দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক গৃহবধূকে ঢাকায় নিয়ে গিয়ে একটি ভাড়া বাসায় আটকে রেখে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই নারী নবাবগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলার পর অভিযুক্ত মোঃ জামিনুর রহমানকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বিনোদনগর ইউনিয়নের চেরাগপুর গ্রামের ওই নারী প্রায় ১৪ বছর আগে ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তার সংসারে ১১ বছর বয়সী একটি মেয়ে ও ৫ বছর বয়সী একটি ছেলে রয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়, একই এলাকার প্রতিবেশী জামিনুর রহমান বিভিন্ন সময়ে ওই নারীর বাড়িতে আসা-যাওয়া করতেন। একপর্যায়ে তিনি ওই নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখান এবং বিয়ে করলে ঘর, গহনা ও সম্পদ দেওয়ার আশ্বাস দেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রায় এক মাস আগে চেরাগপুর গ্রামের তালতলা মাদ্রাসার সামনে পাকা সড়কে গেলে জামিনুর রহমান ওই নারীকে তার অসুস্থ স্ত্রীকে হাসপাতালে দেখতে যাওয়ার কথা বলে একটি মাইক্রোবাসে উঠতে বলেন। তার কথায় সরল বিশ্বাসে ওই নারী মাইক্রোবাসে ওঠেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে তাকে ঢাকায় নিয়ে একটি ভাড়া বাসায় আটকে রেখে বিয়ের প্রলোভনে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করা হয় বলে অভিযোগ করেন ওই নারী। প্রায় ১৪ দিন পর কৌশলে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মোবাইল ফোন থেকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি জানান তিনি। পরে পরিবারের লোকজন ঢাকায় গিয়ে তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী পরিবারের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে ৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার রাতে নবাবগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নবাবগঞ্জ থানার এসআই এমদাদ জানান, মামলার পর অভিযুক্ত মো. জামিনুর রহমানকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক গৃহবধূকে ঢাকায় নিয়ে গিয়ে একটি ভাড়া বাসায় আটকে রেখে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই নারী নবাবগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলার পর অভিযুক্ত মোঃ জামিনুর রহমানকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বিনোদনগর ইউনিয়নের চেরাগপুর গ্রামের ওই নারী প্রায় ১৪ বছর আগে ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তার সংসারে ১১ বছর বয়সী একটি মেয়ে ও ৫ বছর বয়সী একটি ছেলে রয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়, একই এলাকার প্রতিবেশী জামিনুর রহমান বিভিন্ন সময়ে ওই নারীর বাড়িতে আসা-যাওয়া করতেন। একপর্যায়ে তিনি ওই নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখান এবং বিয়ে করলে ঘর, গহনা ও সম্পদ দেওয়ার আশ্বাস দেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রায় এক মাস আগে চেরাগপুর গ্রামের তালতলা মাদ্রাসার সামনে পাকা সড়কে গেলে জামিনুর রহমান ওই নারীকে তার অসুস্থ স্ত্রীকে হাসপাতালে দেখতে যাওয়ার কথা বলে একটি মাইক্রোবাসে উঠতে বলেন। তার কথায় সরল বিশ্বাসে ওই নারী মাইক্রোবাসে ওঠেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে তাকে ঢাকায় নিয়ে একটি ভাড়া বাসায় আটকে রেখে বিয়ের প্রলোভনে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করা হয় বলে অভিযোগ করেন ওই নারী। প্রায় ১৪ দিন পর কৌশলে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মোবাইল ফোন থেকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি জানান তিনি। পরে পরিবারের লোকজন ঢাকায় গিয়ে তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী পরিবারের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে ৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার রাতে নবাবগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নবাবগঞ্জ থানার এসআই এমদাদ জানান, মামলার পর অভিযুক্ত মো. জামিনুর রহমানকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

আপনার মতামত লিখুন