বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য বিভাগের পার-১ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। উপসচিব ডা. মোহাম্মদ আলম হোসেন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক (অফথালমোলজি) ডা. সায়ীদ মেহেবুব উল কাদিরকে একই প্রতিষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
চক্ষু চিকিৎসায় বিশেষায়িত জাতীয় পর্যায়ের এই প্রতিষ্ঠানে নতুন দায়িত্ব পাওয়ায় ডা. সায়ীদ মেহেবুব উল কাদিরের ওপর এখন চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্বও বর্তাবে। চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সমন্বয়ে রোগীদের সেবা কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা এবং প্রতিষ্ঠানটির প্রশাসনিক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে ভারপ্রাপ্ত পরিচালক হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করবেন।
ডা. সায়ীদ মেহেবুব উল কাদির একই প্রতিষ্ঠানে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। পাশাপাশি তিনি ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এবার জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক হিসেবে নতুন দায়িত্ব পেলেন তিনি।
নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর ডা. সায়ীদ মেহেবুব উল কাদির তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে পালনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। প্রতিষ্ঠানটির চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে চান তিনি।
বিশেষ করে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে চক্ষু চিকিৎসার জন্য আসা রোগীদের সেবা কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা এবং প্রতিষ্ঠানটির সামগ্রিক কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছেন নতুন ভারপ্রাপ্ত পরিচালক।
ডা. সায়ীদ মেহেবুব উল কাদির তার নতুন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সহকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং চুয়াডাঙ্গাবাসীসহ সবার কাছে সহযোগিতা ও দোয়া চেয়েছেন।
চুয়াডাঙ্গার কৃতি সন্তান হিসেবে জাতীয় পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ একটি বিশেষায়িত চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত পরিচালকের দায়িত্ব পাওয়ার বিষয়টি তার পেশাগত জীবনে নতুন অধ্যায় হিসেবে যুক্ত হলো। নতুন দায়িত্বে তিনি জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের চিকিৎসা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম নিষ্ঠার সঙ্গে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় জানিয়েছেন।

শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য বিভাগের পার-১ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। উপসচিব ডা. মোহাম্মদ আলম হোসেন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক (অফথালমোলজি) ডা. সায়ীদ মেহেবুব উল কাদিরকে একই প্রতিষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
চক্ষু চিকিৎসায় বিশেষায়িত জাতীয় পর্যায়ের এই প্রতিষ্ঠানে নতুন দায়িত্ব পাওয়ায় ডা. সায়ীদ মেহেবুব উল কাদিরের ওপর এখন চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্বও বর্তাবে। চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সমন্বয়ে রোগীদের সেবা কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা এবং প্রতিষ্ঠানটির প্রশাসনিক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে ভারপ্রাপ্ত পরিচালক হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করবেন।
ডা. সায়ীদ মেহেবুব উল কাদির একই প্রতিষ্ঠানে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। পাশাপাশি তিনি ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এবার জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক হিসেবে নতুন দায়িত্ব পেলেন তিনি।
নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর ডা. সায়ীদ মেহেবুব উল কাদির তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে পালনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। প্রতিষ্ঠানটির চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে চান তিনি।
বিশেষ করে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে চক্ষু চিকিৎসার জন্য আসা রোগীদের সেবা কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা এবং প্রতিষ্ঠানটির সামগ্রিক কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছেন নতুন ভারপ্রাপ্ত পরিচালক।
ডা. সায়ীদ মেহেবুব উল কাদির তার নতুন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সহকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং চুয়াডাঙ্গাবাসীসহ সবার কাছে সহযোগিতা ও দোয়া চেয়েছেন।
চুয়াডাঙ্গার কৃতি সন্তান হিসেবে জাতীয় পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ একটি বিশেষায়িত চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত পরিচালকের দায়িত্ব পাওয়ার বিষয়টি তার পেশাগত জীবনে নতুন অধ্যায় হিসেবে যুক্ত হলো। নতুন দায়িত্বে তিনি জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের চিকিৎসা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম নিষ্ঠার সঙ্গে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন