বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার বাসভবনে বিশ্বজয়ী হাফেজদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণের কল্যাণে এবং অভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়নে ১১ দলীয় ঐক্য লংমার্চ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এ কর্মসূচি সফল করতে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
সরকারের সমালোচনা করে জামায়াত আমির অভিযোগ করেন, জনস্বার্থ রক্ষায় সরকার ব্যর্থ হয়েছে। সরকারের এই ব্যর্থতার কারণেই ১১ দল রাজপথে কর্মসূচি দিতে বাধ্য হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, দেশ ও জনগণের অধিকার আদায়ের প্রশ্নে বিরোধী দল শুধু সংসদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। জনগণের দাবি আদায়ে সংসদের পাশাপাশি রাজপথেও সক্রিয় থাকবে বিরোধী দল।
আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চ কর্মসূচি পালন করবে ১১ দলীয় ঐক্য। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ-গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং প্রশাসনে দলীয়করণ বন্ধসহ ছয় দফা দাবিকে সামনে রেখে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।
এর আগে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা জানিয়েছেন, লংমার্চে বাধা দেওয়া হলেও কর্মসূচি অব্যাহত রাখা হবে। ঢাকা থেকে শুরু হয়ে চট্টগ্রামের লালদিঘী ময়দানে গিয়ে কর্মসূচি শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এদিকে কওমি শিক্ষার মানোন্নয়ন নিয়েও সরকারের সমালোচনা করেন জামায়াত আমির। এ খাতের শিক্ষার মান উন্নয়নে সরকারের আন্তরিকতার অভাব রয়েছে বলে অভিযোগ করেন ডা. শফিকুর রহমান।
জামায়াত আমিরের ভাষ্য, ১১ দলীয় ঐক্যের কর্মসূচির উদ্দেশ্য কোনো নির্দিষ্ট দল বা গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষা নয়; বরং জনগণের অধিকার ও কল্যাণের দাবিগুলো সামনে নিয়ে আসা। এসব দাবি আদায়ে সংসদ ও রাজপথ—দুই জায়গাতেই বিরোধী দলের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার বাসভবনে বিশ্বজয়ী হাফেজদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণের কল্যাণে এবং অভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়নে ১১ দলীয় ঐক্য লংমার্চ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এ কর্মসূচি সফল করতে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
সরকারের সমালোচনা করে জামায়াত আমির অভিযোগ করেন, জনস্বার্থ রক্ষায় সরকার ব্যর্থ হয়েছে। সরকারের এই ব্যর্থতার কারণেই ১১ দল রাজপথে কর্মসূচি দিতে বাধ্য হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, দেশ ও জনগণের অধিকার আদায়ের প্রশ্নে বিরোধী দল শুধু সংসদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। জনগণের দাবি আদায়ে সংসদের পাশাপাশি রাজপথেও সক্রিয় থাকবে বিরোধী দল।
আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চ কর্মসূচি পালন করবে ১১ দলীয় ঐক্য। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ-গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং প্রশাসনে দলীয়করণ বন্ধসহ ছয় দফা দাবিকে সামনে রেখে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।
এর আগে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা জানিয়েছেন, লংমার্চে বাধা দেওয়া হলেও কর্মসূচি অব্যাহত রাখা হবে। ঢাকা থেকে শুরু হয়ে চট্টগ্রামের লালদিঘী ময়দানে গিয়ে কর্মসূচি শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এদিকে কওমি শিক্ষার মানোন্নয়ন নিয়েও সরকারের সমালোচনা করেন জামায়াত আমির। এ খাতের শিক্ষার মান উন্নয়নে সরকারের আন্তরিকতার অভাব রয়েছে বলে অভিযোগ করেন ডা. শফিকুর রহমান।
জামায়াত আমিরের ভাষ্য, ১১ দলীয় ঐক্যের কর্মসূচির উদ্দেশ্য কোনো নির্দিষ্ট দল বা গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষা নয়; বরং জনগণের অধিকার ও কল্যাণের দাবিগুলো সামনে নিয়ে আসা। এসব দাবি আদায়ে সংসদ ও রাজপথ—দুই জায়গাতেই বিরোধী দলের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন