কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী ও নরসিংদীর মনোহরদী—এই দুই সীমানার মধ্যবর্তী ব্রহ্মপুত্র নদে মধ্য চরপুক্ষিয়া খুর্শিদের খেয়া ঘাট থেকে জামতলি মোড় পর্যন্ত একটি টেকসই ব্রিজ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধনে ও গণস্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) আয়োজিত এই মানববন্ধনে চরপুক্ষিয়া ও চরগোহালবাড়িয়া এলাকার সর্বস্তরের অধিবাসী অংশগ্রহণ করেন।
বক্তারা অত্যন্ত ক্ষোভ ও আক্ষেপের সাথে বলেন, স্বাধীনতার বহু বছর পেরিয়ে গেলেও দুই পাড়ের মানুষের চলাচলের একমাত্র ভরসা একটি জীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ খেয়া নৌকা। বর্ষাকালে নদী পারাপার হয়ে ওঠে জীবনঘাতী। নদীর দুই পাড়েই সংযোগ সড়ক থাকলেও শুধু একটি ব্রিজের অভাবে পুরো এলাকার উন্নয়ন স্তব্ধ হয়ে আছে।
চরগোয়ালবাড়িয়া এলাকার মো. সোহাগ হোসেন বলেন, “উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা না থাকায় অসুস্থ রোগীদের জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে পৌঁছানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। কোমলমতি শিক্ষার্থীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদী পার হয়ে স্কুলে যায়। এছাড়া কৃষকদের কষ্টের ফসল সঠিক সময়ে বাজারে পৌঁছাতে না পেরে ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হতে হয়।”
জালালপুর ইউনিয়ন ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শামসুল আলম এবং সাবেক ইউপি সদস্য বাবুল মিয়া জানান, স্থানীয় এমপি ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা নির্বাচনের আগে বারবার এখানে ব্রিজ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবায়ন হয়নি। বর্তমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও মনোহরদী-বেলাব আসনের সংসদ সদস্য সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল এবং কিশোরগঞ্জ-২ আসনের এমপি অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিনের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তারা দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ জানান।
স্থানীয়রা মনে করেন এখানে ব্রিজটি নির্মিত হলে শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থারই উন্নতি হবে না, মনোহরদীর ৩টি ইউনিয়ন ও কটিয়াদীর জালালপুরসহ আশপাশের লক্ষাধিক মানুষের সামাজিক ও অর্থনৈতিক ভাগ্য বদলে যাবে।” একটি ব্রিজের দাবি কেবল একটি ভৌগোলিক সংযোগ নয়, বরং দুই জেলার সীমান্তবর্তী অঞ্চলের মানুষের টিকে থাকার আকুতি।
মানববন্ধন শেষে অংশগ্রহণকারী সাধারণ জনগণ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এবং অনতিবিলম্বে জায়গাটি সরেজমিনে পরিদর্শন করে টেকসই একটি ব্রিজ নির্মাণের সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণের জোর দাবি জানান।

শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী ও নরসিংদীর মনোহরদী—এই দুই সীমানার মধ্যবর্তী ব্রহ্মপুত্র নদে মধ্য চরপুক্ষিয়া খুর্শিদের খেয়া ঘাট থেকে জামতলি মোড় পর্যন্ত একটি টেকসই ব্রিজ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধনে ও গণস্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) আয়োজিত এই মানববন্ধনে চরপুক্ষিয়া ও চরগোহালবাড়িয়া এলাকার সর্বস্তরের অধিবাসী অংশগ্রহণ করেন।
বক্তারা অত্যন্ত ক্ষোভ ও আক্ষেপের সাথে বলেন, স্বাধীনতার বহু বছর পেরিয়ে গেলেও দুই পাড়ের মানুষের চলাচলের একমাত্র ভরসা একটি জীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ খেয়া নৌকা। বর্ষাকালে নদী পারাপার হয়ে ওঠে জীবনঘাতী। নদীর দুই পাড়েই সংযোগ সড়ক থাকলেও শুধু একটি ব্রিজের অভাবে পুরো এলাকার উন্নয়ন স্তব্ধ হয়ে আছে।
চরগোয়ালবাড়িয়া এলাকার মো. সোহাগ হোসেন বলেন, “উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা না থাকায় অসুস্থ রোগীদের জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে পৌঁছানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। কোমলমতি শিক্ষার্থীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদী পার হয়ে স্কুলে যায়। এছাড়া কৃষকদের কষ্টের ফসল সঠিক সময়ে বাজারে পৌঁছাতে না পেরে ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হতে হয়।”
জালালপুর ইউনিয়ন ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শামসুল আলম এবং সাবেক ইউপি সদস্য বাবুল মিয়া জানান, স্থানীয় এমপি ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা নির্বাচনের আগে বারবার এখানে ব্রিজ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবায়ন হয়নি। বর্তমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও মনোহরদী-বেলাব আসনের সংসদ সদস্য সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল এবং কিশোরগঞ্জ-২ আসনের এমপি অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিনের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তারা দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ জানান।
স্থানীয়রা মনে করেন এখানে ব্রিজটি নির্মিত হলে শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থারই উন্নতি হবে না, মনোহরদীর ৩টি ইউনিয়ন ও কটিয়াদীর জালালপুরসহ আশপাশের লক্ষাধিক মানুষের সামাজিক ও অর্থনৈতিক ভাগ্য বদলে যাবে।” একটি ব্রিজের দাবি কেবল একটি ভৌগোলিক সংযোগ নয়, বরং দুই জেলার সীমান্তবর্তী অঞ্চলের মানুষের টিকে থাকার আকুতি।
মানববন্ধন শেষে অংশগ্রহণকারী সাধারণ জনগণ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এবং অনতিবিলম্বে জায়গাটি সরেজমিনে পরিদর্শন করে টেকসই একটি ব্রিজ নির্মাণের সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণের জোর দাবি জানান।

আপনার মতামত লিখুন