চুয়াডাঙ্গায় ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ-এর ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে সংগঠনের চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে উৎসবমুখর পরিবেশে এ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়।
ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ, চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সভাপতি মো. আহসান উল হক শাহীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শরীফুজ্জামান শরীফ বলেন, মাঠপর্যায়ে কর্মরত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে কৃষকরা বিভিন্নভাবে উপকৃত হচ্ছেন। প্রান্তিক কৃষকদের দোরগোড়ায় কৃষি উপকরণ ও কৃষিসেবা পৌঁছে দিতে তাদের আরও দায়িত্বশীল ও সজাগভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। সরকারের এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তাদের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সারের বিষয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে সারের কোনো সংকট নেই। তবে সুষ্ঠু তদারকির অভাবে কোথাও কোথাও কৃত্রিম সংকটের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। কৃষকদের সঠিক মাত্রায় সার ব্যবহারের বিষয়ে সচেতন করতে কৃষিবিদদের আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। অতিরিক্ত সার ব্যবহারের কারণে মাটির গুণগত মান নষ্ট হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
শরীফুজ্জামান শরীফ আরও বলেন, প্রত্যেককে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়া বিষাক্ত পার্থেনিয়াম উদ্ভিদের বিষয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এ উদ্ভিদ নিয়ন্ত্রণে কৃষি বিভাগের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সচেতনভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় মহাসচিব সৈয়দ জাহিদ হোসেন বলেন, কৃষি উন্নয়নে ডিপ্লোমা কৃষিবিদরা সবসময় সরকারের সহযোগী হিসেবে কাজ করে আসছেন। কৃষকদের পরিকল্পিতভাবে কৃষিকাজে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে কাজ করে কৃষকদের দোরগোড়ায় কৃষি উপকরণ, সার ও বীজ পৌঁছে দিতে তারা বদ্ধপরিকর।
তিনি বলেন, কৃষির উন্নয়ন ও কৃষকদের কল্যাণে সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে ডিপ্লোমা কৃষিবিদরা ভবিষ্যতেও কাজ করে যাবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক এস টি আহমেদ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী কৃষক দল, চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার আহ্বায়ক মো. মোকারম হোসেন ও সদস্য সচিব মো. তবারক হোসেন, চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা বিএনপির সভাপতি মো. সিরাজুল ইসলাম মনি এবং সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. নজরুল ইসলামসহ ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ-এর জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা।
আলোচনা সভায় বক্তারা দেশের কৃষি খাতের উন্নয়ন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং কৃষকদের আধুনিক ও পরিকল্পিত কৃষিকাজে সম্পৃক্ত করতে ডিপ্লোমা কৃষিবিদদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ, চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল ওয়াহেদ।

শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গায় ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ-এর ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে সংগঠনের চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে উৎসবমুখর পরিবেশে এ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়।
ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ, চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সভাপতি মো. আহসান উল হক শাহীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শরীফুজ্জামান শরীফ বলেন, মাঠপর্যায়ে কর্মরত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে কৃষকরা বিভিন্নভাবে উপকৃত হচ্ছেন। প্রান্তিক কৃষকদের দোরগোড়ায় কৃষি উপকরণ ও কৃষিসেবা পৌঁছে দিতে তাদের আরও দায়িত্বশীল ও সজাগভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। সরকারের এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তাদের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সারের বিষয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে সারের কোনো সংকট নেই। তবে সুষ্ঠু তদারকির অভাবে কোথাও কোথাও কৃত্রিম সংকটের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। কৃষকদের সঠিক মাত্রায় সার ব্যবহারের বিষয়ে সচেতন করতে কৃষিবিদদের আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। অতিরিক্ত সার ব্যবহারের কারণে মাটির গুণগত মান নষ্ট হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
শরীফুজ্জামান শরীফ আরও বলেন, প্রত্যেককে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়া বিষাক্ত পার্থেনিয়াম উদ্ভিদের বিষয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এ উদ্ভিদ নিয়ন্ত্রণে কৃষি বিভাগের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সচেতনভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় মহাসচিব সৈয়দ জাহিদ হোসেন বলেন, কৃষি উন্নয়নে ডিপ্লোমা কৃষিবিদরা সবসময় সরকারের সহযোগী হিসেবে কাজ করে আসছেন। কৃষকদের পরিকল্পিতভাবে কৃষিকাজে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে কাজ করে কৃষকদের দোরগোড়ায় কৃষি উপকরণ, সার ও বীজ পৌঁছে দিতে তারা বদ্ধপরিকর।
তিনি বলেন, কৃষির উন্নয়ন ও কৃষকদের কল্যাণে সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে ডিপ্লোমা কৃষিবিদরা ভবিষ্যতেও কাজ করে যাবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক এস টি আহমেদ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী কৃষক দল, চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার আহ্বায়ক মো. মোকারম হোসেন ও সদস্য সচিব মো. তবারক হোসেন, চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা বিএনপির সভাপতি মো. সিরাজুল ইসলাম মনি এবং সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. নজরুল ইসলামসহ ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ-এর জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা।
আলোচনা সভায় বক্তারা দেশের কৃষি খাতের উন্নয়ন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং কৃষকদের আধুনিক ও পরিকল্পিত কৃষিকাজে সম্পৃক্ত করতে ডিপ্লোমা কৃষিবিদদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ, চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল ওয়াহেদ।

আপনার মতামত লিখুন