাতে পায়নি। এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোটের আলোচনা সামনে আসার পর থেকেই এনসিপিতে একের পর এক পদত্যাগের ঘটনা ঘটছে। গত ২৫ ডিসেম্বর প্রতিবাদ জানিয়ে দলটির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব ও নির্বাহী কাউন্সিলের সদস্য মীর আরশাদুল হক পদত্যাগ করেন। তিনি মনোনয়ন পেলেও নির্বাচনে অংশ নেবেন না বলে জানান। এরপর ২৭ ডিসেম্বর পদত্যাগ করেন সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা। রোববার একই দিনে পদত্যাগের ঘোষণা দেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক তাসনুভা জাবীন।

আপনার মতামত লিখুন