সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের বিকৃত ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী শিল্পা শেঠি। তাঁর অভিযোগ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির মাধ্যমে তাঁর কণ্ঠস্বর ও চেহারা বিকৃত করে একাধিক ভুয়া ছবি ও ভিডিও তৈরি করা হয়েছে, যা বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।
সম্প্রতি আর্থিক প্রতারণা সংক্রান্ত অভিযোগ এবং একটি রেস্তোরাঁয় সংঘটিত গোলযোগের ঘটনার পর নতুন করে এ সমস্যার মুখে পড়েছেন তিনি। শিল্পা শেঠির দাবি, এসব ভুয়া ও বিকৃত কনটেন্ট তাঁর ব্যক্তিগত জীবনে যেমন বিরূপ প্রভাব ফেলছে, তেমনি দর্শকদের কাছেও তাঁর ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পাশাপাশি তিনি নিজের নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিষয়টি খতিয়ে দেখে বম্বে হাইকোর্ট মন্তব্য করেছে, ঘটনাটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। শুনানিকালে বিচারপতি বলেন, কোনও ব্যক্তিকে এভাবে হেনস্থা করা সম্পূর্ণ অনৈতিক ও বেআইনি। অনুমতি ছাড়া কারও ছবি বা ভিডিও বিকৃত করে প্রকাশ করা গুরুতর অপরাধের শামিল।
আদালত অবিলম্বে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এসব বিকৃত ছবি ও ভিডিও সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে হাইকোর্ট স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে, ডিজিটাল মাধ্যমে কারও ভাবমূর্তি নষ্ট করার অধিকার কারও নেই এবং এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের বিকৃত ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী শিল্পা শেঠি। তাঁর অভিযোগ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির মাধ্যমে তাঁর কণ্ঠস্বর ও চেহারা বিকৃত করে একাধিক ভুয়া ছবি ও ভিডিও তৈরি করা হয়েছে, যা বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।
সম্প্রতি আর্থিক প্রতারণা সংক্রান্ত অভিযোগ এবং একটি রেস্তোরাঁয় সংঘটিত গোলযোগের ঘটনার পর নতুন করে এ সমস্যার মুখে পড়েছেন তিনি। শিল্পা শেঠির দাবি, এসব ভুয়া ও বিকৃত কনটেন্ট তাঁর ব্যক্তিগত জীবনে যেমন বিরূপ প্রভাব ফেলছে, তেমনি দর্শকদের কাছেও তাঁর ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পাশাপাশি তিনি নিজের নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিষয়টি খতিয়ে দেখে বম্বে হাইকোর্ট মন্তব্য করেছে, ঘটনাটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। শুনানিকালে বিচারপতি বলেন, কোনও ব্যক্তিকে এভাবে হেনস্থা করা সম্পূর্ণ অনৈতিক ও বেআইনি। অনুমতি ছাড়া কারও ছবি বা ভিডিও বিকৃত করে প্রকাশ করা গুরুতর অপরাধের শামিল।
আদালত অবিলম্বে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এসব বিকৃত ছবি ও ভিডিও সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে হাইকোর্ট স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে, ডিজিটাল মাধ্যমে কারও ভাবমূর্তি নষ্ট করার অধিকার কারও নেই এবং এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন