আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া–সলঙ্গা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ও দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুরে উল্লাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেন।
মনোনয়নপত্র সংগ্রহ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেন, গত ১৭ বছরে দেশের মানুষ প্রকৃত অর্থে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পায়নি। তবে এবারের নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে প্রস্তুত রয়েছে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত হবে এবং প্রশাসন দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
তিনি আরও বলেন, জনগণ এবার পরিবর্তন চায় এবং তারা জামায়াতে ইসলামীকে রাষ্ট্রক্ষমতায় দেখতে আগ্রহী।
নিজের রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, বিগত ১৭ বছরে তাঁর বিরুদ্ধে শতাধিক মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে এবং দীর্ঘ সময় তাঁকে কারাবন্দি থাকতে হয়েছে। পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন রাখা হয়েছিল, এমনকি আপনজনের জানাজায় অংশ নেওয়ার সুযোগও দেওয়া হয়নি। ডান্ডাবেরি পরিয়ে আদালতে হাজির করা হতো এবং ক্রসফায়ারের পরিকল্পনাও করা হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেন। তাঁর পরিবারের সদস্যরাও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, বড় ছেলেকে পরীক্ষার কেন্দ্র থেকে তুলে নিয়ে এক বছর কারাবন্দি রাখা হয় এবং রিমান্ডে নির্যাতনের ফলে তার দুই চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব দুঃসহ সময়ের মধ্যেও আল্লাহ তাঁকে বাঁচিয়ে রেখেছেন বলে তিনি মন্তব্য করেন।
মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেন, আল্লাহ যে জীবন তাঁকে দিয়েছেন, তা তিনি উল্লাপাড়াবাসীর কল্যাণে উৎসর্গ করতে চান। উল্লাপড়াবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, তিনি শাসক হতে নয়, সেবক হতে চান। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে উল্লাপাড়াকে দুর্নীতিমুক্ত, চাঁদাবাজমুক্ত ও দখলদারমুক্ত একটি আধুনিক, মানবিক ও স্বনির্ভর উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে চান বলেও জানান তিনি। এ জন্য তিনি সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।
মনোনয়নপত্র উত্তোলনের সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াতের আমির ও উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক শাহজাহান আলী, উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমির আব্দুস সামাদ, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি খাইরুল ইসলাম, উপজেলা দপ্তর সম্পাদক আব্দুল বারী, প্রচার সম্পাদক আশরাফুল আলম (মুত্তালিব), পৌর জামায়াতের আমির আব্দুল করিম, জামায়াতের যুব বিভাগের সভাপতি আতাউর রহমান, জেলা শিবিরের সাবেক সভাপতি আলহাজ উদ্দিন, উপজেলা শিবিরের সভাপতি সাদ, সদর ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি রেজাউল করিম ও সেক্রেটারি আলহাজ উদ্দিনসহ দলীয় নেতাকর্মীরা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া–সলঙ্গা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ও দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুরে উল্লাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেন।
মনোনয়নপত্র সংগ্রহ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেন, গত ১৭ বছরে দেশের মানুষ প্রকৃত অর্থে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পায়নি। তবে এবারের নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে প্রস্তুত রয়েছে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত হবে এবং প্রশাসন দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
তিনি আরও বলেন, জনগণ এবার পরিবর্তন চায় এবং তারা জামায়াতে ইসলামীকে রাষ্ট্রক্ষমতায় দেখতে আগ্রহী।
নিজের রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, বিগত ১৭ বছরে তাঁর বিরুদ্ধে শতাধিক মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে এবং দীর্ঘ সময় তাঁকে কারাবন্দি থাকতে হয়েছে। পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন রাখা হয়েছিল, এমনকি আপনজনের জানাজায় অংশ নেওয়ার সুযোগও দেওয়া হয়নি। ডান্ডাবেরি পরিয়ে আদালতে হাজির করা হতো এবং ক্রসফায়ারের পরিকল্পনাও করা হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেন। তাঁর পরিবারের সদস্যরাও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, বড় ছেলেকে পরীক্ষার কেন্দ্র থেকে তুলে নিয়ে এক বছর কারাবন্দি রাখা হয় এবং রিমান্ডে নির্যাতনের ফলে তার দুই চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব দুঃসহ সময়ের মধ্যেও আল্লাহ তাঁকে বাঁচিয়ে রেখেছেন বলে তিনি মন্তব্য করেন।
মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেন, আল্লাহ যে জীবন তাঁকে দিয়েছেন, তা তিনি উল্লাপাড়াবাসীর কল্যাণে উৎসর্গ করতে চান। উল্লাপড়াবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, তিনি শাসক হতে নয়, সেবক হতে চান। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে উল্লাপাড়াকে দুর্নীতিমুক্ত, চাঁদাবাজমুক্ত ও দখলদারমুক্ত একটি আধুনিক, মানবিক ও স্বনির্ভর উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে চান বলেও জানান তিনি। এ জন্য তিনি সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।
মনোনয়নপত্র উত্তোলনের সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াতের আমির ও উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক শাহজাহান আলী, উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমির আব্দুস সামাদ, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি খাইরুল ইসলাম, উপজেলা দপ্তর সম্পাদক আব্দুল বারী, প্রচার সম্পাদক আশরাফুল আলম (মুত্তালিব), পৌর জামায়াতের আমির আব্দুল করিম, জামায়াতের যুব বিভাগের সভাপতি আতাউর রহমান, জেলা শিবিরের সাবেক সভাপতি আলহাজ উদ্দিন, উপজেলা শিবিরের সভাপতি সাদ, সদর ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি রেজাউল করিম ও সেক্রেটারি আলহাজ উদ্দিনসহ দলীয় নেতাকর্মীরা।

আপনার মতামত লিখুন